৫০০ বছর অতিক্রান্ত পানিহাটির জনপ্রিয় দণ্ড মহোৎসব

পানিহাটি পৌরসভার সবথেকে জনপ্রিয় উৎসব

পানিহাটির ইতিহাস হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। ঈশ্বরবিশ্বাসী মানুষদের মতে, পানিহাটির মতো পুণ্যতীর্থভূমি দ্বিতীয় নেই। গৌড়রাজ বল্লাল সেনের সময়ে এই অঞ্চল ছিল বৌদ্ধতন্ত্র উপাসনার কেন্দ্র। অধুনা এটি শাক্ত, শৈব, বৈষ্ণবের মিলনক্ষেত্র। বিপ্রদাস পিপলাইয়ের ‘মনসামঙ্গল’, দয়ানন্দের ‘চৈতন্যমঙ্গল’, বৃন্দাবন দাসের ‘চৈতন্য ভাগবত’, কৃষ্ণদাস কবিরাজের ‘শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত’-র মতো রচনায় বারবার পানিহাটির উল্লেখ পাওয়া যায়। কিংবদন্তি অনুযায়ী, পানিহাটির আদি নাম ছিল ‘পণ্যহট্ট’। প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যের এক জমজমাট কেন্দ্র ছিল এই এলাকা, তাই পণ্যের হাট অর্থাৎ ‘পণ্যহট্ট’ নামটিকে অপ্রাসঙ্গিক মনে হয় না। জনশ্রুতি রয়েছে, যশোরের বিখ্যাত পেনেটি ধানের বিকিকিনি এখানে চলত। মনে করা হয়, ‘পেনেটি’ থেকেই ‘পানিহাটি’ নামটির জন্ম। আরেকটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, পানিহাটি এসেছে ‘পুণ্যহট্ট’ থেকে। গৌড় মণ্ডলমধ্যেই যতগুলি শ্রীপাট রয়েছে, তার মধ্যে পানিহাটিই বর্তমানে সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রীপাট। এই ‘শ্রীপাট’ পানিহাটির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব হল দণ্ড মহোৎসব (Dandamahotsav)। এ বছর উৎসবটি ৫০৭তম বছরে পড়ল। ইতিহাস, ঐতিহ্য আর আধ্যাত্মবাদের এক অদ্ভুত মিশেল হল পানিহাটির দণ্ড মহোৎসব।

ষোড়শ শতকে চৈতন্যদেবের সময় পানিহাটিতে বৈষ্ণব আন্দোলনের প্রভাব পড়েছিল। পানিহাটির যে ঘাটে প্রথম চৈতন্যদেব পা রেখেছিলেন, তা শ্রীচৈতন্য ঘাট নামে পরিচিত ছিল। ১৫১০ সালে ঈশ্বরপুরীর কাছে দীক্ষা নিয়ে চৈতন্যদেব পুরীতে যান। পুরী থেকে বাংলায় ফেরার সময় তিনি পানিহাটিতে আসেন। দিনটা ছিল ১৫১৪ সালের কার্তিক মাসের কৃষ্ণা দ্বাদশী। সেখান থেকেই তিনি শান্তিপুর গিয়েছিলেন। চৈতন্যমঙ্গল অনুযায়ী, সে সময় ভাগীরথীর পূর্বতীরে পানিহাটির মতো সমৃদ্ধ গ্রাম আর দুটো ছিল না। গঙ্গাতীরে বট ও অশত্থ গাছের নিচে বসে চৈতন্যদেব আর নিত্যানন্দ মহাপ্রভু বিশ্রাম করেছিলেন। এটিই আজকের মহোৎসব তলা ঘাট। 

মহোৎসব তলা ঘাট

এখানেই রয়েছে মহাপ্রভুর মন্দির, মূর্তি। রাঘবভবন এবং মহোৎসব তলা মিলিয়েই পালিত হয় দণ্ড মহোৎসব। ১৯০৫ সালের ভূমিকম্পে শ্রীচৈতন্য ঘাটটি ভেঙে যায়। তবে যে গাছের নীচে চৈতন্যদেব এবং নিত্যানন্দ বসেছিলেন, সেই ‘অক্ষয় বটবৃক্ষ’ (জনশ্রুতি অনুযায়ী) এখনও অক্ষত। 

‘অক্ষয় বটবৃক্ষ’

দণ্ড মহোৎসব শুরু হল কীভাবে? দণ্ডই বা কী?

