বিলুপ্ত ভাষা সংরক্ষণে নয়া উদ্যোগ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

দেশ-বিদেশের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বহু ভাষাকে কীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে

সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ভাষাগুলিকে সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নিতে চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। দেশ-বিদেশের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বহু ভাষাকে কীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভাষা একজন মানুষের আত্মপরিচয়কে প্রকাশ করতে শেখায়। কখনও কখনও তা-ই হয়ে ওঠে মায়ের ভাষা। ইতিমধ্যে বহু ভাষা সংরক্ষণ করা গেছে, ভবিষ্যতে আরও সংরক্ষণ করা হবে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাষা সংরক্ষণের কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। তথ্য আকারে সেগুলি রাখা হচ্ছে। এতে অধ্যাপক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী সকলেরই সুবিধা হবে। বাংলাদেশ-সহ পশ্চিমবাংলায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে দিনাজপুর সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি ভাষা। ক্রমশ বিপন্ন হচ্ছে সেই অঞ্চলের নিজস্ব ভাষাসংস্কৃতি। যেমন- শৌরা, রেংচির্মা, কোদা, পাঙ্গুখুয়া, বম, চাক, আসোচিন, মরু, কুরক্স, সৌরিয়া, কন্দু, মুণ্ড ইত্যাদি।

যাদবপুর ছাড়াও এই রাজ্যে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যাদবপুরের ভাষাতত্ত্ব বিভাগ। সেখানে স্কুল অব ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েস্টিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর পর্বের জন্য ছাত্রছাত্রী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কিছু বিদেশি ভাষা যেমন- কোরিয়ান, চাইনিজ, জার্মান, ফরাসি, স্প্যানিশ, জাপানিজ, পর্তুগিজ, ইতালিয়ান শেখানোর প্রয়াস চালু রয়েছে। এমনকি বিদেশিদের বাংলা ও ইংরেজি শেখানোর সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জানা গিয়েছে, স্ট্যাটিসটিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ, কম্পিটিশন ল্যাঙ্গুয়েজ, ভিজ্যুয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ, ল্যাঙ্গুয়েজ পলিসি ও লিঙ্গুয়েস্টিক রাইট-এর মতো বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করার সমস্ত সুবিধা পাওয়া যাবে এখানে।

Developed by DXDasia