উত্তর সিকিমের ছোট্ট শহর লাচুং থেকে মাত্র দু’ঘণ্টার পথ, সমুদ্রতল থেকে ৩৫৬৪
পৃথিবীর সমস্ত সবুজ রঙ এখানে এসে জড়ো হয়েছে- কেউ যেন আপন খেয়ালে
হর-পার্বতীর বিশ্রামের স্থান। পুণ্যের মাপকাঠিতে মানস সরোবরের পরেই এর স্থান। রাখতে হবে
হোমস্টের ছোট্ট জানলা দিয়ে দেখা যায় কুয়াশা ঘেরা কাঞ্চনজঙ্ঘা। লেপচা অধ্যুষিত পাহাড়ি
উষ্ণ আন্তরিকতায় ভরা পাহাড়ি গ্রামের স্বাদ
সাদা বালি, লাল কাঁকড়া, আর অসংখ্য মাছের ভেড়ি। মৎস্য রসিক বাঙালিদের জন্য
ধুপি, ম্যাগনোলিয়া, রডোড্রেনডনে ফুলে ঘেরা ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম বাতাসি
যুগ যুগ ধরে কঠোর প্রকৃতির বুকে চলছে নিরলস সাধনা
কাঁটা তারের ওপারে, নিজের শিকড়ের সন্ধানে দেশের স্বনামধন্য ক্যামেরাম্যান অমিত সেন
তীর্থ স্থান, উষ্ণপ্রস্রবণ, উত্তাল পার্বতী নদী আর প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য
স্থায়ী চাকরি ছেড়ে পুরাতত্ত্বিক তথাগত নিয়োগী ফিরছেন নিজের শহরে
পাহাড় হ্রদ অরণ্যের মিজোরাম। কম পর্যটক যান। এক বার গিয়ে দেখুন