রেড পান্ডা সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেল দার্জিলিং চিড়িয়াখানা

পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্ক ওরফে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা

৪ অগাস্ট, ১৯৫৮ সালে হিমালয়ের কোলে প্রতিষ্ঠিত, পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্ক ওরফে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য বিশেষত বিলুপ্তপ্রায় লাল পান্ডাদের জন্য নীরবেই হয়ে উঠেছে আলোর দিশারী। এই প্রথম দার্জিলিং চিড়িয়াখানার রেড পান্ডা প্রজনন এবং পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগটিকে বিশ্বখ্যাত ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ জুস অ্যান্ড অ্যাকোয়ারিয়াম (WAZA) পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হয়েছে। হয়ে উঠেছে প্রথম ভারতীয় সংরক্ষণ প্রকল্প। গত ৭ নভেম্বর সিডনিতে চূড়ান্ত স্থানাধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির টারঙ্গো চিড়িয়াখানায় ৭৯তম WAZA বার্ষিক সম্মেলনে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

এই প্রথম দার্জিলিং চিড়িয়াখানার রেড পান্ডা প্রজনন এবং পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগটিকে বিশ্বখ্যাত ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ জুস অ্যান্ড অ্যাকোয়ারিয়াম (WAZA) পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হয়েছে।

রাজ্য বনদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রেড পান্ডা বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণী। তাদের থাকার জায়গা ক্রমশ দখল হয়ে যেতে থাকে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা তাদের দেখভালের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে। একই চিড়িয়াখানায় একসঙ্গে ২৭টি পান্ডার বসবাস গোটা দেশে বিরল। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার বেশ সুনাম আছে এর জন্য।

 

প্রসঙ্গত, হিমালয়ের কোলে দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানায় রেড পান্ডা দেখতে ভিড় করেন রাজ্য-দেশ এমনকি বিদেশের পর্যটকরাও। তথ্য বলছে, সাবালক হওয়ার পর বনদপ্তরের তরফে রেড পান্ডাকে তাদের উপযোগী জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। আবার কখনও বিদেশের চিড়িয়াখানাতেও পাঠানো হয়। পরিবর্তে সেখান থেকে আনা হয় অন্য কোনো বন্যপ্রাণী।
 

Developed by DXDasia