দিনযাপনে বাছাই করা খবর
বাংলার ব্রাহ্মীশাক ভারতসেরা, জানাল জাতীয় স্তরের গবেষণা
জাতীয় স্তরে খ্যাতিসম্পন্ন জার্নাল ‘ক্রশমার্ক’-এ প্রকাশিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। সেখানকার গবেষণাপত্রে জানা গেছে দেশের ১৩টি শহর থেকে সংগ্রহ করা হয় ব্রাহ্মীশাক। সেখানে সেরার শিরোপা পেয়েছে কলকাতা তথা বাংলার ব্রাহ্মীশাক। সমস্তরকম ওষধিগুণে ভরপুর এই শাক। দেখা গিয়েছে, মূলত যে উপাদান বা অ্যালকালয়েডের কারণে ব্রাহ্মীর স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর এত জগৎজোড়া খ্যাতি, সেই ‘ব্যাকোসাইড এ’ কলকাতা তথা বাংলার ব্রাহ্মীশাকের নমুনায় রয়েছে সবচেয়ে বেশি। আইলা বিপর্যয়ের পর বর্তমানে ব্রাহ্মীর হাত ধরেই উপার্জনের বিকল্প পথের খোঁজ পেয়েছেন নামখানা এবং সাগরের অসংখ্য চাষি। যে ১৩টি শহরকে প্রথম পর্যায়ে বাছাই করা হয়েছিল তাদের মধ্যে ছিল – কলকাতা, সোলান, দিল্লি, যমুনানগর, চণ্ডীগড়, হরিদ্বার, দেরাদুন, মানকপুর, আম্বালা, বারাণসী, সাহারানপুর, রোহতক এবং যোগীন্দরনগর। সেরার সেরা শিরোপা পেয়েছে বাংলার চাষিরাই।

আজ শুরু মাধ্যমিক, পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ঢালাও ব্যবস্থা প্রশাসনের
ছাত্রজীবনের প্রথম বড়ো পরীক্ষা মাধ্যমিক শুরু হল আজ। এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৮৮ জন, যা গতবারের তুলনায় কম। ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৭৯ জন ছাত্র এবং ৫ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯ জন ছাত্রী এবার পরীক্ষায় বসছে। তাদের সে কোনো সমস্যার সমাধানে কন্ট্রোল রুম খোলা থাকছে দিনরাত। প্রয়োজন হলে ০৩৩-২৩৫৯-২২৬৪ এবং ০৩৩-২৩৫৯-২২৭৪ নম্বরে ফোন করতে পারেন। পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছেন, রাস্তায় পরীক্ষার্থী দেখলেই বাস থামিয়ে তুলে নিতে হবে তাকে। সরকারি বাস হোক বা বেসরকারি, পরীক্ষার্থীকে তার পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিতে হবে। যেসব গাড়ি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে যাবে, সেগুলোর স্পিড গভর্নর পরীক্ষা করে ঠিকঠাক রাখা বাধ্যতামূলক। এছাড়া, পরীক্ষার দিনগুলি ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে সিসি ক্যামেরায় বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। মাইক, লাউডস্পিকার বা অন্য কোনো সমস্যা হলে ১০০ অথবা ৯৪৩২৬১০৪৪৩, ৯৪৩২৬১০৪৪৬, ৯৮৭৪৯০৩৪৬৫, ৯৮৩২৬২৪৩৬৫ নম্বরে ফোন কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ করে জানানো যাবে কলকাতা পুলিশকে। রাস্তার কোনো সমস্যায় কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের সাহায্য পেতে চাইলে ফোন করতে হবে ১০৭৩, ৯৮৩৬৯৮৪৮১৪, ২২৫০৫০৯৬, ২২১৪৩৬১৪ নম্বরে। ফোন করতে অসুবিধা হলে রাস্তার কোনো ট্রাফিক কর্মীকে বললেই তিনি সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসবেন। রাস্তায় দিকনির্দেশ থাকছে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির নাম দিয়ে। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের গাড়িকে আগে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ।

মহানগরের গাছ, পাখি, মাছের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ করছে পুরসভা
তিলোত্তমার কোন অঞ্চলে কী কী ধরনের গাছপালা আছে, তাতে কোন কোন পাখির বাস, জলাশয়গুলিতে মাছ কত পরিমাণে আছে – ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করে জীববৈচিত্র্যের তথ্যশালা প্রস্তুত করছে কলকাতা পুরসভা। এই নিয়ে সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন কলেজের পড়ুয়া এবং বেশ কয়েকটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের হাতে। সোমবার উদ্যান বিভাগের মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের নেতৃত্বে বায়োডাইভার্সিটি বোর্ডের মিটিং হয়। কলকাতার ১৫টি কলেজের মূলত প্রাণীবিদ্যা ও উদ্ভিদবিদ্যার পড়ুয়া এবং অধ্যাপকরা তাতে হাজির ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন ১২টি পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে সমীক্ষা হবে ৩৭টি ওয়ার্ডে। তারপর ধাপে ধাপে সব ক’টি ওয়ার্ডেই চলবে সমীক্ষা। পরিবেশ দূষণ রোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা এই সমীক্ষা থেকে উঠে আসবে। দেবাশিস কুমার জানিয়েছেন, শহরের ৬ এবং ৮ নম্বর বরোয় জীববৈচিত্র্যের তথ্যশালা বানানোর কাজ ইতিমধ্যেই প্রায় শেষের পথে।