
ভূতের ভবিষ্যৎ : হাসির মোড়কে নির্মম রাজনৈতিক রূপক
বাঙালির নস্টালজিয়া আর মননশীলতার এক আশ্চর্য মিলনক্ষেত্র কলকাতা। এই শহরের অলিগলিতে যেমন ইতিহাস ফিসফিস করে, তেমনই এর পুরোনো বাড়িগুলোর চুনকাম খসা দেওয়ালে লেগে থাকে এক-একটা যুগের দীর্ঘশ্বাস। একবিংশ শতাব্দীতে সেইসব পুরোনো বাড়িগুলোই কর্পোরেট দুনিয়ার এক নতুন হাতছানি। এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হাতিয়ার তৈরি করতে একটা ম্যাজিক তৈরি করেছিলেন পরিচালক অনীক দত্ত, ২০১২ সালে। হাস্যরসের মোড়কে প্রবলভাবে রাজনৈতিক ও স্যাটায়ার সেই ম্যাজিকের নাম ভূতের ভবিষ্যৎ (Bhooter Bhabishyat)।
তামিল বা হিন্দি ছবির অন্ধ অনুকরণে তৈরি হওয়া সস্তা চটুলতা আর বি-গ্রেড কমেডির অবক্ষয় থেকে বাংলা ছবিকে মুক্ত করতে পেরেছিলেন অনীক দত্ত। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বক্সঅফিস সফল শুধু ‘কাল্ট’ তকমা ধরে রাখাই নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ আজও তীক্ষ্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক স্যাটায়ারের মাইলফলক।

বৈচিত্র্যময় ভূতেদের সহাবস্থান আসলে ভারতের বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতিরই এক রাজনৈতিক রূপক। পরিচালক এখানে সুকৌশলে মানুষের সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ভূতেদের অনেক বেশি ‘মানবিক’ ও ‘একতাবদ্ধ জীব’ হিসেবে দেখিয়েছেন।
গল্পের প্রেক্ষাপট কলকাতার এক কাল্পনিক, জরাজীর্ণ, ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি— চৌধুরী প্যালেস। আধুনিক নগরায়ণ ও রিয়েল এস্টেটের সীমাহীন লোভের মুখে আজ এই শহরের হেরিটেজ বিপন্ন। মানুষ তো বটেই, এমনকি মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে চরম আবাসন সংকটে ভুগছে এ শহরের ভিন্ন ভিন্ন যুগ থেকে আসা বাস্তুচ্যুত ভূতেরাও। যখন লুম্পেন বুর্জোয়া তথা মারওয়াড়ি প্রোমোটার গণেশ ভূতোরিয়া, তার চামচা টিকে গুছাইত ও সুবিধাবাদী লোকাল নেতা প্রমোদ প্রধান ওরফে পোঁদ প্রধানকে নিয়ে এই চৌধুরী প্যালেস ভেঙে শপিং মল বানাতে আসে, তখনই শুরু হয় আসল লড়াই— মানুষের সঙ্গে ভূতেদের লড়াই। নিজেদের অস্তিত্ব ও ঐতিহ্য রক্ষায় জোট বাঁধে একদল ভূত।
গল্পের এই মূল প্লটটি ফ্রেমে আবদ্ধ হয়েছে তরুণ বিজ্ঞাপন নির্মাতা অয়ন সেনগুপ্তের ক্যামেরার চোখে। ওই বাড়িতে সিনেমার লোকেশন দেখতে এসে সে এক অদ্ভুত রহস্যময় কথকের মুখোমুখি হয়, যে তাকে শোনায় এই বাস্তুচ্যুত ভূতেদের লড়াইয়ের ইতিহাস। পরিচালক অনীক দত্ত এই রাজবাড়িটিকে কেবল একটি শ্যুটিং লোকেশন বা ভুতুড়ে আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করেননি; গথিক ঘরানার বিশাল দুর্গের মতো এই বাড়িটি আসলে অতীতের ক্ষয়ে যাওয়া রূপক, যার দুর্দশার সঙ্গে এখানকার বাসিন্দাদের নিয়তি সমান্তরালে হেঁটেছে। ধুলোর পুরু আস্তরণে ঢাকা অ্যান্টিক জিনিস, মাকড়সার জালে ঘেরা পরিত্যক্ত রাজপ্রাসাদ, অন্ধকার সিঁড়ি-ঘর আর লম্বা নিঝুম বারান্দা—সব মিলিয়ে তৈরি হয় ভুতুরে আবহ।

‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির সবচেয়ে বড়ো শক্তি চরিত্র বিন্যাস ও কাস্টিং। পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং সুমিত সমাদ্দারের মতো অভিনেতাদের অভিনয়ের যুগলবন্দি ছবিটিকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এখানে প্রতিটি চরিত্র তৎকালীন সমাজ, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক একটি প্রতীকী লেগ্যাসি, এককথায় বলা যায় ‘মিনি ইন্ডিয়া:
• দর্পনারায়ণ চৌধুরী: চৌধুরী প্যালেসের আদি মালিক, যিনি বনেদিয়ানা ও সামন্ততান্ত্রিক অহংকারের প্রতীক। ঊনবিংশ শতাব্দীর এই জমিদার আজও নিচু জাতের আত্মারামকে আলাদা চোখে দেখেন, যা সামাজিক বিভেদের এক চমৎকার দলিল।
• বিপ্লব দাশগুপ্ত: আজীবন মার্ক্সবাদী ও বামপন্থী বুদ্ধিজীবী ভূত। যাঁর সংলাপে তৎকালীন বাংলার ক্ষয়িষ্ণু বামপন্থী ঘরানার তাত্ত্বিক শব্দাবলি ও পলিটিক্যাল পরিহাস ক্ষুরধার হয়ে উঠেছে।
• ভূতনাথ ভাদুড়ি: ১৯৪৭-এর দেশভাগের যন্ত্রণা বুকে নিয়ে ওপার বাংলা থেকে আসা উদ্বাস্তু, যার কাছে আজও পদ্মার ইলিশ আর বাঙাল-ঘটি দ্বন্দ্বটাই পরম সত্য।
• খাজা খান: সিরাজ-উদ-দৌল্লার আমলের রাজবাবুর্চি মফিজুল মিঞা ওরফে খাজা খান।
• কদলীবালা: ১৯৪০-এর দশকের অতৃপ্ত নায়িকা কদলীবালা গ্ল্যামার ও একাকীত্বের ট্র্যাজিক মিশ্রণ। যিনি একটি ব্যর্থ প্রেমের পর আত্মহত্যা করেছিলেন।
• পাবলো: আধুনিক যুগের প্রতিনিধি, রক ব্যান্ডের পপ গায়ক, যে ড্রাগ ওভারডোজের শিকার হয়ে এই দলে যুক্ত হয়েছে।
• স্যার ডোনাল্ড র্যামজি: একজন ইংরেজের ভূত এবং বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদকারী সশস্ত্র বিপ্লবীদের হাতে নিহত হন।
• কোয়েল ধর: শিল্পপতির মেয়ের প্রেতাত্মা। বাবার অনুমতি না পেয়ে তার ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে না পেরে আত্মহত্যা করে।
• হাতকাটা কার্তিক: যাকে তার শিষ্য ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করেছিল।
• যুধাজিৎ সরকার: কারগিল যুদ্ধে নিহত সেনা কর্মকর্তা।

এই বৈচিত্র্যময় ভূতেদের সহাবস্থান আসলে ভারতের বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতিরই এক রাজনৈতিক রূপক। পরিচালক এখানে সুকৌশলে মানুষের সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ভূতেদের অনেক বেশি ‘মানবিক’ ও ‘একতাবদ্ধ জীব’ হিসেবে দেখিয়েছেন।
ক্যামেরা ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে একটি চমৎকার কৌশল লক্ষ্য করা যায় ভূতের ভবিষ্যতে—যখনই কোনো নতুন ভূতের অতীত বা ফ্ল্যাশব্যাকে যাওয়া হয়েছে, তখনই ছবির কালার টোন ও ফিল্টারে এসেছে আমূল পরিবর্তন। দর্পনারায়ণকে আমরা দেখি সেপিয়া টোনে, কদলীবালাকে সাদা-কালো ফ্রেমে। পাশাপাশি, রাজা নারায়ণ দেবের আবহ সংগীত নিঃসন্দেহে আমাদের সত্যজিৎ রায়ের ‘গুপী গায়েন বাঘা বায়েন’-এর ভূতের রাজার আবহকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
