গুপ্তিপাড়ায় প্রাচীনতম বারোয়ারি, চন্দননগরে বিসর্জনের আবহে শুরু রিষড়ার জগদ্ধাত্রীর পুজো

শেষ হয়েও শেষ হয় না উৎসব

চন্দননগর মেতে উঠেছে দেবী জগদ্ধাত্রীর আরাধনায়। আজ নবমী। বেজে উঠবে বিসর্জনের সুর। চন্দননগরে যেদিন নবমী, সেদিনই শুরু হয় রিষড়ার জগদ্ধাত্রী পুজো। এরপর, প্রথা মেনে পুজো চলে। মানুষের ঢল চন্দননগর, গুপ্তিপাড়া থেকে চলে আসে গঙ্গাপাড়ের এই মফস্সলে। শেষ হয়েও শেষ হয় না উৎসব। জাঁকজমকে চন্দননগরের সমগোত্রীয় হয়ে উঠতে না পারলেও খুব একটা পিছিয়ে নেই রিষড়া। এবছর অবশ্য করোনার জন্য পরিস্থিতি আলাদা। তবে, এই অঞ্চলের পুজোর অন্যতম আকর্ষণ দেবীর দেরিতে আসাই। চন্দননগরে যেদিন নবমী, সেদিন আদতে ষষ্ঠী রিষড়ায়। 

চন্দনগরের পাশাপাশি জনসমুদ্র আছড়ে পড়ে গুপ্তিপাড়াতেও। বলা হয়, বাংলায় প্রাচীনতম বারোয়ারি পুজোর প্রচলন এখানেই। আড়াইশো বছরের বেশি বয়স হল এই পুজোর। এই দেবী বিন্ধ্যবাসিনী। তিনি রক্তবর্ণা। দেবীর স্থায়ী মন্দিরেই পুজো হয় প্রতি বছর। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি জগদ্ধাত্রী পুজো হয় কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির অধীনেই। বিসর্জনের দিন প্রথা মেনে গুপ্তিপাড়া রথ সড়কে হয় আতসবাজির প্রদর্শনী। হাইকোর্টের রায়ে এবার তা বন্ধ থাকছে। চন্দননগর আর গুপ্তিপাড়ায় আজ জগদ্ধাত্রী পুজোর শেষ দিন। অন্য বছরগুলোতে মণ্ডপে মণ্ডপে উপচে পড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়। আলোয় ভাসে গোটা এলাকা। এই আলোর আবহেই বাংলার পুজোর মরশুম শেষ হয়। তবে, সেই উৎসবের রেশকে আরো কয়েকদিন ধরে রাখবে রিষড়ার জগদ্ধাত্রী পুজো। বঙ্গদেশে উৎসব কি এত সহজে ফুরোয়!  

Developed by DXDasia