১৮ বছর বয়সে প্রথম রেকর্ড, আজ পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যুদিন – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই করা খবর

১৮ বছর বয়সে প্রথম রেকর্ড, আজ পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যুদিন

স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়াকালীন গানের নেশা ক্রমশ জাঁকিয়ে বসল পঙ্কজকুমার মল্লিকের। কলেজে পড়াকালীনই আলাপ হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রাতুষ্পুত্র দ্বিপেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুত্র দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে। আকৃষ্ট হন রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি। ১৯২৬ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ভিয়েলোফোন কোম্পানি থেকে রেকর্ড করেন ‘নেমেছে আজ প্রথম বাদল’ গানটি। আর প্রথম রবীন্দ্রসংগীত গাওয়া ১৯৩২ সালে। রবীন্দ্রনাথের দুটি গান ‘প্রলয়নাচন নাচলে যখন’ এবং ‘তোমার আসন শূন্য আজি’। ‘খেয়া’ কবিতায় সুর সংযোজন করেছিলেন পঙ্কজ। রবীন্দ্রনাথের গান বিপুলমাত্রায় জনপ্রিয় করে তোলার কাজে অনস্বীকার্য ভূমিকা পালন করেছিলেন পঙ্কজকুমার মল্লিক। ১৯৩১ সালে তিনি আকাশবাণী কলকাতার ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র সুর দেন। আজ কিংবদন্তি শিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যুদিন।

অভিনব রূপে দার্জিলিং বোটানিক্যাল গার্ডেনকে সাজাতে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে বন দপ্তর

১৮৭৮ সালে গড়ে উঠেছিল দার্জিলিং বোটানিক্যাল গার্ডেন। ভারতের অন্যতম পুরোনো এই বোটানিক্যাল গার্ডেনে রয়েছে বেশ কিছু বিরল প্রজাতির গাছপালা। এবার তাকে নতুন করে সাজাতে উদ্যোগ নিল রাজ্য পর্যটন দপ্তর। তার পাশে নতুন পর্যটন কেন্দ্রও গড়ে তোলা হবে। সোমবার শিলিগুড়িতে পর্যটন দপ্তরের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে হাজির ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব, পর্যটন দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নন্দিনী চক্রবর্তী, জিটিএ-র প্রিন্সপাল সেক্রেটারি সুরেন্দ্র গুপ্তা এবং আরও বেশ কয়েকজন সরকারি কর্তাব্যক্তি। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উত্তরবঙ্গের আরও কিছু পর্যটনকেন্দ্র নিয়ে সেদিন আলোচনা হয়। বোটানিক্যাল গার্ডেন সাজাতে বন দপ্তর ১০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এই টাকাতেই সেজে উঠবে দার্জিলিং-এর ঐতিহাসিক পর্যটনকেন্দ্রটি। (ছবিসূত্র – Darjeeling Adventure Tourism)

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের গাড়ি করে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিল পুলিশ

গতকাল শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করতে রাজ্য জুড়ে সজাগ রয়েছেন পুলিশকর্মীরা। কলকাতার নগরপাল অনুজ শর্মা গতকাল শহরের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেন। ফুলবাগানের নিউ ন্য্যাশানাল স্কুলের ছাত্রী অনন্যা সিংহ মঙ্গলবার পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে দেখে, সে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে যেতে ভুলে গিয়েছে। তার অভিভাবকরা তখন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বেলেঘাটা থানার ওসি প্রদীপ ঘোষাল দ্রুত সেই ছাত্রী ও অভিভাবকদের নিয়ে তাদের বাড়ি চলে যান। অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে গাড়ি করে পরীক্ষা শুরুর আগেই পরীক্ষাকেন্দ্রে চলে আসে অনন্যা। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময়ে এক পরীক্ষার্থী গাড়ি পাচ্ছিল না। তখন শ্যামবাজার ট্রাফিক গার্ডের ওসি রাজকুমার সিং-এর নির্দেশে ট্রাফিক গার্ডের গাড়িই তাকে হোলি চাইল্ড স্কুলে পৌঁছে দেয়। বারুইপুর পুলিশ থানার ডিএসপি (ট্রাফিক) মহম্মদ কুতুবউদ্দিন হঠাৎ দেখেন, হরিমতি গার্লস স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে এক পরীক্ষার্থী কাঁদছে। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, মেয়েটির নাম অর্পিতা হালদার। স্কুলের ফি দিতে না পারায় সে অ্যাডমিট কার্ড পায়নি। পরীক্ষা শুরু হতে তখনও প্রায় ঘণ্টাখানেক বাকি। ডিএসপির নির্দেশে সোনারপুর ট্রাফিক গার্ডের কনস্টেবল রতন বিশ্বাস তাকে বাইকে করে নফরচন্দ্র গার্লস স্কুলে নিয়ে যান। সেখানে ফি দিয়ে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করে পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট আগেই পরীক্ষাকেন্দ্রে ফিরে আসে মেয়েটি। (ছবিসূত্র – কলকাতা পুলিশ)

পুরানো সেই দিনের কথা – যাদবপুর বাংলা বিভাগের ৩৪তম পুনর্মিলন উৎসব

১৯৮৬ সালের কথা। তার আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিজ্ঞানের কয়েকটি বিভাগ পুনর্মিলন উৎসবের আয়োজন করে। কিন্তু এমন একটি উৎসব বছরে একবার বাংলা বিভাগ থেকে করা যায় না? এমনটাই ভেবেছিলেন কবি এবং তৎকালীন বিভাগীয় অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষ। তারপর তাঁর উদ্যোগেই শুরু হয় বাংলা বিভাগের পুনর্মিলন উৎসব। সেই উপলক্ষে প্রকাশিত হল একটি স্মারক পত্রিকা। প্রচ্ছদ এবং নামাঙ্কন করেছিলেন পূর্ণেন্দু পত্রী। একমাত্র বাংলা বিভাগই ৩৩ বছর ধরে এই উৎসব আয়োজন করে এসেছে। কোনো বছর বন্ধ হয়নি। পুনর্মিলন পত্রিকার ফেলে আসা ইতিহাসকে আরেকবার ছুঁয়ে দেখতে বিভাগের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছে একটি প্রদর্শনীর। যেখানে পত্রিকার বহু পুরোনো সংখ্যা দেখা যাবে। উদ্যোগ নিয়েছেন বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান অধ্যাপকেরা। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলা বিভাগের পুনর্মিলন উৎসব পালিত হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গান্ধী ভবনে। অভিনীত হবে ‘গুলশন’ নাটক এবং অনুষ্ঠিত হবে ‘গানে ও ভাষ্যে সিনেমার গানঃ সময় ও স্বাদের পালাবদল’। উপস্থিত থাকতে পারেন শঙ্খ ঘোষ, অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত, পবিত্র সরকার-সহ বহু প্রাক্তনী ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা।
Developed by DXDasia