পর্যটকদের জন্য দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের উপহার
বছরের অন্যান্য সময় তো বটেই, পুজোর সময় পাহাড়ে যাওয়ার অভ্যেস বাঙালিরা এখনও টিকিয়ে রেখেছে। এক্ষেত্রে তালিকার শীর্ষেই থাকে পাহাড়ের রানি, দার্জিলিং। কিন্তু যাঁরা পুজোয় অথবা তারপরে দার্জিলিং যাওয়ার কথা ভাবছেন, তাঁরা কি জানেন দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অভিনব তিনটি টয় ট্রেন পরিষেবা সম্বন্ধে?
এবছর ৪ জুলাই টয় ট্রেনের ১৪৪তম জন্মবর্ষে, এই প্রথম বার ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ শিরোপা পাওয়া দার্জিলিং হিমালয়ান রেল (ডিএইচআর) এবং নর্থ বেঙ্গল পেন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে টয় ট্রেন দিবস পালিত হয়। তখনই খুশির খবর দিয়েছিল দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। তিনটি অভিনব টয়ট্রেন পরিষেবার মধ্যে একটি ‘চা ট্রেন’। অন্য দুটির একটি হারিয়ে যেতে বসা ‘স্টিম ইঞ্জিন’ এবং অন্যটি ‘কার্শিয়াং মহানদী সানরাইজ স্পেশাল সার্ভিস’। প্রতি শনিবার ও রবিবার চা ট্রেন চলবে। একই দিনে চলবে স্টিম ইঞ্জিন। রবিবার করে চলবে ‘কার্শিয়াং মহানদী সানরাইজ স্পেশাল সার্ভিস’।
এবছর ৪ জুলাই টয় ট্রেনের ১৪৪তম জন্মবর্ষে, এই প্রথম বার ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ শিরোপা পাওয়া দার্জিলিং হিমালয়ান রেল (ডিএইচআর) এবং নর্থ বেঙ্গল পেন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে টয় ট্রেন দিবস পালিত হয়। তখনই খুশির খবর দিয়েছিল দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে।
জানা যাচ্ছে, প্রতি শনিবার ও রবিবার চা ট্রেন দুপুর ১২টা নাগাদ শিলিগুড়ি থেকে ছেড়ে দুপুর দেড়টায় রংটং স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে চার ঘণ্টা থামবে ট্রেনটি। যাত্রীদের আশপাশের চা বাগান, চা কারখানা, চা পাতা তোলা ঘুরিয়ে দেখানো হবে। ওই ট্রেনেই শিলিগুড়ি ফিরবেন পর্যটকরা। চা বাগান এলাকা ঘুরিয়ে দেখানো হবে বলে ট্রেনটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘চা ট্রেন’। প্রতি শনিবার দার্জিলিং থেকে একটি স্টিম ইঞ্জিন চালিত টয়ট্রেন কার্শিয়াং পর্যন্ত চলবে। রবিবার তা কার্শিয়াং থেকে দার্জিলিংয়ে ফিরে যাবে। যাত্রাপথে স্টেশনের পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে দাঁড়াবে সেই ট্রেন। রবিবার সকালে কার্শিয়াং মহানদী সানরাইজ স্পেশাল সার্ভিস শুরু হবে। কার্শিয়াং থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে, সকাল ১০টায় মহানদীতে ফিরে আসবে। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ১৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ওই পরিষেবা চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে।