মিলেট চাষ করে লাভবান হচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী কৃষকরা

জমিকে উর্বর করে বাংলাকে সবুজ দিশা দেখাচ্ছে ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প

০২০ সালে ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পটি শুরু করে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত এই প্রকল্পটি অন্যান্য সরকারি কর্মসূচি থেকে আলাদা। ঠিকাদার-ভিত্তিক মডেলে নয়, জমির মালিকদের সোসাইটি আইনের অধীনে নিবন্ধিত সম্প্রদায়-ভিত্তিক সংস্থায় বিভক্ত করে এই প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ৪২,০০০ একরেরও বেশি পতিত ও অনুর্বর কৃষিজমিকে উৎপাদনশীল জমিতে রূপান্তরিত করেছে।

২০২০ সালে ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পটি শুরু করে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত এই প্রকল্পটি অন্যান্য সরকারি কর্মসূচি থেকে আলাদা।

এই প্রকল্পেরই একটি অংশ হল মিলেট চাষ, বিশেষ করে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের লাল কাঁকুড়ে মাটি এলাকায়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অনাবাদী জমিকে চাষের আওতায় আনা এবং স্থানীয় আদিবাসী কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করে তোলা হচ্ছে। কৃষি বিভাগ কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহ করছে। বিভিন্ন গ্রামীণ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা এবং কৃষক উৎপাদক সংস্থাগুলি মিলেট চাষের মাধ্যমে উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করার জন্য এগিয়ে এসেছে।

 

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া-১ ব্লকের দাঁন্দুডি আদিবাসী কৃষক সমিতির ২০ জন মহিলা মিলেট চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছেন। জয়পুর ব্লকের নারানডি গ্রামের সংসার কিষাণ দল-এর ১৫ জন মহিলা কৃষকের উদ্যোগে মিলেট চাষে মিলেছে সাফল্য। জলসেচ ছাড়াই, শুধু বৃষ্টির জলে তিন একর অনাবাদী জমিতে মিলেট চাষ করে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
 

Developed by DXDasia