
আগামী ছয় মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে
পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়া থানার চুরুলিয়া এলাকাটিকে অনেক আগেই হেরিটেজ বলে ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকারের হেরিটেজ কমিশন। এই গ্রামেই রয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মভিটে, তাঁর স্মৃতিসৌধ, এমনকী স্ত্রী প্রমীলা দেবীর সমাধিস্থল। এবার রাজ্যের পর্যটন দপ্তর থেকে আর্থিক অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে কবির বাড়ি, সমাধিস্থল, মিউজিয়াম ও প্রমীলা মঞ্চের সংস্কারের জন্য।

জানা গিয়েছে, কবির স্মৃতিসৌধ এবং প্রমীলা দেবীর সমাধিস্থল আরও সুন্দর ভাবে সাজানো হবে। কবির ব্যবহার করা জিনিসপত্র, যা মিউজিয়ামে রয়েছে, সেগুলিকেও আধুনিক ভাবে পরিবেশন করা হবে। সংস্কার হবে পার্শ্ববর্তী রাস্তারও।
জানা গিয়েছে, চুরুলিয়ার প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, তা দেখতে রাজ্য সরকারের পর্যটন দপ্তরের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয় স্থপতি মণীশ চক্রবর্তীকে। কীভাবে এলাকা সাজানো যেতে পারে, তার একটা লিখিত পরিকল্পনা জমাও দেন মণীশ। এবার সেই পরিকল্পনার ভিত্তিতেই পর্যটন দপ্তর অনুমোদন করেছে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা। সরকারের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ার শিবাশিস সরকার ইতিমধ্যে ঘুরে দেখেছেন এলাকা। কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তিনি জানিয়েছেন, ১ মার্চ থেকে শুরু করা হবে সংস্কারের কাজ। আগামী ছয় মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে।
জানা গিয়েছে, কবির স্মৃতিসৌধ এবং প্রমীলা দেবীর সমাধিস্থল আরও সুন্দর ভাবে সাজানো হবে। কবির ব্যবহার করা জিনিসপত্র, যা মিউজিয়ামে রয়েছে, সেগুলিকেও আধুনিক ভাবে পরিবেশন করা হবে। সংস্কার হবে পার্শ্ববর্তী রাস্তারও। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকবছর আগে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নজরুল বিষয়ক গবেষণা ও অন্যান্য নানান বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে বলেন। সরকারের নির্দেশে নজরুল একাডেমির সঙ্গে মৌ-সাক্ষর করে বিশ্ববিদ্যালয়। চুরুলিয়ার সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হলে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে নতুন করে খুলে যাবে আরও এক পর্যটন গন্তব্য, এমনকী ছাত্রছাত্রী-গবেষকরাও এলাকা পরিদর্শন করে কাজ করতে পারবেন।
