
আদ সাচ, যুগাদ সাচ, হেইন ভি সাচ, নানক হোসি ভি সাচ” – এই অমর বাণী শুনলেই যে যুগাদির পীরের শুভ মুখ আমাদের মনে পড়ে, হিন্দি—পাঞ্জাবি—ব্রিটিশ সিনেমায় অতি-ব্যবহৃত গুরবাণী বা গুরুর বাণীর সঙ্গে যে ভাসা-ভাসা পরিচিতি গড়ে উঠেছে সেই ছোটোবেলা থেকে, তাও স্মরণে আসে, কিংবা রাজনৈতিক খবরা-খবরের কথা যদি ভাবা যায়, তাহলে কর্তারপুর সাহিবের প্রশাসন-পরিচালনা নিয়ে ভারত-পাকিস্তান আন্তঃসরকারের চলমান দ্বন্দ্বের অবগতি ফেরৎ আসে। কিন্তু যাঁর আদর্শে এই ‘সৎ নাম ওঙ্কার’ নৈবেদ্য স্বরূপ বন্দিত, তাঁর পরিচিতি আজ কেবল একটি জাতির ধর্মগুরুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যদি তাঁর জন্ম-মৃত্যু ব্যাতিরেকেও তাঁর কর্মাদর্শ বা জীবনচর্চা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে দেখা যাবে— তাঁর নিজ জাতিও তাঁকে অনেকটাই ভুলে গিয়েছে। (মালদায় গুরু নানক)
লালা, রিনপোচে, ঋষি, ভালি, সৎগুরু, ফুসা, গুর-পরমেশ্বর নামে যে মানুষটি দেশে দেশে পূজ্য, আজও তাঁর উপাসনা আবদ্ধ কিছু বেঁধে দেওয়া নিয়ম ও রীতি-নীতিতে। তাঁর সৎনামের সার্থকতা, তাঁর জীবন-ইতিহাস জানার তাগিদ বা ইচ্ছে আমাদের কারোরই নেই। বাঙালির ঠাকুর, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথও তাঁর জীবনস্মৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, শৈশবে পাঞ্জাবের অমৃতসরে পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর হারমিন্দর সাহিবের পরিক্রমা ফলপ্রসূ হয়েছিল তাঁর বৃহত্তর জীবনের দর্শনচিন্তায়, ‘গুরু গ্রন্থ সাহেবের’ শ্লোকের আবৃত্তি তাঁর শিশুমনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই মঙ্গলকীর্তনগুলিই পরবর্তীকালে তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল ব্রাহ্ম সংগীত রচনায়। যে বর্ণহীন, বৈষম্যমুক্ত সমাজের কল্পনা বাংলার তথা ভারতের নবজাগরণের সম্পাদ্য হিসেবে ধরা হয়, তাঁর মূল গেঁথে গিয়েছিলেন অখণ্ড-পাঞ্জাবের তালবন্দি গ্রামের হিন্দু ক্ষত্রিয় ঘরে জাত এক উদাস সাধক, নানক মেহতা। (মালদায় গুরু নানক)
মুসলিম অধুষ্যিত এলাকায়, গুরুর আগমনের খবর পেয়েই, তাঁর সান্নিধ্য প্রার্থনা করেন সে সময়কার মালদার বড়ো ভূপতি-মহাজন, রামদেব বাবু। কথিত আছে, সে সময় মালদায় হামেশাই পীর-ফকিরদের সমাগম হলে সবাই রামদেববাবুর সমাদৃত হতেন। গুরু নানক দেবজিও গঙ্গা-পাশের এই পোতাশ্রয়ে টানা তিনমাস আশ্রয় নিয়েছিলেন।
গুরু নানক
ধ্যান-আগ্রহী এবং পরমেশ্বরবাদ সম্পর্কে কৌতূহলী, তালবন্দির এই ছোটো নানকের মধ্যে খুব কম বয়স থেকেই একইরকম কিছু বৈশিষ্ট্যের লক্ষণ দেখা গিয়েছিলো, যা আর পাঁচজন আধ্যাত্মিক কিংবা বহুবিদ্যা বিশারদদের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায় শিশুকাল থেকেই — গার্হস্থ্যে অনাগ্রহ, সংসারজীবনে উদাসীনতা ও কেবল সংসার-মূলার্থ নিয়েই চিন্তা। এমনকি, ষোড়শে বিয়ে সম্পন্ন করার পরেও, নানক চিরকাল ঘর-বিমুখই থেকেছেন, রাস্তায়-ঘাটে-কর্মস্থলে প্রায়শই বিভোর থাকতেন