পুজোর দায়িত্ব সমানভাবে সামলাচ্ছেন জ্যোৎস্না বসু ও নাজমা বিবিরা
দুর্গাপুজো সম্ভবই না নিষিদ্ধপল্লির মাটি ছাড়া। অথচ, উৎসবের মূলস্রোত থেকে অনেকটাই দূরে পড়ে থাকেন নিষিদ্ধপল্লির বাসিন্দারা। তারাই এবার ফিরতে চাইছেন মূলস্রোতে। আয়োজন করতে চলেছেন দুর্গাপুজো। ২০১৭ সালে কলকাতা হাইকোর্ট সোনাগাছিতে প্রকাশ্যে দুর্গাপুজো করার অনুমতি দিয়েছিল। তারপর থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের নানা নিষিদ্ধপ্ললিতে দুর্গাপুজো শুরু হয়। এবারে, সেই তালিকাতেই যুক্ত হতে চলেছে দুর্গাপুর, আসানসোল, বসিরহাটের নাম।
দুর্গাপুর দুর্বারের দুর্গাপুজোয় মুছে গেছে ধর্মীয় বিভেদও।
দুর্গাপুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদকদের অন্যতম নাজমা বিবি বাকিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেমে পড়েছেন পুজোর আয়োজনে। রাধাষ্টমীর দিন ভূমিপুজো হল দুর্গাপুরের কাদা রোডের নিষিদ্ধপল্লিতে। যৌনকর্মীরাই নিজেদের আয়ের একটা অংশ দিয়ে আয়োজন করতে চলেছেন এই পুজো। কেউ ঢাকির খরচ দিচ্ছেন, কেউ কেউ তুলে দিচ্ছেন মণ্ডপের খরচ। নারীশক্তির বার্তা আরো স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যেই ভূমিপুজোর দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রাধাষ্টমীকে। এবারে পুজোয় আর আলোবৃত্তের বাইরে থাকতে চায় না দুর্গাপুর- আসানসোল-বসিরহাটের নিষিদ্ধপল্লিগুলি। আলো ঝলমলে উৎসবের আয়োজনে মাতবেন যৌনকর্মীরাও।