
চালু হচ্ছে আগামী শনিবার থেকেই
এবার ট্রেনে বসেই এনজেপি থেকে সেবক, মালবাজার, চালসা হয়ে পাহাড়ের গা ঘেঁষে ডুয়ার্সের চা বাগানের অপরূপ সৌন্দর্যেরর হাতছানি পাবেন ভ্রমণপিপাসুরা। সবমিলিয়ে, ডুয়ার্স ভ্রমণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে।পুজোর আগেই ডুয়ার্সের পর্যটকদের এই বিশেষ উপহার দিচ্ছে রেল! তবে টয় ট্রেন নয়, চালু হচ্ছে একেবারে অত্যাধুনিক ট্রেন। যার পোশাকি নাম ‘ভিস্তাডোম’।
টয় ট্রেনে ১৮০ ডিগ্রি রিভলভিং চেয়ারে বসে কাচের জানলা দিয়ে ‘ভারতের সুইজারল্যান্ড’ সিমলার প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার অভিনব ব্যবস্থা রয়েছে। এবার ভিস্তাডোম স্পেশাল ট্রেনের কোচে বসে সেই একই সুযোগ মিলবে উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে। অত্যাধুনিক কোচবিশিষ্ট এই স্পেশাল টুরিস্ট ট্রেন এনজেপি জংশন থেকে আলিপুরদুয়ার জংশন পর্যন্ত চলবে। আগামী শনিবার থেকেই চালু হচ্ছে এই ট্রেন।
পাহাড়-সহ ডুয়ার্সের বাসিন্দাদের অন্যতম জীবিকা হল পর্যটন ব্যবসা। কিন্তু করোনা মহামারী ও তার জেরে লাগু হওয়া বিধিনিষেধের জেরে গত বছর থেকেই পাহাড়-সহ ডুয়ার্সে পর্যটন ব্যবসা লোকসানে চলছে। মনে করা হচ্ছে, এই ট্রেন চালু হওয়ায় ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা যেমন জমে উঠবে, তেমনই বাড়বে রেলের আয়ও। অত্যাধুনিক ভিস্তা ডোম ট্রেন চালু হলে ডুয়ার্সে পর্যটকদের ভিড় বাড়বে বলে আশাবাদী সেখানকার পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিকের বিবৃতি অনুযায়ী, আপাতত সপ্তাহে তিন দিন- শুক্র, শনি ও রবিবার আলিপুরদুয়ার জংশন থেকে ভিস্তাডোম ট্রেনটি চলবে। আলিপুরদুয়ার জেলার রাজাভাতখাওয়া, কালচিনি, হাসিমারা, মাদারিহাট, চালসা, সেবক, গুলমা হয়ে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত চলবে এই ট্রেন। সুদৃশ্য এই ট্রেনের ভিতরেও অত্যাধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে। কাচের বড় বড় জানালা রয়েছে। যাতে ট্রেনের যাত্রাপথেই ডুয়ার্সের জঙ্গল-পাহাড়-চা বাগানের সৌন্দর্য আরও ভালোভাবে উপভোগ করতে পারেন পর্যটকেরা।এছাড়া ভিস্তা ডোমে ১৮০ ডিগ্রি রিভলভিং চেয়ার রাখা হয়েছে। যাতে পর্যটকেরা একদিকে চেয়ারে বসেই অন্যদিকের জানলা দিয়ে বাইরের প্রাকৃতিক শোভা উপভোগ করতে পারবেন।
