আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আজ সকাল থেকেই সল্টলেক করুণাময়ী সেন্ট্রাল পার্কে সাজো সাজো রব। শুরু হল কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। বিগত ২ বছর ধরে কোভিড বারবার বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বইমেলার পথে। সেই ধাক্কা সামলেই শুভ সুচনা হল কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২২।
এবছরের থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ। পালিত হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর। এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের ৪২ জন প্রকাশক। থাকছে ৮৫টি বাংলাদেশি স্টল। বাংলাদেশ ছাড়াও ব্রিটেন, আমেরিকা, রাশিয়া, ইতালি, ইরান, স্পেন,আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো এবং অন্যান্য লাতিন আমেরিকার দেশের স্টল রয়েছে ২০২২ এর কলকাতা বইমেলায়। এছাড়াও রয়েছে কলকাতার ছোটো বড়ো প্রকাশন সংস্থারা, রয়েছে ২০০টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টলও। মেলা প্রাঙ্গণে ঢোকা এবং বেরোনোর জন্য রয়েছে মোট নটি গেট ।
বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসে পৌঁছান করুণাময়ী সেন্ট্রাল পার্কের বইমেলার প্রাঙ্গনে। একে একে ঘুরে দেখেন বিভিন্ন স্টল। ফিতে কেটে, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে শুরু করেন উৎসবের। লোকগানের সুর এবং ঢাকের বোলের শব্দে করুণাময়ী প্রাঙ্গনে এ এক অন্যরকম আমেজ। কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভার্চুয়াল মাধ্যমেও লাইভ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম সহ একাধিক পিলিশ আধিকারিক।
বাংলার চতুর্দশ পার্বণ বইমেলা। কাঁটাতার পেরিয়ে বাঙালির মননে বাংলাদেশের গুরুত্ব যে আজ একই রকম তা আর বলে দিতে হয় না। এবছরের বইমেলা যেন এক অলিখিত মিলনের উৎসব। আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে সন্ধে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলাপ্রাঙ্গণ। গতবছর করোনার কারণে বইমেলা না হওয়ায় হতাশ ছিলেন অনেকেই। হতাশার রেশ কেটে এবছর হাসি ফুটল সকল বইপ্রেমিদের মুখে।