আমি ‘গে’, তবে সেটা আমার একমাত্র ও সম্পূর্ণ পরিচয় নয় : অর্ঘ্য অধিকারী

স্ট্রাগেল, শিক্ষকতা, অভিনয়, লিঙ্গ পরিচয় সবকিছু নিয়ে অকপট অর্ঘ্য অধিকারী

অর্ঘ্য অধিকারী। এলজিবিটিকিউ কমিউনিটিতে খুবই পরিচিত এক মুখ৷ পেশায় শিক্ষক। এ ছাড়াও মডেলিং-অভিনয় করেন ভালোবাসার তাগিদে। কমিউনিটির আর পাঁচজন মানুষের চেয়ে নিজেকে একটু ‘প্রিভিলেজড’ বলতেই পছন্দ করেন। তার অন্যতম কারণ এই বৃহত্তর সমাজব্যবস্থাকে ‘পাত্তা’ না দেওয়া এবং ধীরে ধীরে খুব স্বাভাবিক নিয়মে নিজেকে বিকশিত করা। অর্ঘ্যের পরিচিতি বেড়েছে তথাগত ঘোষ পরিচালিত ‘মিস ম্যান’ ছবির দৌলতে। প্রাইড মান্থ উপলক্ষে বঙ্গদর্শনের পক্ষ থেকে একদিন যোগাযোগ করা গেল অর্ঘ্যের সঙ্গে। কবি-অভিনেতা-সাংবাদিক সুমন সাধু এবং অর্ঘ্য অধিকারীর এই ফোনালাপে উঠে এল সাম্প্রতিক সমাজ কাঠামোয় সমকামীদের অবস্থান।

সুমনঃ মানব কেমন আছে?

অর্ঘ্যঃ মানব তো একটা ছবির চরিত্র। ওর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত জীবনে খুব একটা মিল নেই। আর যেটুকু মিল আছে সেটা কমিউনিটিতে যারা থাকে বা যারা প্রথম এক্সপ্লোর করে তাদের সবার মধ্যেই দেখা যায়। যারা গ্রাম বা মফঃস্বলে বড়ো হয়ে ধীরে ধীরে কলকাতার মতো বড়ো শহরের দিকে যেতে চায়, তাদের জীবন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা আরও বাড়তে থাকে। মোটামুটি সকলেই এগুলোর মধ্যে দিয়ে যায়। আমার সঙ্গে মানবের মিল ওইটুকুই। আমার মনে হয়, মানব নিজের মতো ভালোই আছে।সুমনঃ অর্ঘ্য অধিকারী ‘মিস ম্যান’ ছবির দৌলতে এখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে গেছে। মিস ম্যানের আগের অর্ঘ্য কেমন ছিল? সারাদিন সে কী করত? কী ভাবত?

অর্ঘ্যঃ আমি ২০১৫ সাল থেকে মডেলিং করতাম টুকটাক। ‘মিস ম্যান’ আমার প্রথম অভিনীত ছবি। আসলে কিছুই পরিবর্তন হয়নি। মিস ম্যানের আগে যা ছিলাম, এখনও তাই আছি। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, এই ছবিটা অনেক বড়ো বড়ো জায়গায় গেছে, বহু গুণীজনেরা আলোচনা করেছেন। ছবির পরিচালক তথাগত ঘোষের নিশ্চয় খুবই ভালোলাগে তাতে। কারণ এটা ওর সন্তানের মতো। মিস ম্যানের স্ক্রিপ্ট পড়ে আমার মনে হয়েছিল, নিজের কমিউনিটির জন্য হয়তো কিছু করতে পারব।

বিশ্বের যত জায়গায় ছবিটা ঘুরুক না কেন, কলকাতায় যেদিন প্রিমিয়ার হল সেই দিনটাই একমাত্র আমার কাছে স্পেশাল। সেদিনই আমার মা, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুরা ছবিটা দেখতে পেরেছিল। আমার কাছে তাঁদের বক্তব্যটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাকি কে কী বলল, যায় আসে না। তাই আমার মনে হয় না কিছু পাল্টেছে।সুমনঃ কিন্তু অর্ঘ্য, এলজিবিটি বিষয় নির্ভর ছবি কেন ট্র্যাজিডি দিয়ে শেষ হবে? কিছুটা হলেও কি নেতিবাচকতা গুরুত্ব পেয়ে যাচ্ছে বেশি?

অর্ঘ্যঃ হ্যাঁ, কিছুটা তো ঠিকই। কিন্তু আমাদের ভারতীয় সমাজ কি ততটাও এগিয়েছে? মানলাম ৩৭৭ ধারা পাশ হয়েছে, কিন্তু সমাজ কি খুব পাল্টেছে? দেশে প্রচুর প্রচুর মানুষ আছেন, যাঁদের সঙ্গে ওই ট্র্যাজিক ঘটনাগুলোই ঘটে চলেছে। আমার জীবনে কিন্তু কোনো ট্র্যাজিক ঘটনা নেই। সেইদিক থেকে আমি প্রিভিলেজড। আমি যেখানে যেভাবে গিয়েছি, মানুষ সেভাবেই ভালোবেসেছে। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে তো সেটা হয় না। সুতরাং তাঁদের দুঃখ, কষ্ট, ব্যথার কথা বলার জন্য সিনেমায় ট্র্যাজিডির উপর ভরসা করতে হবে। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, একটা নেগেটিভ ভাইভ হয়তো তৈরি করে৷ কিন্তু মিস ম্যান-এর ক্ষেত্রে দেখেছি, যাদের সত্যিই একটা ফোবিয়া ছিল, তাদের কিন্তু ভাবিয়েছে যে, এতটা কষ্ট পেতে হয়? এতটা স্ট্রাগেল থাকে? এই ভাবনাগুলোর পেছনে সিনেমার একটা সার্থকতাও রয়েছে।

সুমনঃ ৩৭৭ ধারা পাশ হবার পর এলজিবিটির লড়াইটা কি আরও শক্ত হয়েছে?

অর্ঘ্যঃ না, কিছুটা সুবিধাই হয়েছে। আইনিভাবে আমরা আর ‘ক্রিমিনাল’ নই। যেখানে ৩৭৭ পাশ হবার আগে আমাদের ক্রিমিনালের চোখেই দেখা হত। একটা জিনিস যদি তুমি খেয়াল করো দেখবে, প্রচুর বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি তাদের লোগো রামধনুময় করে দিচ্ছে। আজ যখন সুইগি বা উবার প্রাইড মান্থে নিজেদের লোগো রেইনবো করে দিচ্ছে, সেটা প্রচুর সংখ্যক মানুষের কাছে কিন্তু পৌঁছে যাচ্ছে। অবশ্যই এটা তাদের বিজনেস স্ট্র‍্যাটেজি। তা সত্ত্বেও এর অনেক ভালো দিক আছে। সাধারণ মানুষ দেখছে, হঠাৎ করে চারদিকটা রামধনুময় হয়ে গেছে। আগে কেউ জানতই না, জুন মাসকে প্রাইড মান্থ বলে। এখন কমিউনিটির বাইরেও প্রচুর মানুষ এই মাসটা সেলিব্রেট করছেন। তবে হ্যাঁ, সবাই তো এক মানসিকতার হবেন না। তাই লড়াইটা কঠিন হয়ে যায়নি, বরং একধাপ এগিয়ে গেছে। এখনও অনেক লড়াই বাকি।সুমনঃ এই যে তুমি বললে, সবাই এক মানসিকতার হন না। ঠিক এই জায়গা থেকেই আমার একটা অবজারভেশন আছে। এক নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক বন্ধু আরেক বন্ধুর পরিচয় দিতে গিয়ে বলছে, ‘ও খুব ভালো গান গায়, কিন্তু ও গে’। অথবা, ‘আমার ওই বন্ধুটা দারুণ লেখে জানিস, কিন্তু ও লেসবিয়ান’। এই যে ‘কিন্তু’ নামক শব্দটা ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সমস্যাটা এখানেই। অনেকে এখনও ‘ছেলেবেলা’ ব্যবহার করেন, ‘ছোটোবেলা’ নয়।

অর্ঘ্যঃ আসলে এর জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাটাও পাল্টাতে হবে। একদম প্রাথমিক স্তর থেকেই। তুমি যেমন ‘ছেলেবেলা’ আর ‘ছোটোবেলা’র প্রসঙ্গ তুললে, তেমনই ধরো ‘ম্যানকাইন্ড’। আসলে তো ‘হিউম্যানিটি’ হওয়া উচিত। জেন্ডার নিউট্রাল শব্দগুলো সামনে রেখে আমাদের এডুকেশন সিস্টেম আরও জোরালো করতে হবে। কিন্তু এগুলো রাতারাতি পাল্টে যায় না। যে যে দেশে ভারতের অনেক আগেই এলজিবিটি রেভোলিউশন শুরু হয়েছে, সেখানেও এই ব্যারিকেডগুলো রয়েছে। এখন এগুলো তুমি, আমি বা আমাদের মতো আরও কিছু মানুষ যদি সংশোধন করতে করতে যাই, তাহলে ধীরে ধীরে কিছুটা পাল্টাতে পারে।

