বন্যপ্রাণীর খাদ্যভাণ্ডার, স্থানীয়দের কর্মসংস্থান : গরুমারা-জলদাপাড়ায় সবুজ উদ্যোগ

৩৮০ হেক্টর জমিতে চলছে ঘাস রোপণের কাজ

স্থানীয় কর্মসংস্থান তৈরিতে নজির গড়েছে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ। এই বছরের জানুয়ারি মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত, টানা আট মাস ধরে তৈরি হয়েছে ১ লক্ষ ৫ হাজার কর্মদিবস। জাতীয় উদ্যানে তৃণভোজিদের খাদ্যের সংস্থান করতে গিয়েই তৈরি হয়েছে এই বিপুল কর্মসংস্থান। শুধু জলদাপাড়া নয়, এহেন উদ্যোগে সামিল হয়েছে গরুমারা জাতীয় উদ্যানও। এখানে সৃষ্টি হয়েছে ২৫ হাজার কর্মদিবস।

জঙ্গল লাগোয়া বনবস্তির বাসিন্দাদের ওই ঘাস লাগানোর কাজে নিযোগ করা হয়েছে। যাঁদের বেশিরভাগই মহিলা। বন্যপ্রাণীদের বিচরণ ক্ষেত্র জঙ্গলের অনেক দুর্গম এলাকাতেও বাড়ানো হচ্ছে ঘাসজমি।

বন্যপ্রাণীর খাদ্যভাণ্ডার ও স্থানীয়দের কর্মসংস্থান, এই দুই লক্ষ্য নিয়ে জলদাপাড়ায় ৩০০ হেক্টর জমিতে এবং গোরুমারায় ৮০ হেক্টর জমিতে চলছে ঘাস রোপণের কাজ। ঢেড্ডা, চেপ্টি, পুরুন্ডি, মালসা সহ ১২ প্রজাতির ঘাস লাগানো হচ্ছে। এই সমস্ত ঘাস তৃণভোজী বন্যপ্রাণীদের অত্যন্ত পছন্দের। তৃণভূমি বৃদ্ধির ফলে একদিকে যেমন জঙ্গলে হাতি, গন্ডারের খাবারের চাহিদা মিটবে ও লোকালয়ে বেরিয়ে আসার প্রবণতা কমবে, তেমনই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে।

 

জঙ্গল লাগোয়া বনবস্তির বাসিন্দাদের ওই ঘাস লাগানোর কাজে নিযোগ করা হয়েছে। যাঁদের বেশিরভাগই মহিলা। বন্যপ্রাণীদের বিচরণ ক্ষেত্র জঙ্গলের অনেক দুর্গম এলাকাতেও বাড়ানো হচ্ছে ঘাসজমি। ঝোরা, নদী পেরিয়ে যেতে হয় সেখানে। ফলে কুনকি হাতিদের পিঠে করে শ্রমিকদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গরুমারার ডিএফও।
 

Developed by DXDasia