উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
গানের সুরে পুরোনো বছরকে বিদায় জানানো, নতুন বছরের আবাহন। প্রত্যেক শীতে কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ সংগীত মেলা। এবছর পরিস্থিতি অবশ্য আলাদা। কোভিড মহামারির থাবায় বিপর্যস্ত আম-মানুষের জীবন। সংগীত মেলা আদৌ হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। শেষ পর্যন্ত সুরের মাধ্যমেই জীবন উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২৩ ডিসেম্বর, বুধবার, আলিপুরের উত্তীর্ণ মঞ্চে বাংলা সংগীত মেলা ২০২০-র উদ্বোধন করলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হাত দিয়ে বিশ্ববাংলা লোকসংস্কৃতি উৎসবেরও সূচনা হয় এদিন।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সংগীত জগতের একঝাঁক তারকা। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা দেন। সংগীতের মাধ্যমে সম্প্রীতিকে জোরদার করার আহ্বান জানান। আদিবাসী নৃত্যে পা মেলান তিনি। এদিন ২২ জন শিল্পীকে ভূষিত করা হয় ‘সংগীত সম্মান’ এবং ‘সংগীত মহাসম্মান’ পুরস্কারে। কিংবদন্তি থিয়েটার এবং চলচ্চিত্র অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে জানানো হয় বিশেষ শ্রদ্ধা।


আরও পড়ুন: শুরু হল কলকাতা ক্রিসমাস ফেস্টিভ্যাল ২০২০
আজ, ডিসেম্বরের ২৪ তারিখ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত সংগীত মেলা চলবে ১০টি জায়গায় – রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ, ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ যাত্রা মঞ্চ, একতারা মুক্ত মঞ্চ, দেশপ্রিয় পার্ক, রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবন, হেদুয়া পার্ক, মধুসূদন মঞ্চ এবং রাজ্য সংগীত আকাদেমি। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে গগনেন্দ্র প্রদর্শশালায় আজ ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বিশেষ ফটোগ্রাফি প্রদর্শন।

সংগীত মেলায় কঠোরভাবে মেনে চলা হবে কোভিড স্বাস্থ্যবিধি। আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ ফাঁকা রাখা হবে। ৫ হাজারের বেশি সংগীতশিল্পী অংশ নিচ্ছেন এবছরের মেলায়।