আর তা ছাড়া কেউ তো আমাকে ‘গে’ বলে পরিচয় করিয়ে দিতে পারে না। এটা আমার একটা পরিচয়, কিন্তু সম্পূর্ণ পরিচয় তো নয়। আমার নিজের জীবনেই এমনটা ঘটেছে। আমি একটা প্রাইভেট স্কুলে শিক্ষকতা করি। এখন স্কুল বদলাতে চাইছি। আমার এক বন্ধু ও কলিগ যে স্কুলে পড়াত, সে তার স্কুল বদলাবে বলে ওর সিটটা ফাঁকা হয়েছে। তার জায়গাতে যাতে আমি ঢুকতে পারি, সেই ব্যাপারে স্কুলের ম্যানেজমেন্টকে বলে। আমার ব্যাপারে বিশদে জানানোর পর বলে, অর্ঘ্য কিন্তু গে। এটা বলার তো কোনো প্রয়োজন ছিল না। কারণ আমি সেখানে শিক্ষকতা করতে যাচ্ছি। তাঁদের যদি যোগ্য বলে মনে হয়, তবেই নেবেন। বন্ধুটি হয়তো আমার উপকারই করতে চেয়েছিল আগে থেকে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে। কিন্তু সেটা ছিল মিশনারি স্কুল। তারপরেও আমায় ইন্টারভিউতে ডাকা হয়েছিল, ওদের ভালোও লেগেছিল। পরে আমি জানতে পেরেছি, আমি কতটা গে এবং কীরকম গে বোঝার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমার ফেসবুক স্টক করতে থাকে। তারপর মনে হয়েছে আমি তাদের স্কুলে সমস্যার কারণ হতে পারি, তাই আর নেওয়া হয়নি। সেটা আবার দক্ষিণ কলকাতার একটি নামী স্কুল। শুধুমাত্র আমার জেন্ডার আইডেন্টিটির জন্য এতখানি বৈষম্যের সম্মুখীন হওয়ার ঘটনা, আমার জীবনে এটাই প্রথম।সুমনঃ তুমি একজন জেন্ডার অ্যাক্টিভিস্ট। কমিউনিটির কিছু মানুষের একটা মন্তব্য আছে, ‘কমিউনিটির আন্দোলন শহুরে, গ্রামে পৌঁছায়নি। তাই গ্রামের মানুষের যন্ত্রণা কেউ বুঝবে না।’ এটা তুমি বিশ্বাস করো?

অর্ঘ্যঃ অনেকটাই সত্যি কথা। শুধু ভারতে নয়, পৃথিবীর সমস্ত দেশের ক্ষেত্রেই সত্যি। কমিউনিটির বেশিরভাগ সদস্যই শহরের। কিছু সংগঠন চেষ্টা করে গ্রামে গিয়ে কাজ করার। কিন্তু অনেকসময় মতবিরোধ হয় বলে সমস্যাও থাকে। গ্রামের মানুষরা কোথাও গিয়ে পিছিয়েই যায়। শহর ছাড়িয়ে আমাদের সার্বিক আন্দোলন করতে অনেকখানি সময় লাগবে।

সুমনঃ একটু আগেই বললে, বাকি পাঁচজন সমকামীর চেয়ে তুমি অনেক বেশি প্রিভিলেজড। ২০২১-এও কিন্তু এমন উদাহরণ খুব কম। এই সমাজের কাছে বা বন্ধুদের কাছে (যারা এখনও সমাজে প্রকাশ করতে পারেননি), তোমার বার্তা কী হবে?

অর্ঘ্যঃ বি ইওরসেল্ফ। তুমি যা, তুমি সেটাই। প্রমাণ দেওয়ার জন্য আলাদা করে কিছু করতে হবে না। ইদানীং একটা জিনিস চোখে পড়ে, হয় কেউ কেউ নিজেদের সাংঘাতিকভাবে গুটিয়ে ফেলেন, নয়তো ভীষণ লাউডলি প্রকাশ করেন। এগুলো ভুল। প্রত্যেকটা জিনিসেরই একটা প্রক্রিয়া রয়েছে। হয়তো কেউ কেউ জেন্ডার নিউট্রাল পোশাক পরছে বা মেকআপ করছে, সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু সেগুলো যেভাবে প্রকাশ করা হয়, তাতে আমার মনে হয় কিছু গণ্ডগোল রয়েছে। হঠাৎ করে মানুষ কোনোকিছুই গ্রহণ করতে পারেন না। আর সে যাই করুক না কেন, কনফিডেন্টলি করতে হবে৷ তোমার নিজের কাছে যেন সঠিক ও সৎ উত্তর থাকে। অন্যের দেখাদেখি কিছু করার দরকার নেই। তুমি তোমার মতো করে প্রকাশিত হও।সুমনঃ তোমাকে যারা একটা সময় টোন টিটকিরি করত, তারা মিস ম্যান দেখেছে? প্রতিক্রিয়া পেয়েছ?

