উদ্বোধন করবেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
গানের সুরে পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো, নতুন বছরের আবাহন। প্রত্যেক শীতে কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ সংগীত মেলা। অন্যান্য বছরের মতো এবছরেও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ‘বাংলা সংগীত মেলা ২০২১’ এবং ‘বিশ্ববাংলা লোকসংস্কৃতি উৎসব ২০২১’ কলকাতার ১১টি মঞ্চে ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে ১ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত আয়োজিত হবে। আগামীকাল মেলা দুটির উদ্বোধন করবেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন সংগীত জগতের একঝাঁক তারকা।
প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে শুরু হবে বর্ণময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এবারের সংগীত মেলায় কলকাতার ১১টি মঞ্চে প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি সংগীত শিল্পী/ সঞ্চালক/ যন্ত্রশিল্পী অংশগ্রহণ করবেন। ১১টি মঞ্চ হল- রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ, রবীন্দ্র-ওকাকুরা ভবন, ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ যাত্রামঞ্চ, হেদুয়া পার্ক, মধুসূদন মুক্তমঞ্চ, একতারা মুক্তমঞ্চ, দেশপ্রিয় পার্ক, রাজ্য সংগীত অকাদেমী মুক্তমঞ্চ, বড়িশা ক্লাব ময়দান এবং চারুকলা পর্ষদ সংলগ্ন মুক্তমঞ্চ। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আয়োজিত বিভিন্ন সংগীত প্রতিযোগিতা ও কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রতিভাবান নবীন শিল্পীরাও এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। বিশ্ববাংলা লোকসংস্কৃতি উৎসবে পশ্চিমবঙ্গের সকল জেলার লোকশিল্পীরা অংশগ্রহণ করবেন। দেশপ্রিয় পার্কে খ্যাতনামা বাংলা ব্যান্ডের পাশাপাশি নবীন বাংলা ব্যান্ডগুলিও অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে।
গগনেন্দ্র প্রদর্শশালায় ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে ১ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ‘শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি : সুবিনয় রায় ও ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনী। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী খোলা থাকবে। বাংলা সংগীত মেলা উপলক্ষে বড়িশা ক্লাব ময়দানে অস্থায়ী স্টল তৈরি করে সংগীত-বিষয়ক পুস্তক, সিডি, রকমারি হস্তশিল্পের প্রদর্শনী ও বিক্রির ব্যবস্থা থাকবে।
প্রসঙ্গত, জানুয়ারির ৭ তারিখ থেকেই শুরু হয়ে যাবে ২৭তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলবে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। তারপরই বইপ্রেমীরা মজবেন বইমেলায়। অতিমারী আবহে কোভিডবিধি মেনে ৩১ জানুয়ারি শুরু বইমেলা। আর এই দুই মহোৎসবের সঙ্গে এবার জুড়ে যাচ্ছে আরও একটি উৎসব। আন্তর্জাতিক মিউজিক ফেস্টিভ্যাল। উৎসবের উষ্ণতায় শীতকাল এবার একটু বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠতে চলেছে শহরবাসীর কাছে।