‘দুঃস্বপ্নের নগরী’র উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা, কায়দা করে নাটকের নাম বদলে দিলেন উৎপল

সোনার মতো গল্প, উৎপল দত্ত, পর্ব ২

সোনার মতো গল্প (প্রসঙ্গ- উৎপল দত্ত) পর্ব-২

সোনার মতো গল্প, উৎপল দত্ত প্রসঙ্গে এটি দ্বিতীয় পর্ব। আগের পর্বে উৎপল দত্তের নাটক এবং নাটকে তাঁর রসবোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এই পর্বের আলোচনায় অনেককিছুই আছে। আছে তাঁর জীবনবোধ, সংগ্রাম।

একজন শিল্পীর যাত্রাপথে কতটা পরিশ্রম থাকে, কতটা সংগ্রাম থাকে, তা সকলের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। উৎপল দত্তের ক্ষেত্রে এই সংগ্রাম চিরকাল ছিল। ১৯৬৫ সালে উনি গ্রেফতার হন। সাত মাস জেল খাটতে হয়েছিল তাঁকে। এ ছাড়া ‘স্ট্রিট থিয়েটার’ করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা সহ্য করেছেন। তবু তিনি নাট্যমঞ্চ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভাবেননি। রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে অন্য দলে যোগদান করেননি। সেটাই ছিল ওনার সততা বা ‘ইন্টিগ্রিটি’র সবথেকে বড়ো পরিচয়। 

সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি টালমাটাল, প্রচণ্ড টানাপোড়েন চলছে, তখন ‘দুঃস্বপ্নের নগরী’ নামে উৎপল দত্তের একটি নাটক তৎকালীন সরকার বন্ধ করে দেন। নাটকটা করার কথা মনুমেন্টে। উৎপল দত্ত মঞ্চে উঠে বললেন, “আমাদের এই নাটক করা বারণ কারণ, বর্তমান সরকার এই নাটকটির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। সেই কারণে আমরা দুঃস্বপ্নের নগরী করতে পারবো না, আমরা অন্য একটি নাটক করছি, যার নাম ‘আজকের নাটক’।” নাটক শুরু হওয়ার পর দেখা গেল, কায়দা করে শুধু নাটকের নামটাই বদলে ছিলেন, মঞ্চস্থ হয়েছে ‘দুঃস্বপ্নের নগরী’ই। কিন্তু প্রেক্ষাপটে এমন কী ছিল, যেকারণে সরকার নাটকটির উপর ফতোয়া জারি করেছিল?

শুধুমাত্র এই প্রশ্নের উত্তর নয়, উৎপল দত্তের উপরে এরকম অজস্র মূল্যবান ঘটনা প্রতি শনিবার ‘সোনার মতো গল্প’-এ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন বিপ্লব দাশগুপ্ত। দেখুন ভিডিওতে।

 

 

Developed by DXDasia