গজলডোবা – মায়াবী প্রকৃতির মাঝখানে হারিয়ে ফেলুন নিজেকে

ভৌগলিক অবস্থানের কারণে উত্তরবঙ্গের একটি জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠছে এই গ্রাম

জলপাইগুড়ি জেলায় হিমালয়ের পাদদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম ঘেঁষে রয়েছে গজলডোবা। তিস্তা নদীর বাঁধের জন্য গ্রামটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে উত্তরবঙ্গের একটি জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠছে। কাছেই বৈকুণ্ঠপুর অরণ্য। তাই পরিযায়ী পাখিরা ঝাঁকে ঝাঁকে চলে আসে। যাঁরা পাখি ভালোবাসেন, অবশ্যই ঘুরে আসুন। তিস্তা নদীতে ট্রেকিং, সাইক্লিং এবং নৌকোভ্রমণের মজাই আলাদা। তাছাড়া অন্য বেশ কিছু আউটডোর অ্যাক্টিভিটির বন্দোবস্ত রয়েছে। শহুরে ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে মায়াবী প্রকৃতির মাঝখানে হারিয়ে ফেলুন নিজেকে। 

ভোরের আলো ট্যুরিজম প্রপার্টি 

গজলডোবায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ‘ভোরের আলো ট্যুরিজম প্রপার্টি’। আগে যার নাম ছিল ‘ভোরের আলো’। ছুটি কাটানোর লোভনীয় ব্যবস্থা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন বিভাগ। ২০০ একর জুড়ে বিস্তৃত এই প্রপার্টি পূর্ব ভারতে বৃহত্তম সরকারি প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। একটি বাজেট হোটেল, একটি থ্রি-স্টার হোটেল, হাই-এন্ড হোটেল এবং আরও অনেক কিছুর চাহিদা এটি পূরণ করেছে।

ভোরের আলো 

২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই প্রপার্টির উদ্বোধন করেন। প্রথম ধাপে অতিথিদের জন্য পাঁচটি কটেজ উন্মুক্ত করা হয়। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর জন্য উৎসর্গ করা একটি কটেজ, একটি সাধারণ খাওয়ার ঘর এবং রান্নাঘর তৈরি করা হয়। সেরা সুযোগ-সুবিধা প্রদানে কোনো কমতি রাখা হয়নি। এখন প্রপার্টিতে যোগ হয়েছে আরও পাঁচটি ডুপ্লেক্স কটেজ। অর্থাৎ সর্বমোট ১০টি কটেজ,  সঙ্গে ডেডিকেটেড ৪ স্যুট রুম, কাউন্টার-সহ রিসেপশন ব্লক, ম্যানেজারের অফিস, লেকের পাশে কটেজ, ড্রাইভার ও অন-ডিউটি স্টাফদের জন্য ডরমিটরির সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে দ্বিতীয় ধাপে। 

বৈকুণ্ঠপুর অরণ্য 

পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ওয়েবসাইটে গিয়ে ভোরের আলো ট্যুরিজম প্রপার্টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন। বুকিং এবং অন্যান্য তথ্যের জন্য ক্লিক করুন: https://www.wbtdcl.com/ 

অপালচাঁদ অরণ্য 

কীভাবে যাবেন

গজলডোবা যেহেতু শিলিগুড়ির খুব কাছে, আপনি ট্রেনে করে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে যেতে পারেন। যেখান থেকে গজলডোবা মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে। বিমানপথে গেলে বাগডোগরা নামবেন। গজলডোবা থেকে যার দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার। 

 

Developed by DXDasia