জার্নি, লড়াই আর অনেক স্বপ্নের কথা জানালেন কৌশিক কর
সাম্প্রতিক বাংলা থিয়েটারের একটি চর্চিত নাম কৌশিক কর। বহরমপুর থেকে সাহস, কাজের খিদে আর অনেকটা স্বপ্ন নিয়ে একসময় কলকাতায় এসেছিলেন। মিনার্ভা দিয়ে শুরু সেই পথ, নিজে হাতে গড়েছেন ‘কলকাতা রঙ্গিলা’, বছর বছর দর্শককে উপহার দিয়ে চলেছেন একের পর এক সফল প্রযোজনা। ‘দেবী সর্পমস্তা’, ‘নাটক ফাটক’, ‘হাঁসুলি বাঁকের উপকথা’, ‘বোমা’, ‘অটো’- এককথায় জমিয়ে চলছে থিয়েটার। ‘পর্ণমোচী’ পরিচালনার মধ্যে দিয়ে দিয়ে হাতেখড়ি হয়েছে বাংলা সিনেমায়। এখন সামনে বড় লড়াই। ঋত্বিক ঘটকের মতোই ‘মাধ্যম’কে বেছে নিতে চান কৌশিক। যদ্দিন এই মঞ্চ কিংবা পর্দা ভালো লাগবে, চুটিয়ে কাজ করবেন। ভালো না লাগলে ফিরে যাবেন পুরনো গ্রামে, সেখানে চায়ের দোকান দিতেও কোনো অসুবিধা থাকবে না তাঁর। প্রতিদিন মানুষের প্রেমে পড়তে ভালোবাসেন। মাথায় কিলবিল করে প্লট, চরিত্র। এক বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় দৃপ্ত তেজী এই ঘোড়ার সঙ্গে আলাপ জমালেন আমাদের প্রতিনিধি সুমন সাধু।
• বহরমপুর থেকে কলকাতা আসা, সেখান থেকে মিনার্ভা হয়ে নিজের দল, পাশাপাশি ছবি পরিচালনা, অভিনয়- এই জার্নিটা কতটা এঞ্জয় করেন?
আমার সবকিছুই আসলে পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো। বহরমপুরে আসার আগে প্রায় পঁচিশটার মতো জায়গা পরিবর্তন করেছি মোট ছ'টা জেলায়। আমার সঙ্গে শৈশবে যারা বড় হয়েছে, আজ তাদের মধ্যে কেউ হয়ত চব্বিশ পরগণার কোনো একটা জায়গায় টোটো চালায়, কেউ ট্রেকার চালায়, কেউ চাষ করে এখনও, কেউ আবার স্কুলে শিক্ষকতা করে। আমার লাইফস্টাইলটাও কিন্তু এদের মতোই হতে পারত। আমার যেটা উদ্দেশ্য, এই বর্তমান অবস্থা সেটার মাধ্যম মাত্র। আমি যদি দেখি থিয়েটার বা সিনেমা ছাড়াও অন্যকিছু মাধ্যমে আমার বলাটা সম্পূর্ণ হচ্ছে, তাহলে সেখানেই চলে যাব। বক্তব্যগুলো দর্শকদের বলতে পারছি কি না, বোঝাতে পারছি কি না দেখতে হবে। সবটাই এনজয় করতে করতে আসছি। সবটাই আমার পাওয়া।

• আপনি যেমন ভাবে মাধ্যমের কথা বললেন, সেটাই অনেককাল আগে ঋত্বিক ঘটক বলে গেছেন।
একদম। আমি ওনার পথের অনুরাগী। আমি বিশ্বাস করি, একটা দেশলাই কাঠি আবিষ্কার থেকে একটা থিয়েটার বানানো, কোনোটাই যদি মানুষের কাজে না লাগে তাহলে সেই কাজ করা বৃথা। সমাজকে এগিয়ে না দিলে সেটা তো কাজের কথা হল না। শুধু বিনোদন দেখানোর জন্য আরও অনেককিছু আছে।
• এখন আপনার ঋত্বিক ঘটক, শেক্সপীয়র বা রবীন্দ্রনাথ, ব্রেখট নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছা করে না?
আমার আবার এতে আপত্তি আছে। আমি যে সময়টায় বড় হয়ে উঠছি, সেখানে যে বিজ্ঞান, যে রাজনীতি, যে অচলাবস্থাকে দেখছি সেটা কিন্তু আমরা ছেড়ে এসেছি অনেক আগেই।
• এখন তো প্রচুর ক্লাসিক সাহিত্য নিয়ে কাজ হচ্ছে, সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা তেমন নেই বলছেন?
