
বৃষ্টিতে ঝরে পড়া কাঁচা আমে বাজার ছেয়ে গেছে, দামও সস্তা
চৈত্রের ঝড়ে আম কুড়ানোর যে নির্ভেজাল আনন্দ, তা আজ বিরল। তাছাড়া, ক্রমাগত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চৈত্র মাসে ঝড়-বৃষ্টি হবেই, এ সম্ভাবনাও দিন দিন কমে আসছে। তবে, এই চৈত্রে প্রকৃতিকে খানিকটা হলেও তার নিজ ছন্দে ধরা গেছে। কালবৈশাখী না হোক, সারা বাংলা জুড়ে ভালো রকম ঝড়-বৃষ্টির ফলে চৈত্রের ঠা-ঠা গরমে সাময়িক স্বস্তি পেল বঙ্গবাসী। বৃষ্টিতে ঝরে পড়া কাঁচা আমে বাজার ছেয়ে গেছে। দামও সস্তা। ঠিক এই সময় থেকেই শুরু হয়ে যায় বাঙালির আমপার্বন। বোশেখ-জষ্ঠির ভ্যাপসা গরমকে বুড়ো আঙুল দেখাতে কোমর বেঁধে তৈরি হচ্ছে আম-বাঙালি। পাকা হোক বা কাঁচা— গরমের সঙ্গে আমের হৃদ্যতা গড়ে তুলেছে সেই বাঙালিই। দৈনন্দিন আমিষ-নিরামিষ রান্নাতেও সে আমকে আমদানি করেছে নিখুঁত ভাবে। বঙ্গদর্শনের খাবার ঘরে সেরকমই একটি পদের খোঁজ রইল আজ।
আম-মুরগির ঝোল

উপকরণ
চিকেন: ৫০০ গ্রাম
কাঁচা আম: ৫-৬ টুকরো
সর্ষের তেল: ৩ টেবল চামচ
পেঁয়াজবাটা: ২ টেবল চামচ
আদাবাটা: ১ চা চামচ
রসুনবাটা: ১ চা চামচ
কাঁচালঙ্কাবাটা: ১ টেবল চামচ
হলুদগুঁড়ো: ১ চা চামচ
জিরেগুঁড়ো: ১/২ চা চামচ
লঙ্কাগুঁড়ো: ১/২ চা চামচ
তেজপাতা: ২ টো
সাদা জিরে: ১/২ চা চামচ
শুকনোলঙ্কা: ১ টা
ধনেপাতাকুচি: ১ টেবল চামচ
নুন ও চিনি: স্বাদমতো
আরও পড়ুন: পদ্মা পাড়ের হেঁশেলে গোপন মাংসের কাহিনি

যে ভাবে বানাবেনঃ
হলুদগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, কাঁচালঙ্কাবাটা, আদাবাটা, পেঁয়াজবাটা ও রসুনবাটা দিয়ে ভাল করে মাংস মাখিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। ঘণ্টাখানেক পর ফ্রিজ থেকে বার করুন। তার পরে কড়াইতে তেল দিন। তেল গরম হলে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা ও সাদা জিরে ফোড়ন দিন। এরপর মাখিয়ে রাখা মাংসটা তার মধ্যে দিয়ে ভাল করে কষুন। কষা হয়ে গেলে অল্প জল দিন। তার পর খানিকক্ষণ চাপা দিয়ে আর একটু কষুন। মাংস খানিক সিদ্ধ হয়ে গেলে তাতে কাঁচা আমের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। তার পর আবার কিছুক্ষণ চাপা দিয়ে রাখুন। মাখোমাখো হয়ে এলে নামিয়ে নিন। উপরে ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। এই মরসুমে মন ডুবিয়ে দিন আম-মুরগির ঝোলে।
