‘মন্দনারী’-দের মূলস্রোতে সসম্মানে উত্তরণ
সভ্যতার শুরুতে এ গোটা পৃথিবীর বিভিন্ন অংশেই যে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ও পরিবারব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। তা নিয়ে বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক, গবেষকগণ ও সমাজতত্ত্ব বিজ্ঞানীরা প্রায় নিশ্চিত। তাই একথা ধরে নেওয়া যায়, অনান্য সামাজিক জীবনযাপনের নানা দিকগুলির মতোই রঙ্গমঞ্চে বা মনোরঞ্জনের দিকগুলিও নারী নিয়ন্ত্রিত ছিল এককালে। যার প্রমাণ দেয় সিন্ধু সভ্যতায় খননকার্য থেকে উদ্ভুত নগ্ন গহনা পরিহিতা নারীর মূর্তি কিংবা, মিশরীয় সভ্যতায় প্রস্তর ফলকে হায়রোগ্লিফিক লিপিতে খোদিত, বিভঙ্গযুক্ত নারীর দর্শক সম্মুখে, নৃত্য পরিবেশন। সেখানে পুরুষ নৃত্যশিল্পীর পাশাপাশি নারীও উজ্জ্বল। তবে, বাংলা তথা বিশ্বের অভিনয় জগতে, এক দীর্ঘ সময় বিনোদন জগতে, ‘মানুষ’-এর স্থলে ‘নারী’ ও ‘পুরুষ’ শব্দটি যেন জাঁকিয়ে বসে, অভিনয়শিল্পীকে, অভিনেতা ও অভিনেত্রী হিসেবে বিশেষভাবে বিশেষায়িত করা শুরু হয়। এবং সমাজ ক্রমশ পিতৃতান্ত্রিকতার বশবর্তী হতে শুরু করলে, নারী অনান্য জগতের মতোই, বিনোদন জগতেও ব্রাত্য হতে শুরু করে।
ভারতীয় নাট্য গবেষক ডঃ কিরণ কেশবমূর্তি এক জার্নালে জানান, ভারতীয় ‘অনার্য লোকনাটক’ থেকেই আঞ্চলিক ‘বাংলা’, ‘তেলেগু’, ‘তামিল’ ও ‘কন্নড়’ নাটকের জন্ম। কিন্তু ডঃ অজিত কুমার ঘোষ এই মতকে খণ্ডন করে জানান, এইসব আঞ্চলিক নাটকের উৎপত্তি, সংস্কৃত নাট্যশাস্ত্র থেকেই। উদাহরণ হিসেবে তিনি কালিদাস, ভবভূতির লেখা একাধিক সংস্কৃত নাটকের প্রসঙ্গও জানিয়েছেন তাঁর বই বাংলা নাটকের ইতিহাস-এ।
আরও পড়ুন: কলকাতার রাতের রজনীগন্ধারা
কিন্তু যে মতবাদই গ্রহণ করা হোক না কেন, দুজনেই একযোগে স্বীকার করেছেন, বাংলা নাটকের শুরুর কাল থেকেই ছিল নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। চর্যাপদকে যদি বাংলা সাহিত্য ও সৃজনের আদিতম নিদর্শন রূপে ধরা হয়, তবে তাতেও আছে –
নাচন্ডি বাজিল গণ্ডি
দেই বুদ্ধ নাটক বিষম হই। (২১ সংখ্যকপদ, কাহ্নপা)
যা থেকে স্পষ্ট হয় নারীর উপস্থিতি। আবার ভরতমুনি, তাঁর নাট্যশাস্ত্রের প্রথম খণ্ডের প্রথম অধ্যায়ের পূর্বরঙ্গ অংশে বলেছেন,
নাট্য সর্বত সমন্ডিথঃ
আরম্ভনা হেতু, সমগ্রা ব্যঞ্জনার্থ
পুপবন্ত, মুখনিথম, করম্ভীন নটকারিকাম।।
অর্থাৎ, সংগীত ও নৃত্যযোগে নাটকের শুরুতেই, নট ও নটী উভয়ই নাটকের ব্যঞ্জনা তাঁদের সুললিত কণ্ঠের দ্বারা দর্শককে বুঝিয়ে দেবেন। অর্থাৎ আবারও স্পষ্ট হল যে, নাট্যচর্চায় সুপ্রাচীনকাল থেকেই নারীদের স্থান এ ভারতে ছিল। এখন প্রশ্ন হল, বাংলা থিয়েটারে নারী নাট্যকর্মীর হঠাৎ এককালে স্বল্পতার কারণ কী?