সন্ন্যাস নিয়ে শান্তিপুরে ফিরেছেন শ্রীচৈতন্য। দলে দলে ভক্ত অনুরাগীরা আসছেন তাঁকে দেখতে। শান্তিপুরে তখন জনসমুদ্র। হঠাৎ একদিন সকালে শান্তিপুরের গঙ্গার ঘাটে ভিড়ল একখানি সুসজ্জিত নৌকা। এক যুবক নেমে এসে জানতে চাইলেন, ‘কোথায় ওই নবীন সন্ন্যাসীর দেখা মিলবে?’ ঘাটের মানুষ জানালেন— পথের সব মানুষ যে দিকে চলেছেন, সেই পথেই তাঁর সাক্ষাৎ মিলবে।

প্রতি বছর ওই তিথিতে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয় পানিহাটিতে। বিতরণ করা হয় চিড়ে-দই। এছাড়াও বিভিন্ন বৈষ্ণব মঠ-মন্দিরে উৎসব পালিত হয়। বহু বৈষ্ণববাড়িতে চিড়ে দই ভোগ হয় এদিন। মেলা বসে পানিহাটিতে। স্থানীয় এক টোটো চালক মহোৎসব তলা পৌঁছে দেওয়ার পথে তাঁর ছোটবেলার কথা বলছিলেন, “আজ থেকে কুড়ি-পঁচিশ বছর আগে, আমরা আগের দিন গঙ্গার ঘাটে দেখতে যেতাম, সাধু, সন্ন্যাসীরা আগের দিন চলে আসতেন। এখনও তাই হয়। আগে মাঠের মধ্যে বড়ো বড়ো পাত্রে দই চিড়ে মাখা হত, সেটাই প্রসাদ। ওই খেতেই যেতাম। এখন লুচি, আলুর দম, খিচুড়ি সব দেওয়া হয়। গত কয়েক বছরে দই চিড়ের মেলা অনেক বড়ো হয়েছে।”

ওই আগন্তুকের নৌকো, মূল্যবান পোশাক, লোকলস্কর দেখে তাঁকে সাধারণ বলে মনে হয়নি। তদানিন্তন বাংলার নৌ-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র সপ্তগ্রামের বিখ্যাত ধনী বণিক হিরণ্য-গোবর্ধনদের একমাত্র বংশধর, ওই যুবক হলেন জমিদার গোবর্ধন দাসের পুত্র রঘুনাথ দাস। চৈতন্যদেবকে দেখে সে সম্মোহিত, সিদ্ধান্ত নিলেন সন্ন্যাস নেবেন। সে’কথা চৈতন্যদেবের কানে পৌঁছতেই ফল হল উল্টো। তিরস্কার করে ফিরিয়ে দিলেন যুবককে। গোটা ঘটনার সাক্ষী থাকলেন নিত্যানন্দ। এরপর চৈতন্যদেব পুরী চলে গেলেন। অন্যদিকে ধীরে ধীরে বিষয়কর্ম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে থাকেন যুবক। বিয়ে দিয়েও সংসারে তাঁর মতি ফেরানো যায় না। বারবার নীলাচলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু জমিদার পিতা তাঁকে আটকে দেন প্রতিবার। এগারো জন প্রহরী নিয়োগ করেন। 

এরই মধ্যে ১৫১৬ নাগাদ পুরী থেকে নিত্যানন্দকে বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারের দায়িত্ব দিয়ে বঙ্গদেশে পাঠালেন শ্রীচৈতন্য। নিত্যানন্দ এসে উঠলেন খড়দহে, পানিহাটির রাঘব পন্ডিতের বাড়ি ঘিরে শুরু হল নাম-সংকীর্তনের কাজ। পানিহাটিতে তখন রোজই উৎসব। গঙ্গার পাড়ে এক বট গাছের তলায় বসে নিত্যানন্দ কথা বলেন ভক্তদের সঙ্গে, কখনও কীর্তন করেন, নাচেন। এ খবর গেল রঘুনাথের কানে, সে চলে এল পানিহাটিতে। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তিথি, নিত্যানন্দ তখন পারিষদসহ গঙ্গার তীরে বসে রয়েছেন। রঘুনাথ দূর থেকে তাঁকে প্রণতি জানালেন। নিত্যানন্দ তখন উত্তরে বললেন, 

চোরা দিলি দরশন।
আয় আয় আজ তোর করিমু দণ্ডন।।

রঘুনাথ কাছে গেলেন না। নিত্যানন্দ কাছে টেনে তাঁর মাথায় শ্রীপাদপদ্ম স্পর্শ করলেন। কৃপা করে তাঁকে বললেন, 

নিকটে না আইস, চোরা ভাগ দূরে দূরে।
আজি লাগ পাঞাছি দণ্ডিমু তোমারে।।
দধি, চিড়া, ভক্ষণ করাহ মোরে গনে।।

