
সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ
শিলিগুড়ির ‘সানডে হাটে' সস্তায় জৈব স্ট্রবেরি পাওয়া যাবে এবার থেকে। এতদিন সেখানে জৈব সারে উৎপাদিত শাকসব্জি, নানা ধরনের হস্তশিল্প বিক্রি হয়ে এসেছে। এই প্রথমবার লাল টুকটুকে স্ট্রবেরি আর স্ট্রবেরি দিয়ে তৈরি জিভে জল আনা পুডিং, সন্দেশ, কেক, জেলি, চকলেট স্থান পেল সেই হাটে।
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজ্য সরকারের কৃষি, উদ্যানপালন দপ্তর আর বন উন্নয়ন নিগমের তরফ থেকে কৃষকদের গত দু’দশক ধরে জৈব চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা ধান, গম, ডাল, শাকসব্জি এখন সহজেই পাওয়া যায় উত্তরবঙ্গে। তারপর ২৭ জানুয়ারি রাজ্যে প্রথম শিলিগুড়িতে চালু হয় অর্গানিক হাট। প্রতি রবিবার চার্চ রোডে ওই ‘সানডে হাট’ বসে। তখন ৬টি কাউন্টার দিয়ে শুরু হলেও এখন ৩০টি স্টল আছে সেখানে। পাহাড়ের প্রত্যন্ত এলাকার দুধ, ঘি, আর নানান ধরনের ফল পাওয়া যায় হাটে। এখন স্ট্রবেরির মরসুম চলছে। তাই ৬০-৭০ জন স্ট্রবেরি চাষির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন উদ্যোক্তারা। যার ফলে, হাটে এবার স্ট্রবেরি নিয়ে বিক্রেতারা হাজির ছিলেন। স্ট্রবেরির প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরাও ছিলেন এবারের হাটে। উদ্যোক্তাদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতে এই ধরনের উদ্যোগ এবারই প্রথম।
ষোলো-সতেরো বছর আগে কালিম্পং-এর সুনতালে খোলায় প্রথম শুরু হয়েছিল স্ট্রবেরির চাষ। এখন তার ফলন এতই বেড়ে গেছে যে বাজারের চাহিদার থেকেই স্ট্রবেরি উৎপাদন হচ্ছে বেশি। উদ্বৃত্ত স্ট্রবেরি কাজে লাগছে ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্ট্রবেরি প্রক্রিয়াকরণে। স্ট্রবেরিজাত নানা রকম খাবারেরও চাহিদা রয়েছে প্রচুর।
