পুজো আনন্দে কাটুক সকলের – মানবিক উদ্যোগ নিল SHER

দক্ষিণ বাংলার বন্যপ্রাণী প্রভাবিত এলাকা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মুখে ফুটলো হাসি

মানব-বন্যপ্রাণী দ্বন্দ্ব থাকলেও বাস্তুতন্ত্রে এর সহাবস্থান রয়েছে। এই বাস্তুতন্ত্রের ওপর নির্ভর করে গোটা অঞ্চলের জীবনযাপন-অর্থনীতি। গত দেড় বছরে অতিমারি, লকডাউন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে বাসস্থান-কাজ হারিয়েছেন দক্ষিণ বাংলার বন্যপ্রাণী প্রভাবিত এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একাধিক মানুষ। সারা বাংলা যখন উৎসবমুখর হয়ে উঠছে, তাঁরা তখন নিদারুণ জীবনসংগ্রামে ব্যস্ত। এত আলো, আনন্দ, হুল্লোড়, নতুন জামা এসব কি তাহলে ওদের জীবনে অর্থহীন?

ঠিক এই জিজ্ঞাসা থেকেই ওদের মুখে হাসি ফোটানোর উদ্যোগ নিল ‘সোশাইটি ফর হেরিটেজ অ্যান্ড ইকোলজিক্যাল রিসার্চস’ (SHER)। দক্ষিণ বাংলার বন্যপ্রাণী প্রভাবিত এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীদের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করে SHER. পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগে অংশগ্রহণ করে এই বেসরকারি সংস্থাটি। শুধু এ বছর নয়, বিগত সাত বছর ধরেই উৎসবের মরসুমে দক্ষিণবঙ্গের বন্যপ্রাণী প্রভাবিত অঞ্চলে গিয়ে বিচ্ছিন্ন মূল মানুষের হাতে নতুন জামাকাপড় তুলে দেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এবছর দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভের আশেপাশে, হুগলি জেলার আদিবাসী বসতি ইত্যাদি অঞ্চলে গিয়ে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার হাতে তাঁরা তুলে দিয়েছেন ২৮০০সেট নতুন জামা। উদ্যোক্তাদের কথায়, দুর্গা মা সকলের জন্যই নতুন জীবন, আনন্দের বার্তা নিয়ে আসেন। মায়ের কাছে তাঁর সব সন্তানই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সামর্থ অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি আমরা। প্রান্তিক অঞ্চলের ছোটো ছোট বাচ্চা, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মুখের হাসিই আমাদের প্রাপ্তির ভাঁড়ার পূর্ন করে দেয়।

 

Developed by DXDasia