ত্রিশের দশকে ফটোগ্রাফির নিজস্ব ব্যাকরণ তৈরি করেছিলেন তাঁরা
গ্রামীণ উৎসবের ডক্যুমেন্টেশন
সাদা-কালো থেকে রঙিন, তাঁর লেন্সে এই শহর আস্ত একটা চুম্বক
একটা সময় ছিল যখন ভারতে ‘মার্গো’ ব্র্যান্ড ছিল FMCG (ফাস্ট-মুভিং কনজিউমার গুডস)
প্রতীকী ছবি রবীন্দ্রনাথের ছোটোগল্প সবসময় সম্ভাবনাময়। সেই সময় এবং আজও। ছোটো ছোটো দুঃখব্যথার
গড়পার রোডের বাড়িতে সুকুমার রায় যখন প্রয়াত হন, সত্যজিতের বয়স তখন আড়াই বছর। সেই
“আমি পলায়নকারী নই। আমি নির্জনতার মধ্যে যাচ্ছি কারণ, আমি নিজেকে আবিষ্কার করতে
প্রশ্ন জাগে, এইসব তাঁদের ব্যক্তিগত প্রতিভা শুধু? নাকি, সময়ই তৈরি করেছিল সেসব?
কলকাতা জুড়ে তখন প্লেগের আতঙ্ক। চারপাশে মৃত্যু। কিছুতেই আর স্থির থাকতে পারলেন
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন একজন মানুষ, যিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্যে,
দেকার্ত বোধহয় একবার তাঁর কোনো লেখায় বলেছিলেন, পুরোনো শতাব্দীর সঙ্গে কথা বলার
এরপরে এসে পড়ে আরও কিছু কথা। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে আধার কার্ডের পরিসীমা