কতজন পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি ফিরতে পারলেন? ঘরে ফেরার ছবি আঁকছেন সুব্রত সাহা

ঘরে ফেরা ৪ – শিল্পী সুব্রত সাহা

করোনার থাবা হঠাৎ করেই যেমন আমাদের প্রত্যেককে গৃহবন্দি করে রেখেছে, পাশাপাশি সমগ্র বিশ্বকে এক ছাদের তলায় নিয়েও এসেছে। আসলে সমগ্র পৃথিবীটাই তো একটা ছাদ, এটাই সবাই ভুলতে বসেছিলাম। বাড়ি থেকেই আত্মীয়-বন্ধুদের ভিডিও কলের মাধ্যমে কথাবার্তা হচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন দেশ থেকে কথোপকথন হচ্ছে অনলাইনে – এ-ও বা কম কী! নিজেদের ছাড়া বাকিটুকু ভাবার কোনও অবকাশ কি সত্যিই ছিল আমাদের? তাই যখন সারাবছর বাহারি পদের সুঘ্রাণ ভেসে আসত বাড়ি বাড়ি থেকে, তখন দেশের খাদ্যসংকট যে কি ভয়াবহ তা ভুলে যাচ্ছিলাম। এখন এই অবস্থায় মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে, ভাবতে শেখাচ্ছে, ভালোবাসোতে শেখাচ্ছে। কারণ ওই একটিই – করোনা ভাইরাস, যার দ্বারা আক্রান্ত গোটা বিশ্ব।

কয়েকদিন আগেই আমরা দেখেছি দিল্লি থেকে প্রায় ৫০,০০০ পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি ফিরছেন পায়ে হেঁটে। লকডাউন চলাকালীন তাঁরা প্রত্যেকেই বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কীভাবে তাঁরা বাড়ি ফিরবেন, এ কথা বড়োবাবুরা বলে দেননি। অতএব হাঁটাই ছিল তাঁদের একমাত্র পৌঁছানোর উপায়। তাঁরা হাঁটছেন ২০০ মাইল – ৪০০ মাইল – ৭০০ মাইল।

নিজের কাজ এবং চিন্তাভাবনা নিয়ে বলছেন সুব্রত সাহা

ঠিক এমন পরিস্থিতিতে বঙ্গদর্শন শুরু করেছিল ‘ঘরে ফেরা’ সিরিজ। গৃহবন্দি অবস্থায় চিত্রশিল্পীরা কীভাবে এই পরিস্থিতি দেখতে চাইছেন বা মোকাবিলা করছেন, তা তাঁদের বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তুলে ধরছেন। আজ রইলেন শিল্পী সুব্রত সাহা। এমনিতে বছরের বেশিরভাগ দিনই তাঁর নিজের স্টুডিওতে সময় কাটে। কিন্তু সারাবছরের চিন্তা লকডাউনে দুশ্চিন্তায় পরিণত হয়েছে। তাঁর ছবিতেও ধরা পড়ছে সেইসব দৃশ্য। যে ছবি হতাশার, দারিদ্র্যের, যন্ত্রণার, আশাবাদেরও।

ক

খ

চিত্রশিল্পী- সুব্রত সাহা 

Developed by DXDasia