ভালোবাসার কথা বলতে এলাম : তামা তুলসী

বাণিজ্যিক নৌ-শিক্ষণের সূত্রে সাতশোর উপর ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সাগরে ভাসা ও নিত্য নতুন বন্দরে ভ্রমণ – পর্ব ২৫

মৌসুমী সরকার

গত পর্বের পর

বারবার তিনবার। এই নিয়ে জাহাজে চেপে তিনবার এলাম সান জুয়ান বন্দরে। পুরোনো জায়গায় এলে নতুনের মতো কৌতূহল, উন্মাদনা, উদ্দীপনা থাকে না বটে, তবে পুরোনো লেপের মতো একটা চেনা জানার স্বস্তি থাকে। Deck-hand-ra Old San Juaner Pier 4-এ জাহাজ বাঁধছিল মোটা দড়িতে মস্ত গিঁট পাকিয়ে। ডেকে দাঁড়িয়ে মানসচক্ষে দেখেছিলাম… সান জুয়ান শহর… বিনিপয়সার ট্রলি কার… যাতে চেপে দুবছর আগেই ঘুরে বেড়িয়েছি এই শহরের পাথুরে রাস্তায়… সেফ রমেশ পিল্লাই-এর তন্ত্র রেস্তোঁরা… যেখানে প্রথম জেনেছিলাম কামসূত্র মার্টিনি কথা… এল মরোর দুর্ভেদ্য দুর্গ… যার পায়ের কাছে লেপ্টে থাকে সাগরের ঢেউ…

সান জুয়ান বন্দর

তবে পুরোনো শহরের ফেরবার স্বস্তির সঙ্গে সঙ্গে সদ্য ফেলে আসা নিউ অরলিন্সের এক টুকরো অস্বস্তিও গলার কাছে গুটলি পাকিয়ে ছিল। মেরিন ইঞ্জিনের দপ্তরের এক ছাত্রকে নিশ্চিন্দিপুরের পুলিশ হাতকড়া পড়িয়ে হাজতে পুরেছে। তাকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হবে। আর ৬ মাস পরেই ছেলেটি সাদা ইউনিফর্ম পড়ে বুক চিতিয়ে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি হাতে নিয়ে নতুন চাকরিতে বহাল হত। কিন্তু তা আর হওয়ার নয়। অরলিন্সে প্রথম রাতেই তাকে শিকারি বাজপাখির মতো ছোঁ মেরে নিয়ে গেছে আইনি ব্যবস্থা। সেখানে অনেক পুলিশ মাদকের দালাল সেজে পথে ঘাটে ঘোরাঘুরি করে। ছেলেটি তেমনই এক ছদ্মবেশী দালালের প্রলোভনে ভুলে তার কাছে মাদক কিনতে চেয়ে কিছু ডলার দিয়েছিল। ব্যাস! আর যায় কোথা… অমনি সঙ্গে সঙ্গে পিছমোড়া করে হাতে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার আর হাজতবাস। মার্চেন্ট মেরিনের মাদক বর্জনের নিয়ম কানুন সাংঘাতিক কড়া। সব ছাত্র আর শিক্ষকদের মাঝেমধ্যে ড্রাগ টেস্ট হয়। ফেল করলেই পত্রপাঠ বিদায়। তাই হাজতবাসী ছাত্রটি যে আর কোনোদিনই সাদা ইউনিফর্ম পড়ে বুক চিতিয়ে হাতে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিগ্রি নিয়ে চাকরিতে ঢুকবে না, তা বলাই বাহুল্য… এক মুহূর্তের ভুলের জন্য এক জীবনের খেসারত…