রঘুনাথকে নিত্যানন্দ বলেছিলেন, ‘ওরে চোরা, তুই বাড়ি থেকে কেবল পালিয়ে পালিয়ে আসিস, আর চুরি করে প্রেম আস্বাদন করিস-আমরা কেউ জানতে পারি না! আজ তোকে দণ্ড দিব, তুই চিড়ার মহোৎসব করে ভক্তদের সেবা কর।’ আদেশ পেয়ে সমবেত ভক্তদের জন্য আহারের ব্যবস্থা করলেন রঘুনাথ। প্রত্যেক ভক্তের জন্য মাটির হাড়িতে পর্যাপ্ত চিড়ে-দইয়ের আয়োজন করলেন। দিনটি সেই থেকেই বৈষ্ণব সমাজে ‘দণ্ড মহোৎসব’ নামে পরিচিত। দণ্ডের ছলে মহোৎসব আয়োজিত হল, তাই দণ্ড মহোৎসব। একে কৃপা দণ্ড বলা হয়। শোনা যায়, নিত্যানন্দ মহাপ্রভু নাকি দৈব ক্ষমতাবলে সে সময় চৈতন্যদেবকে নিয়ে এসেছিলেন মহোৎসব তলায়। কৃষ্ণদাস কবিরাজ চৈতন্যচরিতামৃতে লিখেছেন – 

মহাপ্রভু আইল দেখি নিতাই উঠিলা।
তাঁরে লঞা সবার চিড়া দেখিতে লাগিলা।।

প্রতি বছর ওই তিথিতে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয় পানিহাটিতে। বিতরণ করা হয় চিড়ে-দই। এছাড়াও বিভিন্ন বৈষ্ণব মঠ-মন্দিরে উৎসব পালিত হয়। বহু বৈষ্ণববাড়িতে চিড়ে দই ভোগ হয় এদিন। মেলা বসে পানিহাটিতে। স্থানীয় এক টোটো চালক মহোৎসব তলা পৌঁছে দেওয়ার পথে তাঁর ছোটবেলার কথা বলছিলেন, “আজ থেকে কুড়ি-পঁচিশ বছর আগে, আমরা আগের দিন গঙ্গার ঘাটে দেখতে যেতাম, সাধু, সন্ন্যাসীরা আগের দিন চলে আসতেন। এখনও তাই হয়। আগে মাঠের মধ্যে বড়ো বড়ো পাত্রে দই চিড়ে মাখা হত, সেটাই প্রসাদ। ওই খেতেই যেতাম। এখন লুচি, আলুর দম, খিচুড়ি সব দেওয়া হয়। গত কয়েক বছরে দই চিড়ের মেলা অনেক বড়ো হয়েছে।” প্রসঙ্গত,  হালের কয়েক বছর দণ্ড মহোৎসবের নাম হয়েছে দই চিড়ের মেলা (Doi Chirer Mela)।

দণ্ড মহোৎসবকে ঘিরে গঙ্গার ঘাটে মানুষের সমাগম

মেলা উপলক্ষ্যে আসা এক জিলিপির দোকানদারের সঙ্গে কথা হচ্ছিল, তাঁরা গত পঞ্চাশ বছর ধরে এই মেলায় আসছেন। দোকান দিচ্ছেন তাঁর বাবার আমল থেকে। তবে জানালেন, এবার উৎসবের একদিন পর থেকে দোকান দিয়ে বসবেন। তাঁর কথায়, “বিক্রি ভালোই হয়, প্রচুর লোক আসে।”

চৈতন্য মহাপ্রভুর মন্দিরের সেবাইত, শ্রী বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়, এই উৎসবের আরেকটি দিক তুলে ধরলেন। বৈষ্ণব সমাজে মালসা ভোগ প্রথার উদ্ভাবন হয়েছিল পানিহাটির দণ্ড মহোৎসব থেকেই, তাঁর কথায়, “রঘুনাথ দাস গোস্বামীকে নিত্যানন্দ প্রভু যখন বললেন আমার খুব খিদে পেয়েছে, তখন রঘুনাথ বিভিন্ন জায়গা থেকে চিড়ে, আম, কাঁঠাল, মুড়কি, দই সব ব্যবস্থা করে, মেখে, পরিবেশন করার উপায় ভাবছিল। তখন কুমোরপাড়াতে মাটির নাগড়ি, হাঁড়ি, কলসি তৈরি হত। এই সব মাটির জিনিস দু-ভাগে তৈরি হয়, একটা উপরের অংশ, অন্যটা নীচের দিকের অংশ। নীচের অংশটাকে মালসা বলে। রঘুনাথ সেই মালসা সংগ্রহ করে সবাইকে প্রসাদ দিতে শুরু করে, এমন সময় সে দেখে নিত্যানন্দ ধ্যানযোগে চৈতন্যদেবকে নিয়ে এসেছে। বলা হয়, কোনও কোনও ভাগ্যবান দেখিবারে পায়। রঘুনাথ ছাড়া কেউ চৈতন্যকে দেখতে পাচ্ছেন না। শান্তিপুরের সাক্ষাতের সময় রঘুনাথকে চৈতন্যদেব বলেছিলেন কৃষ্ণ চাইলে ঠিক তাঁদের দেখা হবে। এটাই কৃপা, কৃপা দণ্ড। মহোৎসব তলায় ভিড় দেখে রাঘব পন্ডিত ছুটে আসেন। (এই রাঘব পন্ডিতের বাড়িতেই নিত্যানন্দ তিনমাস ছিলেন) নিত্যানন্দ প্রভুকে বলেন চলুন প্রভু মদনমোহনের ভোগ হয়ে গিয়েছে, খাবেন চলুন। মদনমোহন হল রাঘবের সেবিত দেবতা। নিত্যানন্দ বলেন, রাঘব, তুমি এক কাজ করো ওগুলো জল দিয়ে ভিজিয়ে রাখো আমি আর খাবো না। রঘুনাথ এত মালসা ভোগ খাইয়েছে আমার পেট ভরে আছে। আমি আর এবেলা খাবো না।”

