একটা সময় ছিল যখন ভারতে ‘মার্গো’ ব্র্যান্ড ছিল FMCG (ফাস্ট-মুভিং কনজিউমার গুডস)
প্রতীকী ছবি রবীন্দ্রনাথের ছোটোগল্প সবসময় সম্ভাবনাময়। সেই সময় এবং আজও। ছোটো ছোটো দুঃখব্যথার
গড়পার রোডের বাড়িতে সুকুমার রায় যখন প্রয়াত হন, সত্যজিতের বয়স তখন আড়াই বছর। সেই
“আমি পলায়নকারী নই। আমি নির্জনতার মধ্যে যাচ্ছি কারণ, আমি নিজেকে আবিষ্কার করতে
প্রশ্ন জাগে, এইসব তাঁদের ব্যক্তিগত প্রতিভা শুধু? নাকি, সময়ই তৈরি করেছিল সেসব?
কলকাতা জুড়ে তখন প্লেগের আতঙ্ক। চারপাশে মৃত্যু। কিছুতেই আর স্থির থাকতে পারলেন
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন একজন মানুষ, যিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্যে,
দেকার্ত বোধহয় একবার তাঁর কোনো লেখায় বলেছিলেন, পুরোনো শতাব্দীর সঙ্গে কথা বলার
এরপরে এসে পড়ে আরও কিছু কথা। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে আধার কার্ডের পরিসীমা
ভরসা ছিল, আধারকার্ড ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে জনমনে বা পাবলিক ডোমেনে
“স্থান: ডালহৌসি থেকে কালীঘাট, চলন্ত ট্রামের বেনামী ভিড়ের মধ্যে। কাল: বিশ্রম্ভালাপের কাল,
শিবনাথ শাস্ত্রী কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়। ইনি ডিরোজিওর শিষ্যগণ ও লাহিড়ী মহাশয়ের যৌবন-সুহৃদগণের মধ্যে সৰ্ব্বাগ্রগণ্য
শতাব্দীর এক পাদ অতিক্রান্ত হয়ে এল। বাবরি মসজিদের অস্তিত্ব এখন শুধু ইতিহাসের
বলা হয়, ১৩ সংখ্যাটি খুবই অশুভ। এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কিন্তু
আজ হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে দেখি বাইরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, আকাশের মুখ ভার!
চার বছর আগের কথা। ব্যাঙ্গালোরে সেদিন আকাশ ছিল মেঘলা ।বৃষ্টি ছিল, হাওয়া
"যেদিন প্রথম পড়িলাম, জল পড়ে পাতা নড়ে..আমার সমস্ত চৈতন্য বাহিয়া যেন জল
ফেসবুকে ছোট্ট একটা পোস্ট। ‘অবনী অনলাইন আছো?’ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা নিয়ে এই ধরনের