ব্রাহ্মসমাজে নারীরা ব্রাহ্মউৎসবগুলিতে অভিনয় করলেও, বাইরে অন্য শোয়ের মহড়া তাঁরা কুলরক্ষার ভয়েই হয়তো দিতেন না। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলে, বাল্মীকিপ্রতিভা, অলীকবাবু এরকম নানা নাটকেই ওই পরিবারের একাধিক সদস্যা যেমন প্রতিভাদেবী, ইন্দিরাদেবী, কাদম্বরীদেবী, জানদানন্দিনীদেবী অভিনয় করেছিলেন।
এ কথা প্রমাণিত যে, ধর্মীয়কৃত্য থেকেই নাটকের সূচনা। কাজেই ধর্ম যখন রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে সমাজকে শাসন করতে শুরু করল তখন থেকেই নানাবিধ অজুহাতে, পুরুষরা ক্ষমতা দখলে উদ্যোগী হতে শুরু করলো আর নারীদের বিরত রাখা হলো সামাজিক কার্যক্রম থেকে। কখনও পর্দার অজুহাতে, কখনও বা বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্টতার জন্য ঋতুচক্রকালীন তাদের অপবিত্রতার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে, পেশিশক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সমাজে নারীকে দুর্বল ব্যাখ্যা করতে শুরু করা হলো। নারীকে বোঝানোও হল যে সে, ‘বুদ্ধিহীনা’, ‘অবোধ’, ‘অবলা’। ‘লাজনম্রা’ ও ‘সেবাপরায়নতা’ ছাড়া অন্য যেকোন গুণ তাকে মানায়না।
এখানে সবথেকে দুঃখজনক হল, বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ও, বাংলা থিয়েটারে নারীশিল্পী প্রত্যাবর্তনের বিরোধী ছিলেন। শোভাবাজার নাট্যশালার জন্য মহারাজা যতীন্দ্রমহোন ঠাকুরের অনুরোধে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন কৃষ্ণকুমারী নাটকটির অভিনয়ের জন্য নারীশিল্পীর প্রস্তাব দেন, বিদ্যাসাগর মশাই তার বিরোধিতা করেন। উল্লেখ্য, বিদ্যাসাগর মশাই নিজেও শোভাবাজার নাট্যশালার তৎকালীন একজন নামী সদস্য ছিলেন।
আবার অন্যদিকে, স্বয়ং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরও, নাকি বাড়ির নারী সদস্যদের, অলীকবাবু নাটকে অংশগ্রহণ দেখে জানিয়েছিলেন, “নারী চরিত্রে অভিনয় করিবার জন্য, সর্বদাই যে নারীকেই মঞ্চে উপস্থিত করাইতে হবে, এমনটা নয়।” (ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল – চিত্রা দেব)
বেঙ্গল থিয়েটারের অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রতিভাময়ী ছিলেন গোলাপ সুন্দরী, অর্ধেন্দু মুস্তাফির কাছে নাটক শেখার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর। ১৮৭৫ সালে, উপেন দাসের সরোজিনী নাটকে সুকুমারীর ভূমিকায় এতো অপূর্ব অভিনয় করেন যে, তাঁকে সুকুমারী নামেই লোকে পরে চিনতেন।
সে মূলত তৎকালীন সামাজিক চালচিত্রই ছিল অন্যরকম। তবে পরবর্তীকালে উনিশ শতকের শেষার্ধে, যখন গেরাসিম স্তেপোনোভিচ লিয়েবদফ তাঁর বেঙ্গলি থিয়েটারে, কাল্পনিক সংবদল নাটকটি মঞ্চস্থ করেন, তখন তিনি চেয়েছিলেন, বাঙালি কয়েকটি নারীমুখ এই নাটকে মঞ্চে উঠে আসুক, বলা ভালো এর আগে অভিনয় জগতে পুরুষরাই নারীচরিত্রগুলিকে ছদ্মবেশে ফুটিয়ে তুলতেন, সামাজিক কারণে। যাইহোক, ঘটনাটি ঘটাতে তাঁকে তৎকালীন গভর্নর জন শোরের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হয়েছিল। মহিলা শিল্পীদের জোগাড় করেছিলেন পণ্ডিত গোলকনাথ দাস। যদিও এই নারীশিল্পীদের কীভাবে ও কোথা থেকে খুঁজে আনা হয়েছিল তা আজও অনুমান সাপেক্ষ।