ঈশ্বর-চিন্তায়— অলৌকিক কিছু কাজের বিবরণ তার ‘জানামসখী’-তে বিবৃত। কিন্তু এই লেখার প্রশ্ন হলো— যখন নানককে এক সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবে, ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিপ্রায়ের অন্তর্ভুক্ত করে এখন প্রচারে আনা হচ্ছে, তখন কেন তাঁর জীবন, দার্শনিক ভাবনা এবং কার্যকলাপের গভীর ও পরিপূর্ণ অধ্যয়নকে কেন্দ্র করে কোনও বাস্তবচর্চা বা আলোচনার আয়োজন করা হচ্ছে না? তাঁকে নিছকই এক প্রতীকী চরিত্রে পরিণত করে প্রচারের মোড়কে ব্যবহার করা হলে, তাঁর প্রকৃত ভাবনার শক্তি তো আড়ালেই থেকে যায়। (মালদায় গুরু নানক)
বিশ্ব-সংগীতের রচয়িতা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে), এই নানক চিরকাল বাহ্যিক আড়ম্বর-এর বিরোধিতা করে এসেছেন, বিগ্রহ-অর্চনার থেকেও সাচ্চা-জাপের অনুরোধ করে এসেছেন তাঁর শিখদের (শিষ্যদের) কাছে। একবার জগন্নাথ দর্শনে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে, মন্দিরপ্রাঙ্গনের অদূরে দাঁড়িয়ে শেষ সূর্যালোকে গেয়েছিলেন নিজ ভক্তি-রাগ। শৈশব থেকেই নানকের হৃদয়ে ভক্তিগীতি ও লোকভজনের সুর গভীরভাবে দোলা দিত, যা যৌবনকালে তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবনার অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে। (মালদায় গুরু নানক)
চোদ্দোর দশকে ঘর ছেড়ে ঈশ্বরতত্ত্বের সন্ধানে সুলতানপুর থেকে পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়ান কুরুক্ষেত্র-দিল্লি-হরিদ্বার-অযোধ্যা-বারাণসি থেকে সুদূর বাংলাদেশ অবধি। এই দীর্ঘ ভ্রমণ শিখেদের মধ্যে ‘উদাসী’ নামে সর্বজনবিদিত কিন্তু স্বল্পজন-অন্বেষিত। নানকের উদাসীর বা এই ভব-ভ্রমণ নিয়ে যেসব লিপিবদ্ধ লেখা রয়েছে, সেগুলিতে অত্যুক্তি রয়েছে তাঁর বাণী ও ধর্মোপদেশের। কিন্তু তাঁর যাত্রাপথে কোথায় কী ঘটেছিল, কাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল, তাঁরা নানকের চিন্তা-উপলব্ধিতে কী প্রভাব এনেছিল — সে সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য খুঁজে পাওয়া দুরূহ। গুরু নানকের চার উদাসী কিংবা তাঁর পরবর্তী ধর্মগুরুদের উদাসী সম্পর্কে, যে উদাসীনতা- তা কি সম্পূর্ণ জাতিগত না এটা একটি ভারতীয় মজ্জাগত ইচ্ছাকৃত মৌলিক সমস্যা?
স্নান নিম সরাই
উদাসী ভ্রমণের সূত্রে জানা যায়, গুরু নানক যখন অযোধ্যা ও বারাণসি পেরিয়ে গয়া পৌঁছান, সেখানে তিনি অবশিষ্ট বৌদ্ধ ভিক্ষু ও কিছু অনুগামীদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে, বৌদ্ধ সহিষ্ণুতা ও ভাবনার গভীরতায় তিনি নিজেকে আরও ঋদ্ধ ও পরিশীলিত করে তোলেন। (মধ্যযুগে ইসলামী আক্রমণে উত্তর ভারতে বহু বৌদ্ধ বিহার, মঠ এবং শিক্ষাকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যায়, অনেক ভিক্ষু ধর্মান্তরিত হন, আবার কেউ কেউ উত্তরে পাহাড়ি অঞ্চলে বা দক্ষিণ ভারতে পালিয়ে যান)। পাটনার কাছে গঙ্গার উত্তর তীরে হরিহর ক্ষেত্র মেলায় গুরু নানক তাঁর জীবনদর্শনের বাণী শুনিয়ে মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেন, এই মেলা আজ সোনপুর মেলা নামে খ্যাত।
