কোনদিকে যাচ্ছে আমাদের সমাজ, Social Media?
বিশেষত, মেয়েদেরকে ছোটোবেলায় সাবধান করে দেওয়া হয়, ‘বাসে বা ট্রেনে ভিড় বেশি হলে একদম উঠবি না’। শুধু বাস বা ট্রেন নয়, পুরুষের ভিড় যেখানে বেশি সেখানে যাওয়া যাবে না। কো-এড স্কুল-কলেজে পড়া যাবে না, খেলা যাবে না, গল্প করা যাবে না, হাহাহিহি করা যাবে না, ‘ছেলেদের মতো’ বা ‘মেয়েদের মতো’ জামাকাপড় পরা যাবে না। দুঃখের বিষয় এ সমাজে এহেন চিরকালীন কিছু ‘obstacles’ এখনও রয়ে গেছে। পৃথিবীর সব পুরুষদের ‘পিতৃতন্ত্রের প্রতীক’ বা ‘অপরাধী’ বলে দাগিয়ে দেওয়ার মধ্যে শুধু নয়, বিশেষ করে ‘জেন্ডার’ বা ‘সেক্স’ নিয়ে ভুল ধারণা বশত দীর্ঘদিন যাবৎ সমাজে এক ধরনের ‘ফোবিয়া’ বা ভয় কাজ করে আসছে। ‘হোমোফবিয়া’, ‘হেটেরোফোবিয়া’, ‘জিমনোফোবিয়া’, ‘অ্যাফোবিয়া’, ‘বাইফোবিয়া’, ‘লেসবিফোবিয়া’, ‘ট্রান্সফোবিয়া’ ইত্যাদি ইত্যাদি। এইসব ফোবিয়া তো বটেই, এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-মানসিক কারণ জন্ম দেয় ‘Hate Speech’-এর। সামাজিক মাধ্যমের (Social Media) বাড়বাড়ন্তের যুগে যা বারবার প্রকাশ্যে চলে আসছে। প্রকাশ্যে চলে আসছে সমাজের অসেচতন, অসংবেদনশীল এবং অযৌক্তিক মন্তব্য। সমাজের গতে বাঁধা কিছু নিয়মের বাইরে বেরোলেই ব্যক্তিগত আক্রমণ! যা সুস্থ সমাজ ও মানসিকতার পরিপন্থী।
এই তো কিছুদিন আগেকার কথা। ২০২৩-এর মাধ্যমিকে ৭০০-র মধ্যে ৬৯৭ পেয়ে প্রথম হয় কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানী গার্লস হাই স্কুল-এর দেবদত্তা মাঝি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যখন মেয়েটির সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনন্দন-শুভেচ্ছাবার্তামূলক মন্তব্যের মাঝে মাঝে ঢুকে পড়ছিল, ‘ছেলে না মেয়ে বোঝা যাচ্ছে না’, ব্যাঙ্গাত্বকভাবে ‘কী সুন্দর চুল, দাঁত’, ‘টি-শার্ট পরেছে!’, এমনকি ‘হিজড়া’। অর্থাৎ, প্রতিভা বা কাজ নয়, যাঁরা মন্তব্যগুলি করেন তাঁদের কাছে একটি মানুষের বাহ্যিক বেশভূষা, কি তার জেন্ডার -সেটাই সবচেয়ে আগে প্রতীয়মান, সেটাই মুখ্য! আমরা আশা করতে পারি, সদ্য শৈশব পেরোনো মেধাবী দেবদত্তা তার শিক্ষা ও বুদ্ধির মাধ্যমে এই ধরনের অপ্রীতিকর, অমানবিক মন্তব্য এড়িয়ে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে, কিন্তু আমাদের সমাজ?

দেবদত্তা-কে নিয়ে অপ্রীতিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
এই সমস্যা আজকের নয় তবে, আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ার ‘কল্যাণ্যে’ কারোর দৈহিক আকার, চুলের দৈর্ঘ্য, কথার ধরন, লিঙ্গ-পরিচিতি, লিঙ্গ-নিরপেক্ষ বা স্বাধীন ভাবে পোশাক নির্বাচন নিয়ে বিদ্বেষ একটু বেশিই চোখে পড়ছে। সাম্প্রতিক কালে তেমনই একটি ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ি নিবাসী বিশিষ্ট নাট্যকর্মী এবং শিক্ষক শৈবাল বসু’র সঙ্গে। বেশ কিছুদিন হল, বাংলার হ্যান্ডলুম শাড়ি নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন বয়নশিল্পের অনন্য ইতিহাস। পাছাপেড়ে শাড়ি নিয়েও সম্প্রতি কাজ করেছেন। শুধু তাই নয়, তাঁর নির্দেশনায় যাঁরা শাড়িগুলি বুনছেন, শৈবালবাবুর কথা মতো সেই তাঁতশিল্পীরা সেলাইয়ের ফোঁড়ে নিজেদের নাম সাক্ষর করে দিচ্ছেন প্রতিটি শাড়িতে, ঠিক যেমনটা একজন শিল্পী করে থাকেন। কিছু দিন আগে শৈবালবাবু ‘নারী ও শাড়ি’ নামক ফেসবুক গ্রুপের শাড়ি সংক্রান্ত একটি পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে ‘Hate Speech’ বা বলা ভালো এক ধরনের ‘ফোবিয়া’র শিকার হন। গ্রুপটি কোনও ‘ক্লোজড’ গ্রুপ নয়, শৈবালবাবু নিজের পরিচিতি দেওয়ার পরই অ্যাডমিন তাঁকে সেই গ্রুপের সদস্য বলে মান্যতা দেন। গ্রুপের একজন সদস্য, যিনি মহিলা তাঁতিদের নিয়ে কাজ করছেন, তাঁর পোস্টেই মন্তব্য করেছিলেন শৈবালবাবু যেহেতু তিনিও বর্তমানে বয়নশিল্প নিয়ে কাজ করছেন, গবেষণা করছেন। সেই মন্তব্য নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি, সমস্যা হয় তাঁর ‘জেন্ডার-আইডেন্টিটি’ নিয়ে। তাঁকে বলা হয়, ‘মহিলাদের মাঝে একজন পুরুষ কেন’, ‘শৈবাল কি রূপান্তরকামী?’ ইত্যাদি ইত্যাদি। আরও আশ্চর্যজনক বিষয় হল, বেশ নামডাক আছে এরকম কয়েকজন মহিলাও ওই ফেসবুক গ্রুপটির সদস্য। শৈবাল বসু বঙ্গদর্শন.কম-কে বলেন, “একজন পুরুষ কেন শাড়ি নিয়ে কথা বলতে পারবেন না? শাড়ি কবে থেকে শুধুমাত্র মেয়েদের একছত্র অধিকারের বস্তু হয়ে উঠলো? শুধু তাই নয়, আমি রূপান্তরকামী কি না, এর সঙ্গে শাড়ির শৈল্পিক এবং তাঁতশিল্পের গঠনমূলক দিক সংক্রান্ত আলোচনার সম্পর্ক কোথায়? তা ছাড়া যাঁরা রূপান্তরকামী বা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ তাঁদের জন্য এই মন্তব্য কি আদৌ সম্মানজনক/মানবিক?”
এ ব্যাপারে বিবি রাসেল বঙ্গদর্শন.কম-কে জানাচ্ছেন, “শাড়ি একটা শিল্প। আর এই বাংলায় পারিবারিক শিল্প। তাঁত-তাঁতি বউ সবাই মিলে একটা শাড়ির জন্ম। বাঙালি পুরুষ চিরকালই শাড়ি প্রেমিক। তুমি কি জানো না তোমার মায়ের কেমন শাড়ি পছন্দ? তুমি কি তোমার বউকে শাড়ি উপহার দাও না? এটা নিয়ে gendered মতামত দেবার কোনো মানে হয় না! ওঁরা যদি জানতেন কত মানুষ শাড়িকে আদর করেন! হ্যাঁ মানুষ। এর মধ্যে লিঙ্গ পরিচয় আসে না।”
শৈবাল বসুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য (বাঁদিকে), শৈবাল বসুর মন্তব্য (ডানদিকে)