প্রাসঙ্গিকতা কেন থাকবে না! যেমন ধরো, রবীন্দ্রনাথের ‘কাবুলিওয়ালা’ বা সুবোধ ঘোষের গল্পগুলো। ক্লাসিক একটা সময়কে রিপ্রেজেন্ট করেছে। অয়দিপাউস আমি এখন সরাসরি করতে পারব না, ইদিপাস কমপ্লেক্স নিয়ে কাজ করতে পারি ম্যাক্সিমাম ‘পর্ণমোচী’ পর্যন্ত। আমার ফোন, মানিব্যাগ, আধার কার্ড, পড়াশোনা এমনকি আমার রাজনীতি সব পাল্টে পাল্টে যাচ্ছে। এই সময়ের কথা বলতে হবে, যেখানে আমার আধার কার্ডটা ইন্ডিকেট করছে এই মুহূর্তে আমার লোকেশন কী। প্রকৃতিটাই তো পুরো পাল্টে গেছে। এই সময়ের মানুষের ক্রাইসিসটা তুমি ধরবে কীভাবে! মানুষ এখন একা। তখন ব্যবসা বা সাম্রাজ্যবাদের ধরনটাই ছিল আলাদা। আমরা তো বিক্রি হচ্ছি রোজ। রবীন্দ্রনাথ যদি আজ বেঁচে থাকতেন তাহলে তাঁর গল্পটা অন্যরকম হত। আমি তাই আমার এবং আমার চারপাশের মানুষের ক্রাইসিসটাকেই ধরতে চাইছি। আজ তো রাষ্ট্র বাসস্থান দিচ্ছে, খাবার দিচ্ছে, তবুও কেন মানুষগুলো ভিটেহারা হয়ে পড়ছে! আমি বই পড়ার চেয়েও মানুষ দেখে বড় হয়েছি। রমণ করার সময় কেউ তো আর কোকশাস্ত্র খুলে বসে না!

• আমাদের টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি আছে, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আছে। অথচ বাংলা থিয়েটারের একটা বিশাল ঐতিহ্য থাকা সত্ত্বেও ইন্ডাস্ট্রি হল না। এর ভালো খারাপ নিয়ে আপনার কী মত?
দ্যাখো, মহারাষ্ট্রে একটা থিয়েটার করতে গেলে আগে সেন্সরের অনুমতি নিতে হয়। আমরা তার চেয়ে অনেক ভালো আছি। আমি দেখব রাষ্ট্র তোমায় কথাগুলো বলার সুযোগ দিচ্ছে কিনা। এখনও কিন্তু আমি বলার সুযোগ পাচ্ছি। একটা ছোট ইন্ডাস্ট্রি এটা। আগের চেয়ে অনেক উন্নত তো হয়েছে বটেই। থিয়েটার করে অনেকগুলো মানুষের টাকা আসছে। একটা আলোর লোক খেতে পাচ্ছে, একটা সেটের ছেলে খেতে পাচ্ছে, হল যারা চালাচ্ছে তাদের পেট চলছে, কিছু অভিনেতা-পরিচালকও খেতে পাচ্ছে। একেবারে যে ইন্ডাস্ট্রি নেই, তা না। কিন্তু যেটুকু অভাবের মধ্যে আছে, তা থাক। চাষির ঘরে তুমি যদি এ.সি ঢুকিয়ে দাও তাহলে চাষির ক্ষতিই হবে।
• এখন অনেক ছোট ছোট থিয়েটার দল তৈরি হয়েছে। সেখানে অনেক নতুন ছেলে মেয়ে কাজ করছে। কিন্তু অনেকেই বলে শুনেছি সিরিয়াল করব বা সিনেমা করব বলে থিয়েটারে আসা। থিয়েটার একজন শিল্পীকে তৈরি করছে, কিন্তু ধরে রাখতে পারছে না কেন? এর কারণ কি শুধুই অর্থ?
আগামীদিনের ভবিষ্যৎ কী, প্রথমত আমি তা জানি না। আমি শুধু খুঁজে যেতে পারি। শ্রম থেকে শিল্পের জন্ম হয়েছে। এবার শিল্পের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সেটাকে আবার শ্রমে কনভার্ট করা সরাসরি। যে শিল্পের সাথে আমি সরাসরি কথা না বলতে পারছি, আমি সেই শিল্পচর্চা করব না। বাকিরা করতেই পারে, আমার দেখার দরকার নেই। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পরে দুটো শ্রেণি থাকবে। শহর আস্তে আস্তে গ্রামে ঢুকে পড়বে, যেমন করে কলকাতার পিন কোড বাড়ছে। কোনো শ্রমিক এখনও লুঙ্গি-গামছা পরে, আবার কোনো শ্রমিক টাই-কোট পরে, শেষ পর্যন্ত সে একজন শ্রমিক। কিছুদিন পর একটা শ্রেণি মরতে মরতে যাবে। যাদের ঘর ছিল, খাবার ছিল তারা শহরের ভিখারি হয়ে যাবে। পোকামাকড়ের সঙ্গে আর এক ধরনের মানুষ তৈরি হচ্ছে। রাস্তায় রাস্তায় ভর্তি মানুষ। আমাদের ছেলেমেয়েরা আরেকটা কারোর গোলামি করবে। নতুন ছেলেমেয়েরা এইভাবেই অভ্যস্থ হয়ে পড়ছে। গোলামি করতে করতে নিজেদের হারিয়ে ফেলছে। আবার এটা ছাড়া নতুন রাস্তাও নেই। তুমি সেক্স করো, পয়সা ঢোকাও। ল্যাংটো হও, পয়সা ঢোকাও। এই তো চলছে।

• ‘পর্ণমোচী’ যারা দেখেছেন, প্রত্যেকেই খুব প্রশংসা করেছেন। কিন্তু হলে বেশিদিন চলল না কেন?
