
কয়েকটি সংগঠনের উদ্যোগে অন্ধকার গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছে আলো
আমফানের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়িঘর। তার মধ্যে নিয়মিত বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় সূর্য ডোবার পর লেখাপড়া করা পড়ুয়াদের পক্ষে সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার মুশকিল আসান করে সুন্দরবনের ২০০ জন পড়ুয়ার কাছে পৌঁছে দেওয়া হল সোলার ল্যাম্প।
হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের বাইনাড়া, কনকনগর, রূপকুমারি প্রভৃতি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। কিন্তু ঘন ঘন লোড শেডিং ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ২০২১ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা সংকটের শিকার। রবিবার ‘কোয়রান্টিন স্টুডেন্ট ইয়ুথ নেটওয়ার্ক’ এবং ‘সায়েন্স কমিউনিকেটরস ফোরাম’-এর উদ্যোগে এই গ্রামগুলির ২০০ জন ছাত্রছাত্রীর হাতে সোলার ল্যাম্প, ব্যাটারি এবং খাতা তুলে দেওয়া হল। দিনের বেলা সূর্যের আলোয় চার্জ দিলে রাতে তার সাহায্যে পড়াশোনা চালানো যাবে।
এখানেই থেমে থাকেনি এই দু’টি সংগঠন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছতে চান তাঁরা। মঙ্গলবার কুমিরমারি, মন্মথনগর, পুঁইজালি, রাঙ্গাবেলিয়া, সাতজেলিয়ায় ২০০ জন এবং বুধবার হাসনাবাদে আরও ২০০ জন পড়ুয়াকে তাঁরা সোলার ল্যাম্প ও ব্যাটারি দেবেন।
এই দুটি সংগঠনের উদ্যোগকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন সবাই। ছাত্রছাত্রীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তারা সঠিকভাবে লেখাপড়ার সুযোগ পেলে তবেই দেশ এগোবে।
(ছবি – প্রতীকী)