“আমি রূপান্তরকামী, নাকি সমকামী বা আমার সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন কী, তা আমার আমার শিল্পচর্চার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে কেন? আজ শৈবাল বসুকে যে ধরনের আক্রমণ করা হয়েছে, একজন শিল্পীর সঙ্গে সর্বোপরি একজন মানুষের সঙ্গে এরকম করা যায় না বোধহয়। যাঁরা করেছেন, তাঁদের রুচিবোধ সম্বন্ধে আমার কিছু বলার নেই। আমি শৈবাল বসুর পাশে দাঁড়ালাম কিনা সেটা কথা নয়, যিনি কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, তিনি যদি শৈবালের শিক্ষা, মেধা, কাজ সম্বন্ধে জানার আগ্রহ প্রকাশ করতেন, তাহলে বোধহয় 'মানুষ' হিসেবে সমৃদ্ধ হওয়ার সুযোগ পেতেন।” বঙ্গদর্শন-কে বলেন বিশিষ্ট অভিনেতা-বাচিকশিল্পী সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়।
এ প্রসঙ্গে বলি, এখনও অনেকরই ধারণা নেই ইংরেজিতে লিঙ্গ বোঝাতে ‘জেন্ডার’ এবং ‘সেক্স’ দুটি আলাদা শব্দ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমাদের বাংলা ভাষায় সেই সুবিধে নেই। আমরা শারীরিক ও মানসিক লিঙ্গ বোঝাতে কেবলমাত্র ‘লিঙ্গ’ শব্দটিই ব্যবহার করে থাকি। যাঁরা এটুকু পড়ে ভাবছেন, এ আবার কেমনধারা কথা…! দুটো তো একই বিষয়, এর জন্য আলাদা শব্দের দরকারই বা কী…! তাঁদের ক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, ‘সেক্স’ শব্দটির অর্থ হল জন্মগত লিঙ্গ চিহ্ন এবং ‘জেন্ডার’ শব্দটির মাধ্যমে বোঝানো হয়, একজন ব্যক্তি নিজেকে অন্তর থেকে যা ভাবছেন এবং নিজেকে যেভাবে প্রকাশ করছেন তা। আমাদের দেশে এই সহজ সত্যিটিই দিনের পর দিন অবহেলিত হয়েছে। আমাদের সামাজিক পরিকাঠামোয় সমাজের যেকোনো স্তরের মানুষের মধ্যেই এই ‘মানসিক’ বিপর্যয়, দারিদ্র এবং অশিক্ষা লক্ষ্য করা যায়।
অনেকেরই ধারণা রয়েছে সমকামী, রূপান্তকামীরাই ‘জেন্ডার ফ্লুয়িড ফ্যাশন’-এর বিষয়ে আগ্রহী। তাঁদের বলবো, ‘জেন্ডার ফ্লুয়িডিটি’ মানে আগে বুঝতে হবে। বাংলায় এর ভাবার্থ হতে পারে লিঙ্গ-নিরপেক্ষ বা বৈষম্যহীন। বাইনারিতে আটকে ফেলে সাজ পোশাককে আমরা মূলত দুটো ভাগে ফেলে দিই—মেয়েদের পোশাক ও ছেলেদের পোশাক। এর বাইরেও জগৎ আছে আমরা মনে রাখি কি? না, রাখি না। সেই কারণেই সারা পৃথিবী জুড়ে ‘জেন্ডার ফ্লুয়িড ফ্যাশন’ সচেতনতা আন্দোলন চলছে। যে কেউ যা খুশি পরতে পারে, সাজতে পারে – এই হল মূল কথা।
জামা, জুতো, গয়না সবই জেন্ডার ফ্লুয়িড ফ্যাশনের আওতায় পড়ে। প্রথম বিশ্বের বহু দেশে এ বিষয়ে অনেককাল আগেই বিপ্লব ঘটে গেছে, আমাদের দেশ কবে সাবালক হবে জানা নেই। তবে, পুরাণ থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ এবং অধুনা বহু বাঙালি পুরুষই ব্যতিক্রমী ভাবে বাঙালি সাজের ঘরানাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছেন। শুধু তাই নয়, বাঙালি সাজ-পোশাকও যে লিঙ্গ-নিরপেক্ষ হতে পারে, তার দৃষ্টান্ত রেখেছেন। এখানে শুধু পুরুষদের কথা বলা হচ্ছে কারণ, একজন মহিলা যত সহজে ট্রাউজার, টি-শার্ট, শার্ট, কুর্তা ইত্যাদি পরতে পারেন, জোর করে চাপিয়ে দেওয়া সামাজিক-মানসিক প্রতিবন্ধকতার ফলে একজন পুরুষ তত সহজে স্কার্ট, শাড়ি, গয়না ইত্যাদি পরে চলাফেরা করতে পারেন না।