হলে চলল না এটা অসম্পূর্ণ কথা। বলা ভালো, হলে চলতে দিল না। নন্দনে টানা তিন সপ্তাহ হাউসফুল ছিল। মানুষকে ভালো জিনিস দিলে আসতে বাধ্য। আসলে দু-একটা সংস্থার হাতে চলে গেছে ব্যবসাটা। থিয়েটারেও তা চলে যাচ্ছিল। আমরা ইয়ং জেনারেশন বার করে নিয়ে এসেছি। এখনও কিছু হয়ে আছে। দেখবে, বড় বড় দল ভালো ভালো ডেট পায়, বড় বড় হলে। তোমাদের ছোট দল তাহলে কোথায় করবে! সেরকম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও আছে। এককথায় আমি ভিকটিম হলাম। আমার তো কোনো ঈশ্বর-বাবা নেই, আমাকে একা স্ট্রাগল করতে হয়, আমি তাই ছবি রাখতে পারিনি। পরিস্কার হিসেব।
• আপনি ফেসবুকে ভীষণ অ্যাক্টিভ। আপনার বিভিন্ন পোস্ট বা অ্যাটিটিউড নিয়ে অনেকের বক্তব্য আছে। নিজেকে কীভাবে জাজ করেন?
আমি মিডিয়াকে অস্বীকার করি। আবার ভালো কিছু মনে হলে আপ্যায়নও করি। আমার কাছে ম্যাটার করে না, আমার ইন্টারভিউটা বঙ্গদর্শনে ছাপল, নাকি আনন্দবাজারে ছাপল। অত সময় নেই লোকের যে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়বে। আমার আসলে কাজ করতে করতে নিজেকে অনলাইনে রাখাটা অভ্যাস হয়ে গেছে। রবীন্দ্রনাথের নাটকের করার জন্য প্রচুর টাকা এল। আমার নামে তো আর গ্রান্ট আসবে না। আমি যেটা দেখলাম, সেটা বলব না? পৃথিবীতে যত মানুষ মূল স্রোতের বাইরে গিয়ে কথা বলতে চেয়েছেন, প্রত্যেককেই শুনতে হয়েছে ‘আপনি ভাই বেশি কথা বলেন’। তাঁকে চুপ করিয়ে রাখার চেষ্টা চলতে থাকে। এটা তো সিলেবাসে কমন পড়ছে না। সবাই ওই পুঁথিগত পাঠেই মুখ গুঁজে পড়ে আছে। বিদ্যাসাগরকে ভালো ভাবে নিয়েছে লোকজন? রামমোহনকে নিতে পেরেছে? আমাকে জুতো মারার সাহস কারোর নেই। দর্শক আমাকে ভালোবাসে। আর কে কী বলল, তাতে কিচ্ছু এসে যায় না আমার।
আরও পড়ুন
ট্যাবু ভাঙতে মঞ্চে ফিরল ‘বিবর’
• ফেসবুকে একটা সাম্প্রতিক পোস্টে দেখলাম, ছাত্রজীবনে সরাসরি রাজনীতি করার প্রসঙ্গ টেনেছেন। এবং বলেছেন আপনি রাজনীতির ক্ষেত্রেও একটা শিল্পসম্মত রূপ রাখার চেষ্টা করেন। সেটা কেমন?
