প্রয়াত ‘জন অরণ্য’ খ্যাত বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রদীপ মুখোপাধ্যায়

সাতের দশকে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে হাতেখড়ি হয় প্রদীপ মুখোপাধ্যায়ের

প্রয়াত ‘জন অরণ্য’ খ্যাত অভিনেতা প্রদীপ মুখোপাধ্যায় (Actor Pradip Mukherjee)। সোমবার সকাল ৮.১৫ মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ‘সোমনাথ’। দীর্ঘদিন ধরে সেপ্টিসেমিয়ার সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।

প্রদীপ মুখোপাধ্যায় কলেজে পড়াকালীন থিয়েটারের পাঠ গ্রহণ করেন। আইন নিয়ে স্নাতক হওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে পূর্ণ-সময় কাজ করতে শুরু করেন। সপ্তাহান্তের নেশা ছিল থিয়েটার। ১৯৭৪ সালে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। ‘নক্ষত্র’ থিয়েটার গ্রুপের জন্য কাজ করার সময় প্রদীপের অভিনয়ে মুগ্ধ হন সত্যজিৎ রায় (Satyajit Ray)। কলকাতা ট্রিলজির শেষ চলচ্চিত্র ‘জন অরণ্য’ (Jana Aranya)-এ প্রধান চরিত্র হিসেবে দেখা যায় প্রদীপ মুখোপাধ্যায়কে। দর্শক এবং সমালোচকদের কাছে তুমুল প্রশংসিত হয় প্রদীপ তথা সোমনাথের অভিনয়। সেরা অভিনেতার জন্য ১৯৭৬ সালে ফিল্মফেয়ার (Filmfare) পুরস্কারও পান এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।

কলকাতা ট্রিলজির শেষ চলচ্চিত্র ‘জন অরণ্য’-এ প্রধান চরিত্র হিসেবে দেখা যায় প্রদীপ মুখোপাধ্যায়কে। দর্শক এবং সমালোচকদের কাছে তুমুল প্রশংসিত হয় প্রদীপ তথা সোমনাথের অভিনয়।

সাতের দশকে চলচ্চিত্র জগতে হাতেখড়ির পর প্রদীপ মুখোপাধ্যায় অভিনয় করতে থাকেন ‘শাখা প্রশাখা’, ‘অশ্লীলতার দায়ে’, ‘সতী’, ‘ললিতা’, ‘হিরের আংটি’, ‘বাক্স রহস্য’, ‘দহন’, ‘উৎসব’, ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’, ‘গোরস্থানে সাবধান’, ‘আমি আদু’, ‘মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর’, ‘পার্সেল’ ইত্যাদি ছবিতে।

অভিনেতা প্রদীপ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ। বঙ্গদর্শন পরিবার তাঁকে জানায় শেষ শ্রদ্ধা।

Developed by DXDasia