ভূতের ভবিষ্যতে পরিচালক অনীক দত্ত কোনো উপাদানই বাদ দেননি—ড্রামা, ইমোশন, চল্লিশের দশকের নস্টালজিক সুর, বাংলা ব্যান্ডের গান কিংবা আইটেম ডান্স—সবই মজুত। তবে ছবির আসল মোচড়টি লুকিয়ে আছে শেষ টুইস্টে। একদম শেষে যখন উন্মোচিত হয় যে স্বয়ং কথক নিজেই একজন ভূত এবং এই পুরো গল্পটাই একটি চিত্রনাট্যের অংশ, যা প্রোমোটারের থেকে উদ্ধার করা কালো টাকা দিয়ে ভূতেরাই অর্থায়ন করে সিনেমা বানাচ্ছে, এবং এখানেই ফিকশন ও রিয়্যালিটির সীমারেখা মুছে যায়। সিনেমা হয়ে ওঠে পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে পুঁজিবাদেরই অস্ত্র (টাকা) ব্যবহার করে লড়াই জেতার এক অভিনব রূপক। যেমনটা অয়নকে গল্প বলার সময় বিপ্লব দাশগুপ্ত বলেন, “আমার এই গল্পটাতে অনেকগুলো স্তর আছে; এবং যথেষ্ট মাল মশলাও আছে। ক্রাইম, প্যাশন, থ্রিল, প্রেম, নাচা গানা…”।
“কলকাতার পরিত্যক্ত বাড়িগুলো ছিল ভূতেদের ডিপো। কিছু বিখ্যাত, যেমন গাস্টিং প্লেসের পুরোনো আকাশবাণীর দপ্তর, ন্যাশনাল লাইব্রেরি ইত্যাদি। আরও বেশ কিছু পুরোনো পরিত্যক্ত বাড়ি ছিল রীতিমতো ভূতেদের আড্ডা। সেই ভূতেদের আজ ঘোর ক্রাইসিস। আজ তারা বাস্তুহারা। ক্রমাগত উচ্ছেদ হতে হতে এক ভূতের বাড়ি ছেড়ে আরেক ভূতের বাড়িতে আশ্রয় নিতে হচ্ছে তাদের। …ভূত সমাজের এই দুর্দিনে কারোর কোনো হেলদোল নেই। সরকার এদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে না, নেই কোনো আন্দোলন, অনশন, ধর্না, মোর্চা-মঞ্চ। বুদ্ধিজীবীরাও মৌন। মৌন মিছিল, ক্যান্ডেল লাইট মিছিল কিছুই হচ্ছে না। রুলিং পার্টি-অপোজিশন, আমরা-ওরা, সুশীল সমাজ-বিদ্বজ্জন, সবাই উদাসীন, নিরুত্তাপ। মিডিয়ারও কোনো মাথাব্যথা নেই। কারণ? মিডিয়ার উপর টিআরপি নির্ভর করে না। কারণ ওরা কনজিউমার নয়, ভোটার নয়…।” —২০১২ সালে লেখা এই সংলাপ নিছক কেবল ফাজলামো নয়, আজকের পলিটিক্যাল ন্যারেটিভের ক্ষেত্রেও সত্যি, বরং একমাত্র সত্যি। ভূতের ভবিষ্যতের ভূত আসলে আমাদের মতো হতাশাগ্রস্ত মানুষেরই প্রতিনিধি। ভূতেদের কথা আসলে আমাদেরই কথা।

বিপ্লব দাশগুপ্তের সংলাপ, “ওরা চাইছে হিস্ট্রিটাকে জিওগ্রাফি বানিয়ে দিতে, আর আমরা চাইছি হিস্ট্রিটাকে হিস্ট্রিই রাখতে।” এখানে ‘জিওগ্রাফি’ বলতে বোঝানো হয়েছে আধুনিক নগরায়ন ও পুঁজিবাদের সেই আগ্রাসনকে, যা ল্যান্ডস্কেপের পরিবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে মুছে দিতে চায়। আর ‘হিস্ট্রি’ হলো একটি জাতির যৌথ স্মৃতি।
বাংলা ভাষার অনুপ্রাস, যমক অলংকার, অন্ত্যমিল, দ্ব্যর্থবোধক শব্দ বাংলা ছবিতে আজও খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সেখানে অনীক দত্তের এই ছবিতে চেনা সংলাপের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমুদে মেজাজ ও নির্মম বাস্তব। সংলাপগুলো কেবল হাসির খোরাক নয়, সমকালীন সমাজ ও রাজনীতির এক একটি ধারালো ধারাবিবরণী, যার গভীর রূপক বিশ্লেষণ করলে পরিচালকের আসল উদ্দেশ্যটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যেমন