
সংসৃতি প্রযোজিত ‘সওদাগরের নৌকা’ একটি সম্ভাবনার জন্ম দেয় বারবার
অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূল নাটকের একটা বড়ো সমস্যা হল, একজন বৃদ্ধকে নিরন্তর ঠেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সময়ের আবর্জনার দিকে। সেখানে একজন যাত্রাশিল্পীর সংকট ততটা গভীরভাবে ধরা দেয় না। অবশ্যই এর কারণ হতে পারে অজিতেশ যখন নাটকটি লিখেছিলেন তখনও পশ্চিমবাংলায় যাত্রাপালার একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। নির্দেশক দেবেশ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদক হিসাবে নাটকটি বর্তমান সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পেরেছেন। এখানেই বারবার দর্শক এই প্রযোজনাটির কাছে ফিরে ফিরে যান।
সংসৃতি প্রযোজিত ‘সওদাগরের নৌকা’ একটি সম্ভাবনার জন্ম দেয়। বারবার ফিরে যেতে হয় দেবশংকর হালদার, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, সুজন মুখপাধ্যায়ের অনবদ্য অভিনয়ের কাছে। এছাড়াও সুমিত চক্রবর্তীর আলো, দেবজ্যোতি মিশ্রর আবহ সংগীত, সঞ্চায়ন ঘোষের মঞ্চ, পিয়াল ভট্টাচার্যের নৃত্যবিন্যাস এবং মহম্মদ আলী’র রূপসজ্জা কার্যকরভাবে একত্রিত হয় নির্দেশক/পরিকল্পক-এর ভাবনাকে মূর্ত করতে। এবং সবশেষে নাটকের নির্দেশক দেবেশ চট্টোপাধ্যায়ের কথা বলতেই হয়। কারণ তিনি বাংলা নাটকের গতিটাকেই সম্পূর্ণ নিজের দক্ষতায় পাল্টে ফেলেছেন অনেকখানি। একটি প্রযোজনা হয়ে উঠেছে অনেক বেশি স্মার্ট। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার অনেকদিন পর মঞ্চে ফিরছে সংসৃতি প্রযোজিত নাটক সওদাগরের নৌকা। দুপুর ৩টেয়, আকাদেমি অফ ফাইন আর্টস।
