
বিশ্বব্যাপী বাঙালি ব্যবসায়ীদের একজোট করার উদ্যোগ
সফল বাঙালি ব্যবসায়ী বা উদ্যোগপতির সংখ্যা নেহাত কম নয়। কয়েক বছর আগে রাজ্যের বাঙালি শিল্পপতিদের একত্র করে পথচলা শুরু করেছিল বেঙ্গল বিজনেস কাউন্সিল অর্থাৎ বঙ্গীয় বাণিজ্য পরিষদ। উদ্দেশ্য, বাঙালিকে ব্যবসায় মনোনিবেশ করানো সেই সঙ্গে নবপ্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করা। মোট কথা, বাণিজ্যে বাংলা ও বাঙালির গরিমা অক্ষুণ্ণ রাখা। এ বছর গত রবিরার, ২৭ জুলাই, বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বসেছিল বেঙ্গল বিজনেস কাউন্সিলের বার্ষিক অধিবেশন। এক ছাদের তলায় এসেছিলেন বাংলার তাবড় সব ব্যবসায়ীরা।

উদ্দেশ্য, বাঙালিকে ব্যবসায় মনোনিবেশ করানো সেই সঙ্গে নবপ্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করা। মোট কথা, বাণিজ্যে বাংলা ও বাঙালির গরিমা অক্ষুণ্ণ রাখা।
এদিন অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। যিনি নিজেও এখন সফল ব্যবসায়ী হওয়ার দিকে পা বাড়িয়েছেন। তাঁর কথায়, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের জন্য পরিশ্রমের যে কোনও বিকল্প নেই। ছোটো থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বড়ো লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। যত কঠোর পরিশ্রম দেওয়া হবে ততই অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে। এবারের অধিবেশনের মূল বক্তা ছিলেন, রাজ্য ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকার। বাংলায় ব্যবসার ভবিষ্যৎ এবং তার সঙ্গে স্বদেশি জিনিসপত্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
এছাড়া, নতুন শিল্পপতিদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বক্তব্য রাখেন জর্জ টেলিগ্রাফের সুব্রত দত্ত থেকে শুরু করে মহেন্দ্র দত্ত অ্যান্ড সন্স-এর শুভাশিস দত্তের মতো অভিজ্ঞরা। ব্যবসায়ী পরিবারের নতুন প্রজন্মের তিনজনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়, যাঁরা আগামী দিনে পারিবারিক ব্যবসায় আসার বিষয়ে উৎসাহ পাবেন। এছাড়াও দু’টি পৃথক আলোচনাসভা ছিল। স্বাস্থ্য পরিষেবা ও রসনার একাল-সেকাল এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বাংলার প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা। জীবনকৃতি সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে কুকমি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর অতনু দত্তকে। তিনি যেভাবে এই ব্র্যান্ডকে দশকের পর দশক এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন এবং এরাজ্যে নতুন কারখানা খুলে পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেই কৃতিত্বকেই সম্মান জানানো হয়েছে।
