সমুদ্র ও পিছাবনী নদীর মিলনস্থলে দাঁড়িয়ে থাকুন খানিকক্ষণ

ঘুরতে যেতে কার না ভালো লাগে! তাই ব্যস্ত শহুরে জীবন থেকে নির্জন সমুদ্রসৈকতে কাটাতে চলুন ব্যাগ গুছিয়ে। ঘুরে আসি ‘লাল কাঁকড়া বিচ’-এ। 

সবুজ ক্ষেতের আল ধরে হেঁটে পৌঁছোতে হবে সমুদ্রতটে। লোকমুখে বেশি প্রচলিত না হওয়ার জন্য এটি খুবই নির্জন। সমুদ্রের ধার ঘেঁষে ঝাউবন। এখানে সমুদ্র ও একটি নদীর মিলনস্থল। নদীর নাম পিছাবনী। থাকার ব্যবস্থা বলতে রামকৃষ্ণ মিশনের আশ্রম। 

রামকৃষ্ণ মিশনের এই দোতলা গেষ্ট হাউসে আছে উপযুক্ত থাকার ব্যবস্থা। সামনে বিশাল বারান্দা। সকালের জলখাবার থেকে রাতের খাবার পর্যন্ত জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে ধার্য্য। রুমে থাকার আলাদা কোনো চার্জ নেই।

সারাদিন সমুদ্রের ঢেউ গুনে মন যখন শান্ত, সন্ধেয় এসে বসুন রামকৃষ্ণের প্রার্থনা গৃহে। মনে ভেসে উঠতে পারে সমুদ্রতট, যেখানে দেখা মেলে হাজারো লাল কাঁকড়ার। বিভিন্ন ছোট-বড় সামুদ্রিক প্রাণীও হতাশ করবে না আপনাকে।

কীভাবে যাবেন –
গাড়িতে কলকাতা থেকে দীঘাগামী রুটে মন্দারমনি যাবার রাস্তা ধরে এলে যেদিকে মন্দারমনি ঠিক তার উলটো দিকের রাস্তা ধরে সমুদ্রের পাশ দিয়ে ৪ কিমি গেলেই পৌঁছে যাবেন লাল কাঁকড়া বিচ। আর কাছেই রামকৃষ্ণ আশ্রম। কলকাতা থেকে দূরত্ব ১৭৫ কিমি। বাসে এলে দীঘাগামী বাসে চাউলখোলায় নেমে ১১ কিমি ট্রেকারে অথবা টোটোয় চলে আসুন।

 

কোথায় থাকবেন- 
এখানে হোটেল নেই। থাকতে হলে রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে আগে থেকে যোগাযোগ করতে হবে। আশ্রমে থাকার জন্য যোগাযোগের ফোন নম্বর – ৮১১৬৭৯৩২৩৪, ৮৭৬৮৪৩৫২৪৭, ৯৭৩৫১৯৫৭৩৮। খাবারে নিরামিষ ও আমিষ উভয়েই ব্যবস্থা আছে।

Developed by DXDasia