মৃৎশিল্পী

এছাড়া মনে পড়ছিল মৌসুমী সরকারের কথা। ভারি আচমকা দেখা হয়েছিল তার সঙ্গে। নিশ্চিন্দিপুরের যে জায়গায় আমাদের জাহাজঘাটা, সেটিকে স্থানীয় লোকেরা বলে ফ্রেঞ্চ মার্কেট। রাস্তার দুই পাশে বহু মানুষ পসরা সাজিয়ে বসছে। ছোটো কুমিরের হাঁ মুখ, ফুলদানি, পুতুল, ইত্যদি থেকে নানারকম ঘর সাজাবার সামগ্রীর সঙ্গে বিক্রি হচ্ছে পুঁতির গয়না, রংচঙে জামা, ফুল তোলার ব্যাগ, বলিশের ওয়ার…আরও কত কী! একদিন দুপুরে সেই পথে যেতে যেতে হঠাৎ একটা জ্যাকেট বেশ পছন্দ হল। নানারকম রঙের পট্টি লাগানো রংবাহারি জামা। ঘাড়ের লেবেলে লেখা রয়েছে ‘মেড ইন নেপাল’। দোকানি একজন রোগা সোগা, শ্যামলা রঙের মেয়ে। তার সঙ্গে জামাটির দরদাম করছি, এমন সময় সে আমায় ইংরেজিতে জানতে চাইলো আমি কোন দেশের মানুষ। বললাম, ‘ভারত…আমার শহরের নাম কলকাতা।’ সে একগাল হেসে বললো ‘আমিও কলকাতার মেয়ে।’ ব্যাস ওখানেই ইংরেজিতে কথাবার্তা বন্ধ। জানলাম…শ্যামলা মেয়েটির নাম মৌসুমী সরকার। স্বামীর সঙ্গে বিদেশ পাড়ি দিয়েছে কয়েক বছর আগে। নিশ্চিন্দিপুরে জামা কাপড়ের দোকানে চাকরি করে। আদিবাড়ি কৃষ্ণনগর। ঠাওর করে দেখলাম মাথায় এক চিলতে সিঁদুরের রেখা, গলায় সোনা বাঁধানো তামার মাদুলি… আর মুখে দেশের মানুষকে হঠাৎ দেখতে পাওয়ার হাসি। তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কৃষ্ণনগরের মাটির পুতুল আর জিভে জল আনা মিষ্টির গল্প করে আবার পথ চলা শুরু। 

নেপালি জ্যাকেট

ঠিক একই রকম cobblestone মোড়া পাথুরে পথ সান জুয়ান শহরে। ঠিক একই রকম গানে বাজনায় মশগুল এই শহরের মানুষ। সন্ধেবেলা বেরিয়ে দেখি এক জায়গায় বেশ জটলা, মিষ্টি বাজনার শব্দ ভেসে আসছে। পথের পাশের দোকানে বিক্রি হচ্ছে তেলেভাজা, টাটকা ফলের রস আইসক্রিম। অনেকের ভিড়। একটা দোকানে পুয়ের্তোরিকান মিষ্টি বিক্রি হচ্ছিল। গাঢ় বাদামি রঙের মিষ্টি। বলল, নারকেল দিয়ে তৈরি। একটা কিনে খেয়ে আমি তো একেবারে অবাক… বিলকুল আমাদের নারকেল নাড়ুর মতো খেতে। বাজনার কাছে গিয়ে দেখি জমজমাট জলসার আমেজ। কিছু বর্ষীয়ান মানুষ নানারকম বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে আর গান গাইছে।

