প্রান্তিকতার বেড়াজাল ছেড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিজ্ঞানচেতনা
বিজ্ঞানকে ভয় নয়, খেলাচ্ছলে ভালোবেসে হাতেকলমে বিজ্ঞানচর্চায় মেতে উঠুক শিশু-কিশোররা, এমন ভাবনা থেকে বাংলাজুড়ে একের পর এক ‘বিজ্ঞানবাড়ি’ গড়ে উঠছে। নেপথ্যে বাংলার কৃতিরা, তাঁদের মধ্যে কেউ বিজ্ঞানী, কেউ অধ্যাপক, কেউ শিক্ষক। স্বাধীনতার পর সাড়ে সাত দশক পেরিয়েছে কিন্তু বিজ্ঞানের যাবতীয় আগ্রগতি আবর্তিত হয়েছে কেবল শহর ঘিরে। শহরের মানুষ বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়েছে। তুলনায় আড়ালে থেকে গিয়েছে গ্রাম, প্রান্তিক বাংলা। গ্রামীণ-প্রান্তিক মানুষ যেমন সমাজের সব কিছুতে তথাকথিত প্রান্তিক, তেমনই বিজ্ঞানেও প্রান্তিক। কোথাও গিয়ে তাঁরা ভীত, তাঁরা বিজ্ঞানকে কিছুটা এড়িয়েই চলেন। বিজ্ঞান মানে গুরুগম্ভীর বিষয়। এই বদ্ধমূল ভ্রান্ত ধারণাকে ভাঙতে চেয়েছেন বিজ্ঞানবাড়ির উদ্যোক্তারা। চেয়েছেন ক্লাব-কালচারের মতোই গড়ে উঠুক বিজ্ঞান-কালচার, বিজ্ঞানচর্চার আগ্রহ বাড়ুক।

বিজ্ঞানবাড়িকে কখনওই মিউজিয়ামের চেহারা তাঁরা দিতে চাননি। বাঁশ, মাটি ও টালি দিয়ে তৈরি হয় বাড়ি। দীপ্যমান বলেন, ‘‘একটা বাচ্চা ছেলে বিজ্ঞানবাড়িকে দেখে যেন ভয় না পায়! সে যেন ভাবে এটা ক্লাব ঘরের মতোই ঘর। যেটা সে সব সময় দেখে বা দেখছে। সেটাই আমরা চেয়েছিলাম।”
শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী, বর্তমানে দিল্লির অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়-এর সঙ্গে বঙ্গদর্শন.কম-এর তরফে কথা বলেছিলাম। তিনি বিজ্ঞানবাড়ির অন্যতম উদ্যোক্তা। ‘বিজ্ঞানবাড়ি’ নামটিও তাঁর দেওয়া। কেন বিজ্ঞানবাড়ি তৈরি করা সে প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন, ‘‘আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন থেকে, ক্লাস টেন-ইলেভেন থেকে বিভিন্ন বিজ্ঞান বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছি। দেয়া-নেয়া, দু-দিক থেকেই অংশগ্রহণ করেছি। দেখেছি বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোথাও একটা খামতি থেকে গিয়েছে। ২০১৭-১৮ সাল নাগাদ ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের ‘ডায়ালগ’ পত্রিকায় আমি একটি প্রবন্ধ লিখি। (২০২১ সালে তা বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে কলিকাতা লেটারপ্রেস প্রকাশনা থেকে।) তার বিষয় ছিল, ভারতের তৃণমূলস্তরের সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে পৌঁছে দেওয়ার পদ্ধতি কী, তা কীভাবে হয়েছে, অভিপ্রেত ফল পাওয়া গিয়েছে কি-না ইত্যাদি বিষয়ক আলোচনা। স্বাধীনতার আগে ও পরে প্রচুর কাজ হয়েছে, বিভিন্ন রকমের কাজ হয়েছে। আমি বলি, যা হয়েছে শহর-কেন্দ্রিক কর্মসূচি হয়েছে। এমন জায়গায় হবে যাতে শহর থেকে একজন বিশেষজ্ঞ যাবেন এবং বক্তব্য রেখে একদিনের মধ্যে ঘুরে চলে আসতে পারবেন। না-হলে বাচ্চাদের সায়েন্স মিউজিয়ামে নিয়ে আসা হবে। শুধু ভারতে নয়, গোটা পৃথিবীতেই এমন করা