বিপ্লব দাশগুপ্তের সংলাপ, “ওরা চাইছে হিস্ট্রিটাকে জিওগ্রাফি বানিয়ে দিতে, আর আমরা চাইছি হিস্ট্রিটাকে হিস্ট্রিই রাখতে।” এখানে ‘জিওগ্রাফি’ বলতে বোঝানো হয়েছে আধুনিক নগরায়ন ও পুঁজিবাদের সেই আগ্রাসনকে, যা ল্যান্ডস্কেপের পরিবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে মুছে দিতে চায়। আর ‘হিস্ট্রি’ হলো একটি জাতির যৌথ স্মৃতি। অন্যদিকে দর্পনারায়ণ চৌধুরী ধমক দিয়ে বলেন, “আমরা উচ্ছেদ হতে পারি, কিন্তু ভূতপূর্ব হতে রাজি নই।” এই ‘ভূতপূর্ব’ শব্দের দ্ব্যর্থবোধক রূপকটি চমৎকার। তারা ভূত হয়েও নিজেদের অস্তিত্ব ও আত্মসম্মান বিসর্জন দিতে রাজি নয়। যেখানে জীবন্ত মানুষ আজ টাকার লোভে নিজেদের অতীত ও ঐতিহ্যকে ভুলে ইতিহাস-বিচ্ছিন্ন জীবে পরিণত হচ্ছে। প্রমোদ প্রধানের সংলাপ, “আরে কালচার-ফালচার দিয়ে কি পেট ভরে? আসল হলো ডেভলপমেন্ট।” এ তো বর্তমান সময়ের সুবিধাবাদী রাজনৈতিক স্লোগানের এক নিখুঁত রূপক, যেখানে উন্নয়নের আড়ালে রয়েছে একগুচ্ছ জঞ্জাল আর দেউলিয়া মানসিকতা।
২০০০-এর মাঝামাঝি থেকে ২০১০ সালের সময়টা ছিল বাংলা সিনেমার এক চরম অবক্ষয়ের যুগ। অপর্ণা সেন, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, ঋতুপর্ণ ঘোষ, গৌতম ঘোষ ছবি বানালেও সিনেমাহল বিমুখ হয়ে গিয়েছিলেন তৎকালীন বাঙালি। খরা কাটিয়ে ২০১২ সালে মুক্তি পায় ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’। তার চোখজুড়োনো ফ্রেম আর মার্জিত-বুদ্ধিদীপ্ত ভাষার জোরে বাংলা ছবিকে যোগায় নতুন অক্সিজেন। হইহই করে বাঙালি আবার ছোটে সিনেমাহলে।
‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির কেন্দ্রে ভূতের গল্প থাকলেও, এটি প্রচলিত ভূতের সিনেমা থেকে আলোকবর্ষ দূরে। এখানে ৩৬০ ডিগ্রি ঘাড় ঘোরানো নেটফ্লিক্স-টোকা প্রেতাত্মা নেই, নেই চোখেমুখে শয়তানি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো কোনো নিষ্পাপ শিশু। এটি এমন ছবিও নয় যে মেরুদণ্ড বেয়ে বইয়ে যাবে হিমস্রোত। ভূতের ভবিষ্যৎ আমাদের হেসে খুন করতে বাধ্য করে বারবার। এ-ছবি একাধিকবার দেখলেও সংলাপগুলি আরও তীব্র ও জীবন্ত হয়ে ওঠে।

খুঁতখুঁতে চরিত্রায়ণ, ক্ষুরধার সংলাপ আর সচেতনভাবে অতিরঞ্জিত অভিনয়ের মেলবন্ধনে অনীক দত্ত যেন একহাত নিয়েছিলেন অতীত আঁকড়ে বেঁচে থাকা গড়পড়তা বাঙালির স্বভাবকে; একই সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন কলকাতার উত্তাল ইতিহাসকেও। ‘চৌধুরী ম্যানশন’ এখানে সেই গোটা বাংলারই রূপক—যা আজও পুরোনো স্মৃতির গোলকধাঁধায় বন্দি, যা ঐতিহ্য মুছে ফেলতে চাওয়া নির্মম বর্তমানের সঙ্গে মানিয়ে নিতে প্রতিনিয়ত লড়ছে।
____________
ছবি: ভূতের ভবিষ্যৎ | গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: অনীক দত্ত | প্রযোজনা: সত্য ফিল্মস, মোজো প্রোডাকশনস | চিত্রগ্রহণ: অভীক মুখোপাধ্যায় | সম্পাদনা: অর্ঘ্যকমল মিত্র | সংগীত: রাজা নারায়ণ দেব | মুক্তি: ১৬ মার্চ, ২০১২ | বক্সঅফিস: ৩ কোটি (১০০ দিনের হিসেবে)