একদল ঐতিহাসিক বলেন, সম্ভবত পতিতাপল্লি থেকেই তাঁদের নিয়ে আসা হয়, অপরদল জানায় তা হলে সে নাটক তৎকালে জনপ্রিয়তা পেত না। সম্ভবত গ্রাম্য অঞ্চলে ঝুমুর শিল্পের সঙ্গে জড়িত নারীরা এসেছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত কাল্পনিক সংবদল-এর নায়িকা ‘সুখময়ী’ ও ‘সহচরী ভাগ্যবতীর’ ভূমিকায় অভিনয়কারীনি ও নাট্যজগতে নজির সৃষ্টিকারীনি অভিনেত্রীদের নাম আর জানা যায়নি।
এরপর, ১৮৩৫ সালে যখন নবীনচন্দ্র বসুর বিদ্যাসুন্দর নাটকটি দেখানো হল, তখনই প্রথম নাটকের অভিনেত্রীদের আমরা নাম জানলাম, রাধারানী, জয়দুর্গা, রাজকুমারী প্রমুখ। সঙ্গে এ-ও জানলাম যে এঁরা প্রত্যেকেই পতিতাপল্লি থেকে উঠে আসা, সমাজের পশ্চাদপর শ্রেণির মানুষ।
এ কথা প্রমাণিত যে, ধর্মীয়কৃত্য থেকেই নাটকের সূচনা। কাজেই ধর্ম যখন রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে সমাজকে শাসন করতে শুরু করল তখন থেকেই নানাবিধ অজুহাতে, পুরুষরা ক্ষমতা দখলে উদ্যোগী হতে শুরু করলো আর নারীদের বিরত রাখা হলো সামাজিক কার্যক্রম থেকে।
তৎকালীন হিন্দু পাওনিয়ার পত্রিকার সমালোচক রমেশ ঘোষ মশাই, এই সমাজ পরিত্যক্তা নারীদের অভিনয় দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করে জানান যা, তা সাবলীল বাংলায় দাঁড়ায় খানিক এরকম-
“অশিক্ষিতা, নারীগুলির সুললিত কণ্ঠের গান ও মনোহর বিভঙ্গ, সুন্দর অভিনয়। ও শুনিয়া শুনিয়া পাট মনে রাখিবার দক্ষতা বোধ করি পুরুষাদিগের হইতেও সাবলীল।”
একালে, অনেকেই এই বারবনিতাদের সঙ্গে মঞ্চভাগ করতে না চাওয়ায়, বাংলা থিয়েটারের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছেদ করেছিলেন। তথাকথিত উদার ব্রাহ্মসমাজের কেশবচন্দ্র সেন, বামাবোধিনী পত্রিকায় লেখেন,
“পুরুষদিগকে নারী সাজাইয়া অভিনয় করিলে পাছে টাকা কম পড়ে, সেই লোভে পড়িয়া বেঙ্গল থিয়েটারের অনেকে নটীর অনুসন্ধানে আছেন, যাহা নিতান্ত সমাজের অনিষ্ঠের হেতু হইবে।”
এই সময়ই সমাজ সচেতনতামূলক ভালো কিছু নাটক মঞ্চস্থ হওয়া শুরু হয়, যেমন – রামনারায়ন তর্করত্নের কুলীনকুল সর্বস্ব (১৮৫৪), মধুসূদন দত্তের বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০), একেই কী বলে সভ্যতা (১৮৬১), দীনবন্ধু মিত্রের সধবার একাদশী (১৮৫৬), সেগুলির প্রত্যেকটিতেই অভিনয় করে সমাজের এই “মন্দনারী”গণ বুঝিয়ে দেন, তাঁরাও সৃষ্টিশীল শিল্পী, আর এঁদের নিজস্ব লোভ ছিল সমাজের মূলস্রোতে সসম্মানে উত্তরণ।
বেঙ্গল থিয়েটারের অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রতিভাময়ী ছিলেন গোলাপ সুন্দরী, অর্ধেন্দু মুস্তাফির কাছে নাটক শেখার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর। ১৮৭৫ সালে, উপেন দাসের সরোজিনী নাটকে সুকুমারীর ভূমিকায় এতো অপূর্ব অভিনয় করেন যে, তাঁকে সুকুমারী নামেই লোকে পরে চিনতেন। তিনি নিজেও, ১৮৮৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, হিন্দু ফিমেল থিয়েটার। মঞ্চস্থ করেছিলেন নিজের লেখা একটি নাটক, ‘অপূর্বসতী’, যাঁর মূল উপজীব্য বিষয় ছিল, পুরুষশাসিত সমাজে নারীর অবস্থান।
