কোভিড প্রোটোকল মেনেই পর্যটকদের সঙ্গে আচরণ করা হবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ
১৭ মার্চ থেকে দেশে জারি হয়েছিল সম্পূর্ণ লকডাউন। এক এক করে বন্ধ হয়েছে সমস্তকিছু। প্রভাব পড়েছিল দার্জিলিঙের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জ্যুলজিকাল পার্ক অ্যান্ড হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউটেও। ইতিমধ্যেই পার হয়ে গেছে টানা ২০০ দিন। অবশেষে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার আবার খুলল এই চিড়িয়াখানার দরজা।
গত মাসেই বনমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জি ঘোষণা করেছিলেন, পুজোর আগে একে একে বনজঙ্গল, চিড়িয়াখানা খুলে দেওয়া হবে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে জঙ্গল খুলে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার থেকে খুলে গেল রাজ্যের সমস্ত জাতীয় উদ্যান এবং চিড়িয়াখানা। পার্ক কর্মীদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে কোভিড প্রোটোকল মেনে কীভাবে পর্যটকদের সঙ্গে আচরণ করা হবে সে বিষয়ে মক ড্রিলের আয়োজন পর্যন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তরের জারি করা কোভিড প্রোটোকল মেনে সেখানেও এদিন থেকে মানুষের আনাগোনা শুরু হয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের বয়ান অনুযায়ী, দার্জিলিং চিড়িয়াখানাতেও এদিন প্রায় ২৫৭ জন পর্যটক বেড়াতে আসেন।
গাড়ি সাফারি এবং টয়ট্রেন সাফারির ক্ষেত্রে পর্যটকদের আসন সংখ্যা কমানো হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে হাতি সাফারি। এবার লকডাউনেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার শীলা জন্ম দিয়েছে তিন বাচ্চার। তবে এখনও তাদের পর্যটকদের সামনে আনা হচ্ছে না। অন্যান্য জীবজন্তুরা আবার আগের মতো পরিবেশ ফিরে পেয়ে নিজেদের মতো হই-হুল্লোড়ে মেতে উঠেছে।
