ধূপঝোরায় এলিফ্যান্ট ট্যুরিজম হাব

পর্যটকদের সঙ্গে হাতির সখ্যতা বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গ বনদপ্তরের উদ্যোগ

খনও এ দেশের যেকোনও প্রকৃতিবিদকে ভাবিয়ে তোলে যে বিষয়টি, তা হল- মানুষ এবং বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্ব। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই দ্বন্দই হাজার হাজার হাতি-হত্যার কারণ, যার ফলে হস্তিকূলও আজ বিপন্ন। এই বিষয়টাকে প্রাধান্য দিয়ে, উত্তরবঙ্গ-পর্যটকদের সঙ্গে হাতির সখ্যতা বাড়াতে নয়া উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গ বনদপ্তর। ধূপঝোরায় হাতি পর্যটন হাব তথা এলিফ্যান্ট ট্যুরিজম হাব তৈরির কাজ শুরু করেছে বনদপ্তর।

পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে ওই কটেজগুলিতে কোনও বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকছে না। অন্ধকার গাঢ় হলেই জ্বলে উঠবে সৌরবাতি। ওই কটেজে থেকে পর্যটকরা জঙ্গল, চা বাগানের পাশাপাশি মূর্তি নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

ধূপঝোরা এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে বনদপ্তরের ছ’টি কটেজ আগে থেকেই আছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ডিসেম্বর থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে সেগুলি। পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে ওই কটেজগুলিতে কোনও বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকছে না। অন্ধকার গাঢ় হলেই জ্বলে উঠবে সৌরবাতি। ওই কটেজে থেকে পর্যটকরা জঙ্গল, চা বাগানের পাশাপাশি মূর্তি নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। ক্যাম্পেই আছে পিলখানা। সেখানে দিনভর হাতিদের খুনসুটি চাক্ষুষ করতে পারবেন পর্যটকরা। ওখান থেকেই সুযোগ রয়েছে হাতি সাফারির। তাছাড়া নদীতে হাতিদের স্নান দেখতে পর্যটকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ দূরত্বে তৈরি হচ্ছে সেলফি জোন। হাতির সঙ্গে সেলফি তুলতে পারবেন এখানে আসা পর্যটকরা।

গোরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের ডিএফও দ্বিজপ্রতিম সেন জানিয়েছেন, ধূপঝোরাকে কেন্দ্র করে এলিফ্যান্ট ট্যুরিজম হাব তৈরির চেষ্টা চলছে। সেই লক্ষ্যে কাজও শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র বনবাংলো বুকিং কিংবা এলিফ্যান্ট রাইড থেকে টাকা আয়, এটাই আসল উদ্দেশ্য নয়। পর্যটকরা যাতে হাতিদের কাছাকাছি থেকে তাদের আরও ভালোভাবে জানতে পারেন সেটাই হবে মূল লক্ষ্য। হাতির সঙ্গে মানুষের আরও ভালোভাবে বন্ধুত্ব গড়ে উঠুক, সেটাই উদ্দেশ্য।

Developed by DXDasia