আলোর মাধ্যমে কীভাবে নতুন চমক দেওয়া যায়, তার জন্য প্রস্তুতি তুঙ্গে
উৎসবের মরশুম। কিন্তু চন্দননগরের আলোকশিল্পীদের তেমন বরাত নেই। তাও হাল ছেড়ে দিতে রাজি নন শিল্পীরা। আলোর মাধ্যমে কীভাবে নতুন চমক দেওয়া যায়, তার জন্য প্রস্তুতি তুঙ্গে। করোনা পরিস্থিতির জেরে তেমনভাবে কাজ পাননি শিল্পীরা। দুর্গাপুজো, দীপাবলি, জগদ্ধাত্রী পুজোর দিকে চোখ থাকে তাঁদের। তাই শিল্পীদের ভাবনায় এবছর থাকছে টোকিও অলিম্পিক্স এবং সোনার ছেলে নীরজ চোপড়ার প্রতিচ্ছবি।
চন্দননগর লাইট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোনার ছেলে নীরজ, চানুদের চোখ ধাঁধানো সাফল্যকে আলোর মালায় ফুটিয়ে তোলা হবে। যদিও প্রতিবছরই পুজোয় চন্দননগরের আলোয় উঠে আসে সাম্প্রতিক কোনও ঘটনা। ক্রিকেট হোক বা আয়লা-আমফান, এমনকি সুশান্ত সিং রাজপুত – সবকিছুই সুন্দরভাবে আলোর সাজে ফুটিয়ে তোলেন তাঁরা। এবার দেখা যাবে অলিম্পিকে ভারতের সোনা–রুপো–ব্রোঞ্জ পদক জয়ের বর্ণময় ছবি।
তাছাড়া শুধু ভারতের পদক জেতাই নয়, থাকবে হেলিকপ্টার ওড়ার দৃশ্য থেকে ডিজনিল্যান্ড সবই। এমনিতেই বাজেটে প্রচুর কাটছাঁট হচ্ছে কলকাতা-সহ সমস্ত জেলার পুজোয়। তাই শিল্পীদেরও তা মানিয়ে নিতে হয়েছে। অনেকে পেশা থেকে মুখও ঘুরিয়েছেন। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে হার মানতে নারাজ ঐতিহ্যবাহী চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা।