দিনযাপনে বাছাই করা খবর
আসছে ফুটবলার বনি পালের বায়োপিক
এক সময়ে তাঁর গোলে জাতীয় ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলার মহিলা দল। এশিয়া কাপে ভারতীয় দলের অন্যতম ফুটবলার হিসেবে তাঁকে বাছা হয়েছিল। কিন্তু তিনি মেয়ে কিনা, সেই প্রশ্নে তাঁকে ফুটবল ছাড়তে হয়। সেই বন্দনা পাল ২০০৬ সালে লিঙ্গ বদল করে হয়ে উঠেছেন বনি পাল। সমাজের অনেক নির্যাতন এবং নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তার মধ্যে লড়াই চালিয়ে দৃষ্টান্ত গড়েছেন তিনি। বিয়ে করেছেন কৃষ্ণনগরের মেয়ে স্বাতীকে। তার লড়াইয়ের গল্প নিয়ে আগে নির্মিত হয়েছিলে এক তথ্যচিত্র। এবার হিন্দিতে বনির বায়োপিক নির্মাণ করতে চলেছেন মুম্বাইয়ের বাঙালি পরিচালক বিষ্ণুদেব হালদার। বেশ কয়েক বছর ধরেই এই নিয়ে কথাবার্তা চলছিল। রবিবার সেই বায়োপিকের পাকা কথা এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হল।

সম্পূর্ণভাবে প্লাস্টিকমুক্ত হচ্ছে পাটুলির ভাসমান বাজার
সম্পূর্ণভাবে প্লাস্টিকমুক্ত হচ্ছে পাটুলির ভাসমান বাজার। পয়লা বৈশাখেই নতুন চেহারা নিচ্ছে এই ভাসমান বাজার। নিজেদের ভুল-ত্রুটি সারিয়ে সবকিছু সংস্কার করতে উদ্যোগী হয়েছে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভলপমেন্ট অথরিটি। যদিও শুরুতে বলা হয়েছে, বাজারকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখতে হবে। সে কথা মানেননি বিক্রেতারা। তবে এবার থেকে এই বিষয়ে জোর দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। গোটা দেশের মধ্যে এই ধরনের ভাসমান বাজার প্রথম কলকাতায় তৈরি করা হয় ২০১৮ সালে। প্রথমে ১১৪টি নৌকোয় ২২৮ জন ব্যবসায়ী বিক্রিবাটা শুরু করেছিলেন। কিন্তু নৌকোগুলোর আচ্ছাদনের সঠিক ব্যবস্থা করেননি বিক্রেতারা। জলে ভিজে নৌকোগুলির অবস্থা অল্পদিনেই বেহাল হয়ে যায়। সেগুলিও সারানো হচ্ছে। কিছু নতুন নৌকোও নামানো হচ্ছে। পাশাপাশি স্টলগুলির তুলনায় প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বেশি হওয়ায় কেনাকাটায় অসুবিধে হত ক্রেতাদের। এসব মাথায় রেখেই সংস্কারের কাজ চলছে এখন।

বেলুড় মঠে সন্ধ্যারতি আর মন্দিরের ভিতর নয়, দেখা যাবে বাইরের জায়েন্ট স্ক্রিনে
করোনা আতঙ্কের জের এবার বেলুড় মঠেও। দর্শনার্থীদের জন্য চালু করা হল একাধিক বিধিনিষেধ। আজ থেকেই বেলুড় মঠের মূল মন্দির চত্বরে বসে আর সন্ধ্যারতি দেখতে পারবেন না ভক্তরা। তার জন্য অন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঠ চত্বরের বিভিন্ন প্রান্তে তিনটি বড়ো জায়েন্ট স্ক্রিন তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই সরাসরি সন্ধ্যারতি দেখা যাবে। প্রেসিডেন্ট মহারাজ–সহ অন্যান্য মহারাজদের সঙ্গে ভক্তদের সাক্ষাৎও এখন বন্ধ রাখা হচ্ছে। এমনকি অতিথি নিবাসও আজ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেলুড় মঠের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রত্যেকে সাবধানে থাকুন, অযথা আতঙ্ক ছড়াবেন না।

লুপ্তপ্রায় কচ্ছপের প্রজনন ঘটিয়ে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে সুন্দরবন
বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপ এখন প্রায় বিলুপ্ত হতে চলছে। সারা পৃথিবীতে বর্তমানে জীবিত আছে এই প্রজাতির মোটামুটি সাড়ে পাঁচশোর মতো কচ্ছপ। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই রয়েছে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প এলাকায়। কৃত্রিম প্রজন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটিয়ে এদের সংখ্যাবৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। এই এলাকায় এখন বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের সংখ্যা ৩৭৪। কিছু পূর্ণ বয়স্ক বাটাগুর বাসকার গায়ে ট্রান্সমিটার লাগিয়ে সুন্দরবনের খাঁড়িতে ছেড়ে দেওয়ার কাজ চলছে। পশ্চিমবঙ্গের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে এই কাজের সূচনা হয়। পাশাপাশি, এখন বাদাবনে এই কচ্ছপগুলির পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছেন সুন্দবন ব্যাঘ্র প্রকল্পের কর্মকর্তারা।