সান জুয়ানের পথঘাট

সেই বাজনার সঙ্গে সালসা নাচে মশগুল আরও কয়েকজন। যাদের বয়স ষাট-সত্তরের কাছাকাছি। জীবনের গোধূলি বেলায় পৌঁছেও এক আশ্চর্য খুশির পরশপাথর পেয়েছে যেন। কোথাও ঝিমিয়ে পড়া নেই, পিছিয়ে পড়া নেই, বয়স হয়ে গেছে বলে জীবনকে শিকেয় তুলে রাখা নেই। মহিলাদের অনেকের হয়তো স্বামী গত হয়েছেন। দেখলাম তারা একাই মহানন্দে বাজনার তালে তালে সালসা নাচছেন। চোখের দৃষ্টি কমে এসেছে, শরীরের গঠন ভেঙে গেছে, হাঁটুর জোর কমেছে তবু মনের বয়েস তেইশে আটকে রয়েছে। অবাক হয়ে এদের দেখছিলাম আর ভাবছিলাম যে, আমার আর মৌসুমী সরকারের দেশে বলা হয় “কুড়িতে বুড়ি”… আমাদের দেশের সাদা থান পরা, মাথা মোড়ানো বৃদ্ধ বিধবাদের জায়গা হত বৃন্দাবনের মন্দিরে, আশ্রমে। তাদের পেঁয়াজ রসুন খাওয়াও নিষেধ ছিল। তামা তুলসী সম্বল করে নিঃসঙ্গ বেদনার জীবনধারণ… এখন হয়তো অবস্থা খানিকটা পাল্টেছে। তামা তুলসী, হরি সংকীর্তনের জায়গায় চার দেয়ালের ঘেরাটোপে চৌকোনা বাক্স চোখে রেখে নানা চ্যানেলের টিভি সিরিয়াল হলো সন্ধেবেলার সঙ্গী। তবু দিনকাল পাল্টালেও কলকাতা বা কৃষ্ণনগরের কাউকে কোনোদিন পথে খাটে এমনভাবে বার্ধক্যকে কাঁচকলা দেখিয়ে সালসা নাচতে দেখব না। এ আমি হলফ করে বলতে পারি। অনেকক্ষণ ধরে তাদের পাশে বসে বাজনা শুনলাম, নাচ দেখলাম আর স্পঞ্জের মতো প্রাণ ভরে সেই চির নবীনদের তারুণ্য শুষে নিলাম।

বাজনার সঙ্গে সালসা নাচে মশগুল আরও কয়েকজন। যাদের বয়স ষাট-সত্তরের কাছাকাছি। জীবনের গোধূলি বেলায় পৌঁছেও এক আশ্চর্য খুশির পরশপাথর পেয়েছে যেন। কোথাও ঝিমিয়ে পড়া নেই, পিছিয়ে পড়া নেই, বয়স হয়ে গেছে বলে জীবনকে শিকেয় তুলে রাখা নেই।

Yokahu টাওয়ার

সান জুয়ান বন্দরের উল্টোদিকে Sheraton হোটেল। সেখান থেকে রোজ পুয়ের্তো রিকোর রেইন ফরেস্টে আধবেলা বেড়াতে যাবার ব্যবস্থা আছে। পাহাড়ের ওপরে জঙ্গল, বৃষ্টি পড়ে সেথায় বারো মাস। নানারকম ফান, অর্কিড, লতাগুল্ম, পাখি, ব্যাঙ, প্রজাপতি নাকি সেই জঙ্গল আলো করে রেখেছে। পাহাড়ের ওপরে মেঘেদের দেশে এই ইউনিক ন্যাশনাল ফরেস্টে রয়েছে বহু পুরোনো Yokahu টাওয়ার। সেই টাওয়ারে উঠলে নাকি মুখে মেঘ ঢুকে যায়। এইসব রোমাঞ্চকর বর্ণনা শুনে আর থাকা যায়? ঝটপট একটা আধবেলার টিকিট কেটে বাসে চেপে বসলাম সকাল ৭-৪৫ নাগাদ। বাসের চালক ও ট্যুর গাইড বেশ হাসিখুশি একজন পুয়ের্তোরিকান। দোহারা চেহারা, মাথায় টুপি, হাতে ছাতা, চোখে চশমা আর মুখে এক গাল হাসি। নিজের পরিচয় দিয়ে বলল আমার নাম রবেররররররররর্তো। উই অলয়েজ রোল আওয়ার Rs.। এই কথাটা শুনে আমি মুচকি হেসে ভাবছিলাম ভাগ্যিস আমার নাম ররররররররররররতিকান্ত শররররররররররররখেল নয়! (উচ্চারণ অনুযায়ী এরূপ বানান লেখা হল)

