মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় ও ইন্দ্রনীল সেনের উদ্যোগে চন্দননগর বিধানসভায় ‘দুয়ারে ভ্যাকসিন’

কর্মসূচিতে ১০০০-এর বেশি জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে

ফরাসীদের উপনিবেশ, তাই ফরাসডাঙা। সেখান থেকে চন্দননগর৷ বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শহর। এখানে মানুষে মানুষে বিভাজন নেই। এই কঠিন সময়ে চন্দননগর তাই দিশা দেখাচ্ছে। আর এই দিশার অন্যতম কাণ্ডারী চন্দননগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের তথ্য-সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন।

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এবং বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের উদ্যোগে ও চন্দননগর পৌরনিগমের সহযোগিতায় চন্দননগর বিধানসভায় ৮০ ঊর্দ্ধ প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ‘দুয়ারে ভ্যাকসিন’। সূত্র মারফত জানা গেছে, চন্দননগরের প্রায় সকল প্রবীণ নাগরিক এই কর্মসূচির সুবিধা পেয়েছেন। মন্ত্রী নিজে উদ্যোগ নিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত করেছেন বলেও জানানো হয়েছে।এই কর্মসূচিতে নজর কেড়েছে চন্দননগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ১০৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে টিকা দানের জন্য। তাঁর বাড়িতে গিয়েই টিকা দেওয়া হয়। প্রবীণ এই টিকাপ্রাপকের নাম হেমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। এলাকাবাসীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “এই ভাবেই সফলভাবে সুন্দর ও সুস্থ হয়ে এগিয়ে যাক পিতৃ ও মাতৃতুল্য সকল প্রবীণ নাগরিকরা। সুস্থতার পথে হাত বাড়ানো থাকুক ইন্দ্রনীল সেন মহাশয়ের মতো উদার মানুষের। সবার উপরে থাকুক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণা ও স্নেহপরায়ণ দৃষ্টি।”লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে হয়তো অনেককেই শুনতে হয়েছে, ভ্যাকসিন শেষ হয়ে গিয়েছে বা নো ভ্যাকসিন। সেখানে দুয়ারে ভ্যাকসিন পৌঁছানোর এই কর্মসূচিতে সাধারণ প্রবীণ মানুষরা খুবই উপকৃত হয়েছেন। ইন্দ্রনীল সেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচিতে বিধানসভা এলাকায় ১০০০-এরও বেশি মানুষকে ভ্যাকসিন (প্রথম ডোজ) দেওয়া হয়েছে।কর্মসূচি চলেছে ১৩ জুন থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত। শুধুমাত্র দুয়ারে ভ্যাকসিন নয়, সারাবছর এরকম অজস্র কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন। বাংলা হাসছে। হাসছে চন্দননগরও। কঠিন সময়ে এমন উপকারে এলাকাবাসীরা তাঁদের বিধায়কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

Developed by DXDasia