অর্থাৎ রাজনীতির কথা আমি যেভাবে বলছি সেটা শিল্পের মাধ্যমে বলতে ভালোবাসি। আমি ময়দানে না থাকলে সে কথা বলতে পারব না। এই শহরে যারা কাজ করে তাদের কথা তো বলতেই হবে। আমি তাদের জন্য করি। হয়ত সরাসরি কৃষক আন্দোলনের কথা বলতে পারছি না। কিন্তু এই মানুষগুলোর সঙ্গে রিলেট করে কৃষকদের কথা বলছি। ভেবে দেখলাম, এটা নিয়ে কেউ কথা বলছে না। তাই আমি দায়িত্ব নিলাম। অনিমেষের কি ইচ্ছা করেনি মাধবীলতার সঙ্গে সুখে সংসার করতে? সে আদর্শের কাছে মাথা নোয়াতে পারেনি। লোকের বাড়িতে আত্মীয় হিসাবে থাকা, অনাথ আশ্রমে থাকা, পালিয়ে পালিয়ে বেড়ানো, আমি জানি এগুলো কী। মূল ইতিহাসের গল্পের সঙ্গে এখনকার গল্প একদম মিলছে না। এই দেশের কিচ্ছু হবে না।

• আচ্ছা, আপনাকে যদি হার্ডকোর কমার্শিয়াল ছবিতে অভিনয় করতে বলা হয়, করবেন?
অবশ্যই করব এবং অনেকের থেকে ভালো করব। উত্তম কুমারের পরে হয়ত আমিই ভালো করব (হাসি)। মানুষের জন্য আমি সব করব। আমাকে ওই গ্রামের মানুষগুলোর কথাও ভাবতে হয়। ওরা কিন্তু সব বোঝে। মুচকি মুচকি হাসে, তাকিয়ে থাকে। কিছু বলে না। তারা তাদের অবস্থাটা জানে। নিজেরা সবাইমিলে একটা পৃথিবী গড়ে নিয়েছে।
• থিয়েটার বা ফিল্মে কী কী নতুন কাজ আসছে?
থিয়েটারে অনেকগুলো স্ক্রিপ্ট জমা পড়েছিল আমার কাছে। আমার একটাও পছন্দ হয়নি। তবে কৃষ্ণেন্দু অধিকারী আমাকে দারুণ একটা স্ক্রিপ্ট দেখিয়েছে। রাষ্ট্র আর নাট্যকারের অদ্ভুত লড়াই দেখানো হয়েছে সেখানে। ওটা করব। আরেকটা বড় কাজ হল দেবাশিস বিশ্বাসের নির্দেশনায় 'গুড আর্থ'। ‘অটো’ তো এখনও চলছে। আমি রঙ্গিলা থেকে একটা নতুন নাটক ভাবছি। সেটার কথা এখনই বলছি না। এদিকে দুটো ছবির কাজ শুরু করব। একটা অক্টোবর থেকে শুরু হবে। অভিনয় করলাম দুটো ছবিতে। রাজা ঘোষের ‘চাবিওয়ালা’ এবং নবারুণ সেনের ‘দ্বিখণ্ডিত’।

• রঙ্গিলার পুরনো প্রযোজনাগুলোর অভিনয় এত কম হচ্ছে কেন?
দরকার নেই। আমার দর্শন তো পরিবর্তন হতে হতে যাচ্ছে। তার বদলে আমি নতুন নাটকে হাত দেব।
• গত তিন চার বছরে আপনার প্রিয় কয়েকটা প্রযোজনার নাম বলুন, নিজের কাজ ছাড়া।
ফোর্থ বেলের ‘ছাড়পত্র’, পুরনো হওয়া সত্ত্বেও অরুণবাবুর ‘মারীচ সংবাদ’ থাকবে এই তালিকায়, ‘কাচের পুতুল’-এ অনির্বাণদা, চুমকিদি এরা অভিনয় করত- দারুণ নাটক, সুমন মুখোপাধ্যায়ের ‘যারা আগুন লাগায়’, আর ব্রাত্যদার 'উইঙ্কেল টুইঙ্কেল' থাকবে অবশ্যই। আরও কিছু আছে, যেগুলো হিট নাটক। তবে শুধু পারফরমেন্স ছাড়া আর কিছু ভালো লাগেনি। যেমন ‘অদ্য শেষ রজনী’র স্ক্রিপ্টে কিছু নেই। পারফরমেন্স বাদ দিলে নাটকটা থেকে পাবার কিছু নেই। একটা লোকের হাহাকার শোনার জন্য কেন আমি সময় নষ্ট করব! বরং আমাদের সময় শক্তিশালী কিছু অভিনেতা অভিনেত্রী দেখেছি। অনির্বাণ ভট্টাচার্য, শান্তনু নাগ, তথাগত। আমার কাজ লোকে বলবে কেমন। দর্শক ফেলে যখন দিচ্ছে না, তখন আমি তো আছিই। মেয়েদের মধ্যে তুর্ণার কাজ খুব ভালো লাগে, চুমকিদিকে তেমন কেউ ব্যবহার করেনি, অঙ্কিতা, তন্নিষ্ঠা ভালো কাজ করছে। আমাদের এখানে আসলে ভালো অভিনেত্রীর খুব অভাব।
(ব্যবহৃত ছবিগুলি কৌশিক করের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে সংগৃহীত)