কলকাতা পুলিশের নতুন ‘হিরো’ এই কালো ল্যাবরাডর
১৬-২০ জুলাই, ‘অল ইন্ডিয়া পুলিস ডিউটি মিট’-এর আসর বসেছিল রাজধানী লখনৌতে। গোটা দেশ থেকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্য পুলিশের সমস্ত শাখা ও বিভাগের প্রতিনিধিরা। এছাড়াও ছিলেন ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স, সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং সশস্ত্র সীমা বল-এর প্রতিনিধিরাও। এই মিটেরই অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন পুলিশ টিমের ডগ স্কোয়াডের মধ্যে প্রতিযোগিতা। এখানেই কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডকে প্রতিনিধিত্ব করছিল চার্লস। একটা কালো রঙের ল্যাবরাডর প্রজাতির কুকুর।
এই প্রতিযোগিতাতেই রৌপ্য পদক জিতে কলকাতা পুলিশের মুখ উজ্জ্বল করেছে চার্লস। তার পরীক্ষা কিন্তু মোটেই সহজ ছিল না। প্রশিক্ষকের প্রতি তার তার আনুগত্য খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেছেন মাননীয় বিচারকরা। তারপর, বড়ো বড়ো বিল্ডিং, মালপত্র, গাড়ি এমনকি শরীরের ভিতরে লুকিয়ে রাখা মাদকও খুঁজে বের করতে হয়েছে তাকে। সমস্ত পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়ে, ৪২৫ পয়েন্টের ভিতরে ৩৬৭ পয়েন্ট পেয়ে প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে চার্লস। সামান্য কয়েকটা পয়েন্টের জন্য হাতছাড়া হয়েছে সোনা। তাতে কী! এই সাফল্যও কম বড়ো কথা নয়।
চার্লস অবশ্য অনেক আগে থেকেই কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডের হিরো। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে ডগ স্কোয়াডে এসেছিল এই ছটফটে, বুদ্ধিমান চারপেয়েটি। ডিউটিরত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ মাদক খুঁজে বের করেছে সে। তার দায়িত্ববোধ রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। এবারে গোটা দেশের সামনেও নিজের জাত চিনিয়েছে চার্লস। স্বাভাবিকভাবেই এই সহকর্মীকে নিয়ে গর্বিত কলকাতা পুলিস।
ছবি: কলকাতা পুলিশের ফেসবুক পেজ থেকে।