রবের্তো

বাস চলছে শহর পেরিয়ে পাহাড়ি রাস্তায়। বাসে আমার সাথে জঙ্গলে চলেছে আরও ১৪ জন মানুষ। রবের্তো চটপট আমাদের গুনে নিয়ে বলল, দেখো বাপু আমাকে কিন্তু ১৫ জন মানুষ নিয়েই ফিরতে হবে। তোমাদের মধ্যে দু-তিনজন যদি দলছুট হয়ে জঙ্গলে হারিয়ে যাও, তাহলে আমি ওই জঙ্গল থেকেই দু-তিনজন অন্য মানুষ ধরে আনব। মোটের ওপর বাসে আমার ফিরতি পথে ১৫ জন লোক চাই। বুঝলাম রবের্তোর সাথে এই আধবেলা মন্দ কাটবে না। বাস চালাতে চালাতে মুখের পাশে আটকানো মাইক্রোফোনে পুয়ের্তোরিকোর গল্প বলছিল রবের্তো। এই দেশের মানুষের মধ্যে নাকি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান, ওয়েস্ট আফ্রিকান আর স্প্যানিশ রক্ত আছে। এই মিক্সচারের ফলস্বরূপ এখানকার পুরুষেরা তেমন সুবিধের দেখতে না হলেও মেয়েরা নাকি ভারী সুন্দর হয়। পুয়ের্তোরিকো থেকে নাকি পাঁচবার বিশ্ব সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়াও বলছিল পুয়ের্তোরিকোর ইতিহাসের কথা, রাজনীতির কথা, সমাজ ব্যবস্থার কথা। পুয়ের্তোরিকো স্বাধীন দেশ নয়। এই সুন্দর দ্বীপপুঞ্জ আমেরিকার কলোনি। রবের্তোর কথায় মনে হল যে, এখানকার মানুষ স্বাধীন হওয়ার স্বপ্ন দেখে, কিন্তু সেই স্বপ্ন সফল করবার মতো শক্তপোক্ত নেতার অভাব। তাই শতাব্দীর পর শতাব্দী এরা হয় স্পেন নয় আমেরিকার কাছে মাথা নুইয়ে পরাধীন।

বাস চলছে শহর পেরিয়ে পাহাড়ি রাস্তায়। বাসে আমার সাথে জঙ্গলে চলেছে আরও ১৪ জন মানুষ। রবের্তো চটপট আমাদের গুনে নিয়ে বলল, দেখো বাপু আমাকে কিন্তু ১৫ জন মানুষ নিয়েই ফিরতে হবে। তোমাদের মধ্যে দু-তিনজন যদি দলছুট হয়ে জঙ্গলে হারিয়ে যাও, তাহলে আমি ওই জঙ্গল থেকেই দু-তিনজন অন্য মানুষ ধরে আনব।

কথায় কথায় রবের্তো বলছিল যে ও নিরামিষাশী। ওর পরিবারের সকলেই তাই। ওর ছেলে সুদূর মায়াপুরে এক গুরুকুলে শিক্ষক। আমি চোখ ছানাবড়া করে জিজ্ঞেস করলাম এ কোন মায়াপুর? রবের্তোর উত্তরে আমি যেমন অবাক, আমি কলকাতার মানুষ জেনে ওরও একই অবস্থা। আমার ঠিক সামনেই এসে এক গাল হেসে বলল, “কেমন আছেন?” বললাম, “ভালো”। জঙ্গলের পথে হাঁটতে হাঁটতে আরও কত কথা হলো। এবার খেয়াল করে দেখলাম ও গলায় তুলসীর কণ্ঠী পরেছে। আমাকে জিজ্ঞেস করলো, “তুমি বৈষ্ণব না শাক্ত?” আমি একটু ভেবরে গিয়ে বললাম যে, “আমি তেমনভাবে হিন্দু ধর্মের ভিতর কোনও বিশেষ ধারায় দীক্ষিত নই, সব ভাবনাকেই শ্রদ্ধা-ভক্তি করি আর তাদের কাউকেই বড়ো একটা চটাতে চাই না।”