হয়েছে। আমরা এগুলো করে ভেবেছি, আমরা বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিচ্ছি। এতে মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানচেতনা বেড়ে যাবে। কিন্তু সেটা সত্যিই হলে তো ধর্মাধর্ম নিয়ে দেশে এখনও এত আলোচনা, এত বিড়ম্বনা চলতে থাকে কেন! কেনই বা কুসংস্কার আর অপবিজ্ঞানের এত রমরমা! এ দেশের জনসংখ্যা বিপুল। যত সংখ্যক মানুষের কাছেই আমরা পৌঁছে যাই না কেন, তার বাইরেও অনেক মানুষ থেকে যান। সেখানেই সমস্যা হয়ে গিয়েছে। সেই জায়গা থেকে আমার সেই লেখাটা এসেছিল, যে গণ্ডগোলটা ঠিক কোথায় হল। আমি লিখেছিলাম, আমি গিয়ে বিজ্ঞান বোঝাবো সেই ভাবনা ছেড়ে, অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির বাচ্চাদের হাতেকলমে বিজ্ঞানচর্চা করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। স্কুলে যেটা হয় সেটা সিলেবাস দ্বারা নির্দিষ্ট এবং অন্যের দ্বারা ‘সুপারভাইজড’। সপ্তাহে হয়তো একটাই ‘পিরিয়ড’, শিক্ষকের ইচ্ছা-অনিচ্ছা, বোঝা-না বোঝার উপরে অনেকটা নির্ভরশীল। ক্লাবে ক্যারাম বোর্ড যেমন থাকে, তেমন যদি একটা ঘরে একটা মাইক্রোস্কোপ থাকে, যা যে কেউ যেকোনও সময় গিয়ে দেখতে পারে; এমনটা হলে হয়তো বিজ্ঞানচর্চা আরেকটু ভালো হত। এমন লেখার পরে প্রচুর সমালোচনা হয়। সব মেনে নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তোলেন, আমি ঠিক যেভাবে বলছি সেটা কি বাস্তবে সম্ভব? তখন আমি ভাবলাম আমার বোধহয় উচিত নিজে এইধরনের কিছু একটা করে দেখানোর চেষ্টা করা। নয়তো আমি আমার বার্তাটা পৌঁছে দিতে পারছি না। সেখান থেকে বিজ্ঞানবাড়ির শুরু।”

বিজ্ঞানবাড়ির মূল ধারণা ঠিক কী? কাকে ‘বিজ্ঞানবাড়ি’ বলা যাবে? গবেষক দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে, যেমন গির্জাবাড়ি হয়, শীতলাবাড়ি, মসজিদবাড়ি হয়, তেমন বিজ্ঞানবাড়িও থাকবে। কোনও বিরোধ নয়। শুধুই শিশু-কিশোরদের কাছে বিকল্প বা আরেকটা সম্ভাবনা হিসেবে তুলে ধরা। তাদের সামনে বাকি সব থাকলেও এই ধরনের কোনো ‘স্পেস’ নেই। সামনে একটা সম্ভাবনা থাকার পর তারা ঠিক করবে, তারা কোনটায় যাবে। কোনও কঠিন নাম নয়। তাহলেই ব্যাপারটা অনুষ্ঠানিক হয়ে যাবে। দূরে সরে যাবে। তাই বিজ্ঞানবাড়ি নাম রাখা। যার ক্লাবে যাওয়ার ইচ্ছে যাবে, যে চাইবে সে বিজ্ঞানবাড়িতে আসবে। আমরা জিনিসটা শুরু করে দেব। তারপর স্থানীয়েরা তা চালাবে। শহর দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হবে না। স্থানীয় লোক চাই। মাইক্রোস্কোপ, টেলিস্কোপ, হাতে-কলমে রসায়ন বা তড়িৎবিজ্ঞান বুঝে নেওয়ার সাধারণ যন্ত্রপাতি, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের বইয়ের লাইব্রেরি – এই সবের মাঝখানে বসে কেউ অপবিজ্ঞান চর্চা করার চিন্তা করতে হয়তো পারবে না। বা সব কিছু যুক্তিবাদী মন নিয়ে নিরীক্ষা করার একটা পরিবেশ, বিজ্ঞানচর্চার একটা আবহ তৈরি হবে। এটাই ছিল বিজ্ঞানবাড়ির প্রোটোটাইপ। দীপ্যমান বলেন, “আমাদের পরিকল্পনা ছিল আমরা জমি কিনে বিজ্ঞানবাড়ি তৈরি করব। পশ্চিম মেদিনীপুরের পলাশপাই গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষক এগিয়ে এলেন, জমি দিলেন, আমরা সেই জমিতে চাঁদা তুলে গড়ে তুললাম প্রথম বিজ্ঞানবাড়ি।”