এরপরই আসেন সরজবালা, বিনোদিনীর মতো অসামান্য অভিনেত্রী। যাঁদের রেওয়াজি কণ্ঠের গান, অপূর্ব বাচনভঙ্গি, অনবদ্য অভিনয় দক্ষতা মুগ্ধ করেছিল তৎকালীন বিখ্যাত বাঙালিদের। তাঁদের মধ্যে জগদীশচন্দ্র বসু, মন্মথনাথ রায়, ডাঃ রাধাগোবিন্দ কর, ভারতীয় প্রথম বাঙালি IAS সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।
গিরিশ ঘোষের তত্ত্বাবধানে, ওঁর প্রতিভা স্ফুরিত হয় ঠিকই, তবে গিরিশ ঘোষ স্বয়ং বিনোদিনী সম্পর্কে বলেন, “রঙ্গালয়ে বিনোদিনীর উৎকর্ষ আমার শিক্ষা অপেক্ষা, তাহার নিজগুণ অধিক।” অভিনেত্রী বিনোদিনী, স্বীকৃতি, সম্মান দুটোই পান, তবে কিন্তু সামাজিক অধিকার পাননি, সারাজীবন নাটকে উৎসর্গ করলেও, পুরুষদের মিথ্যে প্রেমের প্রতিশ্রুতি তাঁকে ব্যথা দিয়েছে বারবার। তাঁর আত্মজীবনী ‘আমার কথা’ ও ‘আমার অভিনেত্রী জীবন’ বই দুটিতে সেই ক্ষোভ উঠে এসেছে বারবার। তবে এই অসহনীয় দুঃখের দিনলিপি খানিক বদলে যায় তৎকালীন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের পূজারী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের আর্শীবাদে, তারপর থেকেই ক্রমশ অভিনয় জীবন ছেড়ে, অবসর নিয়ে নেন তিনি চিরতরে।
ব্রাহ্মসমাজে নারীরা ব্রাহ্মউৎসবগুলিতে অভিনয় করলেও, বাইরে অন্য শোয়ের মহড়া তাঁরা কুলরক্ষার ভয়েই হয়তো দিতেন না। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলে, বাল্মীকিপ্রতিভা, অলীকবাবু এরকম নানা নাটকেই ওই পরিবারের একাধিক সদস্যা যেমন প্রতিভাদেবী, ইন্দিরাদেবী, কাদম্বরীদেবী, জানদানন্দিনীদেবী অভিনয় করেছিলেন। রাজাবালাদাসী নামের জনৈকা নারী, যিনি ট্রাপিজের খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি প্রথম পেশাদারি মহিলা থিয়েটারের জগতে, ‘স্টারডম’-এর সূচনা করেন বলে অনেকে মনে করেন। ‘বিধির বিধান’ নাটক থেকেই তাঁর উত্থান বলে জানা যায়। এরপর আঙুরবালাদেবী, কাননবালাদেবী, পাঁচকড়িদেবী প্রমুখ জনপ্রিয় নাম পেরিয়ে গণনাট্যের যুগে বাংলা থিয়েটারে মোটামুটি সমাজের মূলস্রোতের নারীরা এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হন। গীতাদেবী, শোভা সেন, কেয়া চট্টোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, ডলি বসু, অপর্ণা সেন, শ্রীমতি সেন দেববর্মনের মতো কিংবদন্তি অভিনেত্রীরা যেমন ছিলেন, তেমনি স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত, তৃপ্তি মিত্র, ছায়াদেবীর মতো আসাধারণ মধ্যবিত্ত বাঙালি নারীরাও তাঁদের অসামান্য অভিনয় দক্ষতার ছাপ রাখেন এই বঙ্গ থিয়েটারের জগতে। আর এভাবেই মঞ্চ প্রস্তুত হয় নারী, পুরুষ সকল অভিনেতার কর্মদক্ষতায়।
_______
তথ্যসূত্র:
১। ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়, বাঙ্গালির মঞ্চ (১৭৯৫-১৮৭৩)
২। কিরণময় রাহা, বাঙ্গালা থিয়েটার, ন্যাশলাল বুক ট্রাস্ট কর্তৃক প্রণিত
৩। ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল, চিত্রা দেব
৪। বাংলা নাট্যচর্চার ইতিহাস – অজিত কুমার ঘোষ
৫। কলকাতার নাট্যমঞ্চ – গৌতম বসুমল্লিক
৬। The Bengali Drama: It’s Origin and Devlopment, By P. Guha Thakurta, Published By Routledge 2001