পরিপাটি করে শাড়ি পরে এখন রীতিমতো জনপ্রিয় ‘বং মুন্ডা’ পুষ্পক সেন। তিনি আদ্যোপান্ত কলকাতার বাঙালি। ক্যালকাটা বয়েজ়ে স্কুলজীবন। তার পর আশুতোষ কলেজ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করার পরে অতিমারির মধ্যেই ইটালি-যাত্রা। ফ্লোরেন্সের বিখ্যাত ফ্যাশন ইনস্টিটিউট ‘পলিমোডা’-য় ‘ফ্যাশন মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ নিয়ে পড়তে গিয়েছিলেন পুষ্পক। আর বিশ্বের ফ্যাশন-রাজধানীতে পা রেখেই হইচই ফেলে দিয়েছেন নেট-দুনিয়ায়—ইতালির রাস্তায় শাড়ি পরে হেঁটে বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছেন।
সেই তরুণ এক সাক্ষাৎকারে জানাচ্ছেন, ‘‘শাড়ি পরলে বা ওই বাহ্যিক সাজে পুরুষত্ব চলে যাবে, তা তো নয়। ভিতরের আমি, আমিই। আমি চেয়েছিলাম, গোটা পৃথিবী শাড়িকে ফ্যাশন-স্টেটমেন্ট হিসেবে দেখুক। এ দেশে এসে দেখেছি, অনেক ভারতীয় রয়েছেন। কিন্তু কেউই তেমন দেশের পোশাক পরেন না। রোজকারের সাজ বা পার্টি, সবেতেই পশ্চিমি পোশাক গায়ে গলাচ্ছেন সকলে। সেই থেকেই মনে হয় এই ভাবনাটা এসেছিল। আমাদের দেশের যে একেবারে নিজস্ব, সকলের থেকে আলাদা ফ্যাশন রয়েছে, সেটাই বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছি।”
পুষ্পক সেন
একটি জনৈক ইংরেজি সংবাদপত্র তরফে ২০২১ সালে গড়িয়াহাটের মোড়ে একটি ফটোশুট করা হয়। বিষয় ছিল- ‘মেন ইন স্কার্ট’ অর্থাৎ স্কার্ট পরা পুরুষ। মডেল ছিলেন অভিনেতা অমর্ত্য রায়। ফ্যাশনের ব্যাপারে তাঁর মত, “পুরোটাই নির্ভর করে আমার মুড-এর উপর। আমি তো টিপ আর নাকছাবিও পরি। আমার মনে হয় টিপ আমাদের মুখের অভিব্যক্তিকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। আমার বন্ধুরাও পছন্দ করে এটা। আমাকে স্কার্ট পরে দেখতে ওদের অন্ততঃ অসুবিধা হবে নয়। আমি ‘স্ট্রেট’ কিন্তু আমার মনে হয় না স্কার্ট বা এইধরনের পোশাকের সঙ্গে নির্দিষ্ট কোনও লিঙ্গের সম্পর্ক থাকে। যে কেউ যা খুশি পরতে পারে।”
অমর্ত্য বা তাঁর বন্ধুরা এই প্রজন্মের মানুষ, তাঁরা মুক্তমনা, সংস্কারমুক্ত এবং সত্যেরে সহজে লইতে সক্ষম। কিন্তু যাঁরা প্রথাগত ধ্যান-ধারণা থেকে বাইরে বেরোতে পারলেন না, তাঁদের কী বক্তব্য? গড়িয়াহাটের মোড়ে স্কার্ট পরে ফটোশুট চলাকালীন পথচলতি মানুষ, আশেপাশের দোকানীরা আশ্চর্য দৃষ্টিতে দেখছিলেন অমর্ত্য’কে। সংবাদপত্রের তরফে এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘কেন আপনি এভাবে দেখছেন?” তিনি উত্তর দেন, “আমি তো আমার জন্মে কখনও এরকম দেখিনি। এতদিন জানতাম স্কার্ট শুধু মেয়েরাই পরে।”
বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়, ওই ব্যক্তির সহজ স্বীকারোক্তি কিন্তু আমাদের সমাজের বেশিরভাগ মানুষের মনের কথা। পরিশেষে তাঁদের উদ্দেশ্যে বলি অভ্যেস, প্রথা, নিয়মের বাইরে বেরনোর পথ নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়। এবং সেই পথের হদিশ আপনি তখনই পাবেন, যখন প্রকৃত শিক্ষা, মানবিক উদারতা, সাম্যবাদ, সমান্তরাল পৃথিবী এবং ভালোবাসাকে নিজের অন্তরে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। এবার থেকে রাস্তায় কোনও পুরুষকে শাড়ি বা স্কার্ট পরে দেখলে আশ্চর্য না হয়ে তাকে বাহবা দিন, পারলে মন খুলে সমালোচনা করুন কিন্তু ‘এটা পরো না, এটা মেয়েলি ওটা পুরুষালী’ইত্যাদি বলে সমাজে দূষণ ছড়াবেন না।
_____________________________________
*মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আঘাত করা এ লেখার উদ্দেশ্য নয়।