এখনকার পুরাতন মালদার নিমসরাই পল্লির মধ্যে মার্বেলের এক সৌধ স্থাপন করা হয় গুরুর আগমনের স্মৃতিচিহ্ন রূপে- যার বর্তমান নাম ‘গুরুদ্বারা নিম সরাই’ বা ‘শ্রী প্রয়াগ সাহিব’। এখনও এখানে গুরুর ব্যবহৃত ‘তাম্বে কে কড়া’ (তামার কলসি), পাথরের স্নানচৌকি, এবং গুরু তেগ বাহাদুরের ‘শয়নদ্রব্য’ সংরক্ষিত আছে।
তাঁর প্রথম উদাসী ভ্রমণে, তিনি পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেন বিহার হয়েই। বাংলায় প্রবেশের পর, বহু স্থান-তীর্থ পরিদর্শনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও, তিনি সরাসরি মালদার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বিহারের হাজীপুর পেরিয়ে উত্তরবঙ্গের ছোটো একটি জনপদ পূর্ব-মালদায় পৌঁছান গুরু নানক, তৎকালীন মালদা-মুর্শিদাবাদ-দিনাজপুর খ্যাত মুসলিম ধর্মগুরুদের সান্নিধ্যের আশায়। সনাতন ও ইসলাম ধর্মের উপমা ও সঙ্গে তারতম্য জানার চেষ্টা যেন তাঁর ছোটোবেলার একাধারে গুরমুখী ও ফার্সি শিক্ষারই ধারাবাহিকতা, যাঁর একমাত্র উদেশ্য ছিল ‘এক ওঙ্কার’-এরই উপলব্ধি।
শিখ ধর্মসাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে আমাদের আগ্রহের অভাবে, গুরু নানকের উদাসী সময়ের নথিপত্রের ঘাটতি নিয়ে সেভাবে কেউ প্রশ্ন তোলে না। এমনকি মালদার যেসব পুণ্যস্থানে গুরু নানক বা এক শতক পরে, নবম গুরু তেগ বাহাদুর পদস্পর্শ করেন, সেগুলিরও কোনো বিস্তারিত বিবরণ নেই। তাই ইতিহাসবিমুখ বাঙালি অলৌকিক কথাকে মুখে মুখে ছড়িয়ে, তাকেই হয়তো ইতিহাসে রূপান্তর করেছে। তবুও যৎসামান্য নথি থেকে যা উল্লেখ পাওয়া যায়, সেগুলি মালদা ও গুরু নানকের মধ্যে এক গৌরবময় অতীত সংযোগেরই ইঙ্গিত দেয়।
গুরুদ্বারা নিম সরাই
বিহারের কান্তনগর ও কার্গোলার পর, মালদায় গুরুর শুভাগমন হয়েছিল, সেকালের ‘শর্বরী’ বা ‘শিব-বরি’ নামক এক ছোট জনপদে, মালদার ‘মানিকপীরের’ গ্রামের অনতিদূরে। মুসলমান সাধুপুরুষ, নুর-কুতুবের পুত্র হজরত আনোয়ার সাহেব গৌড়াধিপতি গণেশের আদেশে সুবর্ণগ্রামে নিহত হলে, তাঁকে এখানে সমাধিস্থ করা হয় এবং ভবিষ্যতে এটি মাজারে রূপান্তরিত হয়। এই মুসলিম অধুষ্যিত এলাকায়, গুরুর আগমনের খবর পেয়েই, তাঁর সান্নিধ্য প্রার্থনা করেন সে সময়কার মালদার বড়ো ভূপতি-মহাজন, রামদেব বাবু। কথিত আছে, এই রামদেববাবুর প্রকাণ্ড এলাকা জুড়ে আমবাগান ছিল এবং সে সময় মালদায় হামেশাই পীর-ফকিরদের সমাগম হলে সবাই রামদেববাবুর সমাদৃত হতেন। গুরু নানক দেবজিও গঙ্গা-পাশের এই পোতাশ্রয়ে টানা তিনমাস আশ্রয় নিয়েছিলেন। সে সময় মালদহের সাধারণ জনজীবনে চলছিল নানান সমস্যা — আর্থিক অনটন থেকে শুরু করে কালো জাদুর ভয়াবহতা। মালদহের সাধারণ মানুষের মধ্যে মুসলিম ‘তাবিচ’ ও ঝাড়ফুঁকের প্রতি বিশ্বাস ও ভয়, দুই-ই মহামারীর রূপ নিয়েছিল।
