গ্রামীন মহিলাদের স্বনির্ভরতার কাজ শুরু হয়েছে
করোনার জেরে গ্রামের অনেকের আর্থিক অবস্থা ভালো নেই। করোনার প্রকোপে এমন হয়েছে যে গ্রামের বহু ছেলেমেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় গ্রামীন মহিলাদের স্বনির্ভরতার কাজ শুরু হয়েছে কেমিক্যালবিহীন আবীর তৈরির মাধ্যমে।
‘ইয়ং ইন্ডিয়ানস’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে সালাসর সেবা আশ্রমের যৌথ এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া রাঙাপানির কামারগছ গ্রামে। আবীর তৈরির মাধ্যমে একদিকে মহিলা-স্বনির্ভরতা অন্যদিকে, সেখানকার শিশুদের ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষা দানের কর্মসূচিও শুরু হয়েছে।
বাগডোগরা বিমানবন্দর লাগোয়া ওই গ্রামে একদল মহিলাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে শুরু হয়েছে আবীর তৈরির কাজ।
সামনেই দোলযাত্রা। কেমিক্যাল রং বা আবীর থেকে ত্বকের নানা রোগ দেখা যায়। তাই গত কয়েক বছরে ভেষজ আবীর নিয়ে সচেতনাও বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেই দিকে তাকিয়েই কামারগছ গ্রামে কেমিক্যালবিহীন আবীর তৈরির কাজ শুরু হয়েছে দোলের আগে।
অ্যারারুট নিয়ে এসে তার মধ্যে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে লাল, গোলাপি, হলুদ, সবুজ প্রভৃতি আবীর।
সালাসর সেবা আশ্রমের সমাজসেবী কৈলাশ শর্মা জানিয়েছেন, এসব আবীর মুখে ঢুকে গেলেও কোনও ক্ষতি হবে না। আবীরগুলোতে রয়েছে বিশেষ সুগন্ধী। কোনওরকম কেমিক্যাল নেই।
গতবছরও তাঁরা সামান্য পরিমান আবীর তৈরি করেছিলেন। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার তা আরও বেশি পরিমানে হচ্ছে। বিভিন্ন রকম প্যাকেট হচ্ছে।
এখান থেকে যা লাভ হবে তার সবটাই গ্রামীন মহিলাদের স্বনির্ভরতা এবং দরিদ্র শিশুদের শিক্ষার পিছনে ব্যয় করা হবে।