রাজ্য সরকারের অভাবনীয় সাফল্য
ডেঙ্গুকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। প্রশাসনিক তৎপরতায় এডিস ইজিপ্টাই মশার বংশবৃদ্ধি রোধে এসেছে নজিরবিহীন সাফল্য।
গত বছরের ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত এরাজ্যে নথিভুক্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৬,২৬৯ জন। চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত নথিভুক্ত হয়েছেন ৪৪২৪ জন আক্রান্ত। অর্থাৎ, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এক বছরে কমেছে ৯২ শতাংশ।
ডেঙ্গি প্রতিরোধে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ওয়েব নির্ভর অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুর এবং নগরোয়ন্নয়ন দপ্তর যোগাযোগ গড়ে তোলে। ডেঙ্গুর মশা জন্মানোর উপযোগী পরিবেশের খোঁজ পেলে হাউজ টু হাউজ টিমের সদস্যরা জানান ভেক্টর কন্ট্রোল টিম বা ভিসিটি’কে। সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করে দেয় ভিসিটি। দুই টিমের কর্মীদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রেখে নজরদারি চালায় পুর এবং নগরোয়ন্নয়ন দপ্তর। জেলা স্তরে নোডাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দপ্তরের যুগ্ম সচিব পর্যায়ের আধিকারিকরা।
সেচ, জনস্বাস্থ্য এবং শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়। কোনো এলাকার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে খালে ময়লা ফেলার অভিযোগ উঠলে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে সেচ দপ্তর। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে পুর এলাকাগুলিতে ‘ডেঙ্গি বিজয় অভিযান’ শুরু হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে এডিস ইজিপ্টাই মশার দমনে।
বিধাননগর পুরসভা, শ্রীরামপুর পুরসভা এবং হাওড়ার কিছু জায়গায় ডেঙ্গুর সমস্যা পুরোপুরি মেটেনি। তবে প্রশাসন আশাবাদী, শীঘ্রই মুশকিল আসান করবে পুর এবং নগরোয়ন্নয়ন দপ্তর।