মালদা-দিনাজপুর-মুর্শিদাবাদ, এককালে তৎকালীন ভারতের বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায়, হাজার বছরের ইতিহাস খুঁজলে উঠে আসবে হজরত মহম্মদ-বুদ্ধ-চৈতন্য-সনাতনী-ক্যাথলিক-প্রোটেস্টান কত কত ঐতিহাসিক ধর্মীয় যোগসাধন।
এই সময় নানক এখানে এক কু্য়ো খনন করেন ও ইস্তেহার দেন, ‘সচ্চে বাদশাহ’র নামজপ করলে ও শুভ মনে এই জল পান করলে, কোনও তন্ত্র-মন্ত্র বা কুহকের প্রভাব তার উপর পড়বে না। এই ‘অমৃতকুয়ো’-র জল পান/ দিয়ে স্নান করে (চাখনা) এলাকার বহু মানুষের সকল সমস্যার সমাধান হতে থাকে বলে শোনা যায় এবং এই চমৎকারের পর থেকেই, গুরু নানকের প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের শ্রদ্ধা আরও বৃদ্ধি পায়। এখনকার পুরাতন মালদার নিমসরাই পল্লির মধ্যে মার্বেলের এক সৌধ স্থাপন করা হয় গুরুর আগমনের স্মৃতিচিহ্ন রূপে- যার বর্তমান নাম ‘গুরুদ্বারা নিম সরাই’ বা ‘শ্রী প্রয়াগ সাহিব’। এখনও, এখানে গুরুর ব্যবহৃত ‘তাম্বে কে কড়া’ (তামার কলসি), পাথরের স্নানচৌকি, এবং গুরু তেগ বাহাদুরের ‘শয়নদ্রব্য’ সংরক্ষিত আছে। কিন্তু এত বড়ো এক কিংবদন্তির আগমনের প্রমাণ বা নথি কি শুধু এতটুকুই?
গুরু গ্রন্থ সাহেবের গৌরী মহল্লা ১-এ মালদায় গুরু নানকের বলা কিছু ধর্মোপদেশ ও বাণী লিপিবদ্ধ আছে। তার প্রথম ছত্রের বাণীতেই হয়তো এই উদাসীন ভাবনার একপ্রকার সমর্থন পাওয়া যায়। আমবাগানে ধ্যানস্থিত নানক গাইছেন, জমিদার রামদেব বাগানভ্রমণে বেরিয়ে প্রত্যক্ষে শুনে চলেছেন বিভোর হয়ে, “চোয়া চন্দনু অঙ্কি চড়াবহু, পাট পাটাম্বার প্যাহেরী হান্ডাবাহু, বিনু হরি নাম কাহা সুখু পাবহু” – বাহ্যিক সাজসজ্জা ও বিলাসিতার আতিশয্য ছেড়ে হরির নাম জপি, এতেই শান্তি, এতেই সুখ। তিনমাসব্যাপী এই সৎনামে বিভোর ছিলেন জমিদার রামদেববাবু ও এলাকার গ্রামবাসীরা, এরপরে গুরু ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
তাম্বে কে কড়া
মালদার ইতিহাসচর্চা সম্পর্কিত যা কিছু প্রকাশনা, তাঁর মধ্যে ভ্রমণ-কথাই বেশি, ইতিহাস উপাদান অপেক্ষাকৃত কম। কিন্তু উত্তরবঙ্গের মালদা-দিনাজপুর-মুর্শিদাবাদ, এককালে তৎকালীন ভারতের বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায়, হাজার বছরের ইতিহাস খুঁজলে নানা ধর্মের গুরু, আচার, রীতি এবং পারস্পরিক সংস্কৃতি বিনিময়ের অনেক নজির সামনে আসবে। উঠে আসবে হজরত মহম্মদ-বুদ্ধ-চৈতন্য-সনাতনী-ক্যাথলিক-প্রোটেস্টান কত কত ঐতিহাসিক ধর্মীয় যোগসাধন। শর্বরীর পাওয়ার হাউস লেনের, ৯০-এর দশকে সামান্য কিছু শিখ কন্ট্রাক্টরের দৌলতে আজ নিমসরাই-এর ইমারত সংরক্ষণ যেমন প্রশংসনীয়, তেমনই প্রয়োজনীয় তাঁর ইতিহাস সংরক্ষণ – যা কেবল স্থানীয় বিবরণ ও মৌখিক ইতিহাস লিপিবদ্ধকরণ, বৃত্তিগত গবেষণা ও প্রকাশনার দ্বারাই সম্ভব।
___________________________
তথ্যসূত্র: (১) শিখ উইকি, (২) মালদহর ইতিহাস – কমল চৌধুরী, (৩) শ্রী গুরু নানক দেব – লাইফ, ট্রাভেলস এন্ড টিচিংস – জি.এস. চৌহান, ড: মীনাক্ষী রাজন (৪) ওয়ার্ল্ডগুরুদ্বারাস ডট নেট (৫) গুরু নানক: ফাউন্ডার অফ শিখিসম – ত্রিলোচন সিংহ