রাঘব ভবনে চলছে উৎসব

তিনি আরও জানান চৈতন্যমহাপ্রভুর পদচিহ্ন রয়েছে দণ্ড মহোৎসব তলার মন্দিরে। মহাপ্রভুর ষড়ভূজ দারু বিগ্রহ রয়েছে সেখানে। দুটি বাহু হলুদ, দুটি সবুজ এবং দুটি নীল। এছাড়াও বেলে পাথরের মহাপ্রভুর মূর্তি হয়েছে। চৈতন্যমহাপ্রভু দুবার এসেছিলেন পানিহাটিতে, এক কার্তিক মাসে কালী পুজোর দুদিন আগে আরেকবার আম বারুণীর সময়। 

মন্দিরের সেবাইত শ্রী বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, এই উৎসবে রামকৃষ্ণ পরমহংস পাঁচ বার এসেছিলেন। বিবেকানন্দও এসেছিলেন কিন্তু মা সারদা এখানে কখনও আসেননি। কথামৃততে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। বিবরণ অনেকটা এই রকম “ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পেনেটির মহোৎসবক্ষেত্রে বহুলোকসমাকীর্ণ রাজপথে সংকীর্তনের দলের মধ্যে নৃত্য করিতেছেন। বেলা একটা হইয়াছে। আজ সোমবার, জ্যৈষ্ঠ শুক্লা ত্রয়োদশী তিথী, ১৮ই জুন, ১৮৮৩। সংকীর্তনমধ্যে ঠাকুরকে দর্শন করিবার জন্য চতুর্দিকে লোক কাতার দিয়া দাঁড়াইতেছে। ঠাকুর প্রেমে মাতোয়ারা হইয়া নাচিতেছেন, কেহ কেহ ভাবিতেছে, শ্রীগৌরাঙ্গ কি আবার প্রকট হইলেন! চতুর্দিকে হরিধ্বনি সমুদ্রকল্লোলের ন্যায় বাড়িতেছে। চতুর্দিকে হইতে পুষ্পবৃষ্টি ও হরির লুট পড়িতেছে।”

এ বছর ৫০৯তম দণ্ড মহোৎসব পালিত হচ্ছে ৯ জুন। বিগত বছরে ভিড় এবং অত্যাধিক গরমের কারণে কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাই এবার প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল খুবই জোরালো। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তায় নির্বিঘ্নেই কেটেছে এবারের উৎসব। ভিনদেশ থেকেও ভক্তরা এসেছিলেন। একটা উৎসব পাঁচশো বছর ধরে চলে আসছে, ব্রিটিশরাজের অনেক আগে থেকে স্বাধীনতা লাভ, সব কিছুরই সাক্ষী সে। সে উৎসবকে ঘিরে মেলায় দেদার বিকোচ্ছে জিনিসপত্র, সমৃদ্ধ হচ্ছে পর্যটন শিল্প, টোটো চালক থেকে অটো চালক সকলের রুজিরুটি চলছে, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি হচ্ছে। ভক্তি, ঈশ্বরবিশ্বাস ও ইতিহাস, সব মিলিয়ে দণ্ড মহোৎসব আজ সর্বজনীন উৎসব হয়ে গিয়েছে।

_____________________________________
তথ্যঋণ: ক্ষেত্র সমীক্ষা
শ্রীমৎ রাঘব পন্ডিত ও শ্রীপাট পানিহাটি মাহাত্ম্য, শ্রী অমূল্যধন রায়, সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা
শ্রী শ্রী নিত্যানন্দ মহিমামৃত, শ্রী চৈতন্য সারস্বত মঠ

ছবিঋণ: panihatimunicipality.in

Developed by DXDasia