তিনি ছাড়াও এই উদ্যোগে সামিল রয়েছেন, গৌতম বসু (প্রাক্তন অধ্যাপক, বসু বিজ্ঞান মন্দির), পার্থপ্রতিম রায় (পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষক, সাউথ পয়েন্ট স্কুল), অমৃতা গোস্বামী (তথ্যপ্রযুক্তিবিদ), সৌম্য চট্টোপাধ্যায় (তথ্যপ্রযুক্তিবিদ), অভিজিৎ চক্রবর্তী (প্রাক্তন অধ্যাপক, সাহা ইন্সটিটিউট), দীপংকর মৈত্র (জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, হুইটন কলেজ, ম্যাসাচুসেটস), জয়শংকর ভট্টাচার্য (অর্থনীতির অধ্যাপক, আই আই এম ইন্দোর), সৌম্যেন পাল (বুকমেকার ও বুককালেক্টর), চৈতালী মুখোপাধ্যায় (অধ্যাপক, কলকাতা বিশ্ববদ্যালয়), রজত ঘোষ ( অ্যামেচার টেলিস্কোপ-মেকার), অর্ণব সেনগুপ্ত (রসায়ন শিক্ষক)।

শনিবার বিকেলে এবং রবিবার সকাল-বিকেলে খোলা থাকে বিজ্ঞানবাড়ি। রয়েছে টেলিস্কোপ, মাইক্রোস্কোপ, আলোকবিজ্ঞানের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, রসায়নের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সরঞ্জাম, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের বই। যে কেউ সেখানে যেতে পারে, বসতে পারে।
দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় জানান কোভিডের আগে ২০১৯ সালে তাঁরা শুরু করেন পলাশপাইতে বিজ্ঞানবাড়ি গড়ার কাজ। করোনার কারণে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছিল বিজ্ঞানবাড়ি গড়ার কাজ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পলাশপাই বিজ্ঞানবাড়ি পথচলা শুরু করে। ইটের ভিত হলেও মাটির বাড়ি বানানো হয়। বিজ্ঞানবাড়িকে কখনওই মিউজিয়ামের চেহারা তাঁরা দিতে চাননি। বাঁশ, মাটি ও টালি দিয়ে তৈরি হয় বাড়ি। দীপ্যমান বলেন, ‘‘একটা বাচ্চা ছেলে বিজ্ঞানবাড়িকে দেখে যেন ভয় না পায়! সে যেন ভাবে এটা ক্লাব ঘরের মতোই ঘর। যেটা সে সব সময় দেখে বা দেখছে। সেটাই আমরা চেয়েছিলাম।
শনিবার বিকেলে এবং রবিবার সকাল-বিকেলে খোলা থাকে বিজ্ঞানবাড়ি। রয়েছে টেলিস্কোপ, মাইক্রোস্কোপ, আলোকবিজ্ঞানের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, রসায়নের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সরঞ্জাম, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের বই। যে কেউ সেখানে যেতে পারে, বসতে পারে। নিজের হাতে নেড়েচেড়ে দেখতে পারে টেলিস্কোপ, মাইক্রোস্কোপ। বিভিন্ন ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়। বিজ্ঞানবাড়ির নির্দিষ্ট কোনও কর্মসূচি নেই। দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘একটা টেলিস্কোপ আছে। একটা বাচ্চা ছেলে সন্ধ্যাবেলা গিয়ে টেলিস্কোপ বের করে দেখতে পারে। টেলিস্কোপ কি সে দেখতে জানে? জানে না। তাই তাকে প্রথমবার কেউ সেটা দেখিয়ে দিয়ে আসবে। এবার টেলিস্কোপটা তার। সে যখন ইচ্ছে