এই পুজোয় কলাবউ অধিস্থান করেন কার্তিকের পাশে
কাটোয়া এলাকায় সুদপুর গ্রামের ভট্টাচার্য বাড়ির দুর্গাপুজোয় কলাবউ গনেশের পাশে থাকেন না, কার্তিকের পাশে অবস্থান করেন। ঘোড়ার আদলে সিংহের মুখ গড়ে তোলা হয় এখানে।
দিনাজপুর থেকে কাটোয়ায় এসে ১২০৭ বঙ্গাব্দে এই পুজোর সূচনা করেছিলেন কার্তিকচন্দ্র ভট্টাচার্য ন্যায়ালঙ্কার। মুঘল সুবাহদার শায়েস্তা খাঁর সভায় তিনি পণ্ডিত ছিলেন। তাঁকে সুদপুর, রাধাকৃষ্ণপুর, কল্যাণবাটি ও বনকাটি নামের চারটে মৌজা পত্তনি দিয়েছিলেন শায়েস্তা খাঁ। কার্তিকচন্দ্র ভট্টাচার্য সুদপুরে এসে নিজের চতুষ্পাঠী চালু করেছিলেন।
সারা বছর ভট্টাচার্য পরিবার অষ্টধাতুর সিংহবাহিনী মূর্তিকে ভক্তিভরে পুজো করে থাকে। শারদীয়া দুর্গাপুজোয় এই বাড়ির প্রতিমায় মহিষাসুর হয়ে ওঠে বন্ধ্যা জমির প্রতীক। দেবী দুর্গা সেই অসুরকে বধ করে শস্যক্ষেত্রকে করে তোলেন শস্যশ্যামলা। অশ্বের ক্ষমতা আর সিংহের বিক্রম পুঞ্জীভূত হয় মাটির উর্বরাশক্তিতে। দেবী দুর্গা সেই উর্বরতার প্রতীক।