অর্ঘ্যঃ আসলে কোনোদিনই সাংঘাতিক টোন টিটকিরি আমাকে সহ্য করতে হয়নি। যা হয়েছে টুকটাক। সেটা তো হতেই থাকে। সেগুলোকে পাত্তা দিইনি বিশেষ। তবে আমার এক ছাত্রের কথা বলব, যে মিস ম্যান দেখে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল। সেটা আজীবন মনে রাখার মতো একটা বিষয়।

ওর খুব প্রিয় শিক্ষক আমি। গতবছর মাধ্যমিক রেজাল্টের পর সে মিস ম্যান দেখে। তার বক্তব্য ছিল, আপনার বাবা যে হয়েছিল, সে আপনাকে খুব মারছিল, আপনার লাগেনি? ওর প্রিয় শিক্ষককে মারছে দেখে খুবই কষ্ট পেয়েছিল। তারপর বলেছিল, সে তো না হয় বুঝলাম এটা অভিনয়, কিন্তু প্রতিদিন এরম কত মানুষকে অত্যাচার সহ্য করতে হয়, তাই না স্যার?

এবং আমার ছাত্র বলে, বড়ো হয়ে সে কিছু করতে চায়। সিমপ্যাথি না, তাদের পাশে দাঁড়াতে চায়। এই বয়সের ছেলে যে এতগুলো কথা বলল, তাতেই আমি অবাক হয়েছিলাম। বলতে পারো এটা আমার জীবনে পাওয়া অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিক্রিয়া।সুমনঃ জেভিয়ার ডোলানের একটা ছবির প্রসঙ্গ টেনে আজকের আড্ডা শেষ করব। ডোলান পরিচালিত ছবি, ‘লরেন্স এনিওয়েজ’। সেখানে প্রোটাগনিস্ট পুরুষ অধ্যাপক একদিন হঠাৎ করে মেয়ের বেশে ক্লাসে যান। তাতে ছাত্রছাত্রীরা বিচলিত না হয়ে, অধ্যাপককে স্বাগত জানান বেশ হাসিমুখে। কিন্তু কলেজের বাকি অধ্যাপকেরা এই দৃশ্য কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না। এই ঘটনা যদি আমাদের বাংলার কোনো কলেজে ঘটে, কী প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে বলে তোমার মনে হয়?

অর্ঘ্যঃ এই ঘটনা আমাদের পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে। উত্তরবঙ্গে একজন থাকেন, অ্যানি। উনি একটা প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। এখন উনি সেক্স চেঞ্জ করেছেন। কিন্তু একটা সংগঠনের সঙ্গে আমরা যখন দুজনেই যুক্ত ছিলাম, তখন তিনি এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি অ্যানিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তোমাকে ছাত্ররা কীভাবে দ্যাখে? ওঁর উত্তর ছিল, আলাদা করে কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রথমদিকে ছাত্রছাত্রীরা ‘স্যার’ সম্বোধন করত। তারপর যখন অ্যানি ব্রেস্ট সার্জারি করে ছয় মাস ছুটি কাটিয়ে স্কুলে গেলেন (ততদিনে ওঁর চুল বড়ো হয়ে গেছে), ছাত্রছাত্রীদের বলেছিলেন, এবার থেকে তোমরা আমায় ‘ম্যাম’ বলবে। এবং ছাত্রছাত্রীরাও হাসিমুখে তাঁকে ম্যাম বলে ডাকতে থাকে। স্কুলের কলিগরাও সেটা গ্রহণ করেছিলেন।

এইরকম চমৎকার ঘটনার কথা শোনার পর মনে হয়, দক্ষিণবঙ্গের চেয়ে উত্তরবঙ্গ অনেক বেশি মুক্তমনা। এবার আমি জানি না, এই জিনিসটা যদি উত্তর কলকাতা বা কোনো মফঃস্বল এলাকায় হত, মানুষজন কতটা গ্রহণ করতেন! আর দক্ষিণ কলকাতার লোকেদের ঠিক ওপেন মাইন্ডেড বলব না, তবে এসবে তাদের কিছু যায় আসে না। ওরা নিজেদের মতো থাকতে পছন্দ করে। অ্যানির জীবনের এই গোটা ঘটনাটা নিশ্চয় আমাদের গর্বিত করবে।

ছবি সৌজন্যেঃ অর্ঘ্য অধিকারী

 

Developed by DXDasia