বিজ্ঞানবাড়িতে গিয়ে টেলিস্কোপটা ব্যবহার করতে পারে। শিখিয়ে দেওয়ার জন্য ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়। তারপর ওদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে। ওরাই নিজেরা চালিয়ে নিয়ে যাবে। পাড়ার ক্লাব যেভাবে বড় হয় আরকি! এটা তোমাদের জিনিস, তোমরাই এগিয়ে নিয়ে যাও। পলাশপাই বিজ্ঞানবাড়ির বাচ্চারা ব্যাপারটা বুঝে গিয়েছে। এখন মোটামুটি নিজেরাই চালাতে পারবে বলে মনে হচ্ছে।

তিনিই জানালেন, পলাশপাই গ্রায়ের আশপাশের বাচ্চারা নিজেরা একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্ৰুপ করেছে। তারা বিজ্ঞানবাড়িতে যায়। ছবি পাঠায়। বিজ্ঞানবাড়িতে যাওয়া ওদের নিত্যদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে।
এই মুহূর্তে গোটা বাংলায় তিনটি বিজ্ঞানবাড়ি রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্যালিলিওর জন্মদিনে দুটি বিজ্ঞানবাড়ি পথচলা শুরু করেছে, কোলবুং বিজ্ঞানবাড়ি (দার্জিলিং) এবং উত্তরদেবীপুর বিজ্ঞানবাড়ি (উত্তর ২৪ পরগনা)। বীরভূম, বাঁকুড়াতেও বিজ্ঞানবাড়ি তৈরির প্রস্তাব রয়েছে।
দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় বলছিলেন, ‘‘সংবাদ মাধ্যমে পলাশপাই বিজ্ঞানবাড়ির খবর প্রকাশিত হতে বিভিন্ন মানুষ যোগাযোগ করতে আরম্ভ করেন। সকলেরই দাবি ছিল তাঁদের এলাকায় একটা বিজ্ঞানবাড়ি গড়তে হবে। সব জায়গায় গিয়ে নিজেরা বাড়ি বানাবো… এতো সামর্থ্য আমাদের ছিল না। তখন প্রস্তাব আসে, ‘ঘর আমরা দেব। আপনারা এসে জিনিসটা শুরু করে দিন।’ তারপর থেকে এটাই মডেল হয়েছে যে, কেউ যদি ঘরের ব্যবস্থা করেন। তাহলে আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু সরঞ্জাম, মাইক্রোস্কোপ ইত্যাদি দিয়ে কীভাবে কী করা যেতে পারে, কীভাবে চালানো যাবে, কেন বিজ্ঞানবাড়ি করা হচ্ছে সেগুলো জানিয়ে-বুঝিয়ে, শুরু করে দিয়ে আসবো।

আগামীর লক্ষ্যে সম্পর্কে তিনি জানালেন, “আপাতত ইচ্ছে, অন্তত বছর দুয়েকের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলা একটা করে বিজ্ঞানবাড়ি যদি তৈরি যায়। সেটা দেখে সেই জেলার অন্যান্য বিজ্ঞানসচেতন মানুষ আবার নিজেদের মতো করে কিছু করলো। নিজের পাড়ায় বিজ্ঞানবাড়ি ধারণাটা তৈরি করা।"
আজও সমাজের একটা বৃহৎ অংশের ধারণা বিজ্ঞান বড়ো কঠিন জিনিস। তার থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। যুগে যুগে এ ধারণা চলে আসছে। বিজ্ঞানকে তৃণমূলস্তরে এখনও সর্বান্তকরণে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। সেই কাজে ব্রতী হয়েছেন বিজ্ঞানবাড়ির কাণ্ডারিরা। কেবল উন্নতমানের আধুনিক মিউজিয়াম নয়, একটি মাটির বাড়িতে বসেও শিশু মনে বিজ্ঞানের আগ্রহ তৈরি করা সম্ভব, হাতেকলমে ভীতিহীন বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব। ছক ভেঙে সেই বার্তা দিচ্ছে পলাশপাই, কোলবুং, উত্তরদেবীপুরের বিজ্ঞানবাড়ি। বিজ্ঞানবাড়ির নেতৃত্বে সমস্ত রকম প্রান্তিকতার বেড়াজাল ছেড়ে ছড়িয়ে পড়ুক বিজ্ঞানচেতনা।