শিলিগুড়ি থেকে নকশালবাড়ি যাওয়ার পথে পড়বে সন্ন্যাসী চা বাগান
শিলিগুড়ি থেকে নকশালবাড়ি যাওয়ার হাইওয়ে। রাস্তার দুই দিক জুড়ে বিস্তৃত চা বাগান। কোনোটা ঢালু, কোনোটা আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে। চলতি পথে নেমে পড়া গেল এক চা বাগানের সামনে। নাম— সন্ন্যাসী চা বাগান। চারদিক সবুজের ভিড়ে উঁকি দিচ্ছেন জনা পঁচিশেক মহিলা। তাঁদের মধ্যেই কয়েকজনকে ধরা গেল ক্যামেরার সামনে। বাংলা বোঝেন একটু একটু, হিন্দি খারাপ না, সাধারণত আঞ্চলিক আদিবাসী ভাষাতেই কথা বলতে অভ্যস্থ। আয় কেমন? লকডাউনের পর তাঁদের রুটিরুজি কেমন? ক্যামেরার সামনে যতটা সম্ভব তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আমরা।
উত্তরবঙ্গে চা পর্যটনের বিকাশ ঘটাতে অনেক দিন ধরেই চা বাগানের উদ্বৃত্ত জমিতে পর্যটনের জন্য অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল রাজ্য সরকার। বাস্তবায়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
তৈরি করা হয়েছে গাজলডোবা পর্যটন কেন্দ্র। ডুয়ার্সের ডামডিং-এ গড়ে উঠেছে ডামডিং টি রেসিডেন্সি। এমনকি চা বাগানের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান এবং মালিকদের আয় বেড়েছে কিছুটা, বৃদ্ধি পেয়েছে বিনিয়োগ, ফলে চা শিল্পেরও উজ্জীবন ঘটছে।
এই মহিলা চা শ্রমিকদের কথায় উঠে এল কিছু সাংসারিক প্রলাপ আর হাসিখুশি কিছু গল্প। বঙ্গদর্শন 'জন-গণ-মন' চা বাগান থেকে তুলে আনল এমনই কিছু টুকরো মুহূর্ত। দেখুন ভিডিও।