রবের্তোর সঙ্গে আমরা পনেরো জন মানুষ। Yokahu টাওয়ারে উঠে মুখে চোখে খানিকটা মেঘ মেখে নিচে নামলাম। জঙ্গলের মধ্যে মাঝেমাঝেই বলা নেই কওয়া নেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি বা আর আমি মাথায় কলা পাতা চাপা দিয়ে ছত্রপতি হয়ে ব্যাঙটা, শামুকটা, পাখিটা, প্রজাপতিটা দেখে যারপরনাই খুশি হই। ঝোপের মধ্যে হঠাৎ একটা লাল টুকটুকে ঝুমকো জবার গাছ দেখে ভারী অবাক হলাম। 

শেষমেষ ফেরার সময় হল। রবের্তো গুনে গুনে ১৫ জনকে বাসে তুলে নিশ্চিন্ত হল। বাস চলছে ফিরতি পথে সান জুয়ান অভিমুখে। জঙ্গলের ভেতরে বেশ খানিকটা পথ হেঁটে সকলেই ক্লান্ত। কথাবার্তা কম। বাসে একটা নিঝুম ভাব। সামনের সিটে বসে চুপ করে ভাবছিলাম দেশের মাটি থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে এইসব আশ্চর্য জঙ্গলগুলির কথা। মনে হয় কোন অদৃশ্য জাদুকর যেন আমাকে নিয়ে এক আশ্চর্য খেলায় মেতেছেন। নিজের চেনা ভিটেমাটি থেকে পাঠিয়েছেন বহুদূরে। আর ঠিক যখন মনে হয় বড়ো একা হয়ে পড়েছি, চারপাশটা বড়ো অচেনা ঠেকছে, কোথাও আর খেই পাচ্ছি না, ঠিক তখনই আমার সামনে এসে দাঁড়ায় দমদমের ছেলে জ্যাক গোমস, সোনা বাঁধানো তামার মাদুলি পরা মৌসুমী সরকার, তুলসীর কণ্ঠী গলায় বৈষ্ণব নিরামিষাসী রবের্তো, পুয়ের্তোরিকোর রেইন ফরেস্টে ফুটে ওঠে লাল ঝুমকো জবার ফুল আর সন্ধেবেলার জমজমাট জলসায় আমার জিভে নারকেল নাড়ুর স্বাদ।

“কখনো আগুন জ্বলে রাজপথে আর
কখনো রাত্রি ঢাকে যন্ত্রণা তার
পিছনে সামনে এবং ডাইনে বাঁয়ে
ছড়ানো মস্ত শহর শহরতলী
চলছে হাজার মানুষ ব্যস্ত পায়ে 
সারাদিন পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যাবলী…
আমি সেই দৃশ্যাবলী দেখে বেড়াই
দু-চোখে হাজার দৃশ্য কুড়িয়ে যাই
তবুও তোমায় বলি জনান্তিকে
জনতার মিছিল কিংবা বৃক্ষ পাখি
যেদিকে যখন আমার চক্ষু রাখি
তখনও লক্ষ্য থাকে তোমার দিকে…”

চলবে…

_______________

*বাণিজ্যিক নৌ-শিক্ষণের সূত্রে সাতশোর উপর ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সাগরে ভাসা ও নিত্য নতুন বন্দরে ভ্রমণ করেছেন আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস মেরিটাইম অ্যাকাডেমির অধ্যাপিকা মধুবাণী ঘোষ (Madhubani Ghosh)। অবিশ্বাস্য সেই ভ্রমণ কাহিনি ধারাবাহিকভাবে প্রতি সোমবার বেলা ১২টায় প্রকাশিত হচ্ছে বঙ্গদর্শনে। আগের পর্বগুলি পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

Developed by DXDasia