
গিল্ড জানিয়েছে, এবছর প্রায় ২৫ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছে
রোববার অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি শেষ হল ৪৮তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। শেষ দিনেও বইমেলার হিরো জনতা জনার্দন। পাবলিশার্স ও বুকসেলার্স গিল্ডের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, এবছর বইমেলার বারো দিনে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষ। বই বিক্রি হয়েছে কমবেশি ২৫ কোটি টাকার। শুধুমাত্র রোববার অর্থাৎ শেষ দিনে বইমেলায় তিন লক্ষেরও বেশি মানুষের জমায়েত হয়েছিল বলে খবর। মেলার শেষ লগ্নে গিল্ডের সম্পাদক সুধাংশু শেখর দে বলেন, ‘‘গত বছর আমরা ১৪ দিন বইমেলা করার সুযোগ পেয়েছিলাম। এবছর সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১২ দিনে। সেখানেও বহু মানুষ এসেছেন। ফিশফ্রাইয়ের টানে বইমেলাতে এলেও বই কিনেই বাড়ি ফিরেছেন সকলে।’’

গিল্ডের সম্পাদক সুধাংশু শেখর দে বলেন, ‘‘গত বছর আমরা ১৪ দিন বইমেলা করার সুযোগ পেয়েছিলাম। এবছর সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১২ দিনে। সেখানেও বহু মানুষ এসেছেন। ফিশফ্রাইয়ের টানে বইমেলাতে এলেও বই কিনেই বাড়ি ফিরেছেন সকলে।’’
এবছর বইমেলার থিম দেশ ছিল জার্মানি। প্রতিবারের মতো বিগ বেনের আদলে ঘণ্টা বাজিয়ে শেষ হল বইয়ের শ্রেষ্ঠ উৎসব, এশিয়ার সর্ববৃহৎ বইমেলা। অনুষ্ঠানের শেষদিন উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, কলকাতা পুরনিগমের মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী।
আরও পড়ুন: বইমেলা ধুলো, গার্গী শ্রেয়সী…
গিল্ডের আরেক কর্তা ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সমাপ্তির পরের দিন থেকেই ৪৯তম বর্ষের তোরজোড় শুরু হয়ে যাবে। এদিন সমাপ্তি অনুষ্ঠানে কলকাতার মেয়র তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “আমরা বাঙালিরা সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী। তাই বই পড়ার উপর বেশি জোর দিই। বইমেলা আরও এক সপ্তাহ বাড়ালে ভালো হত।” শেষ দিনের আড্ডা, গল্প, বই কেনার মেজাজটাই প্রতি বছর অন্যরকম থাকে। রাত ৯টার ঘণ্টাধ্বনি কত কবি-লেখক-পাঠক-প্রকাশকের চোখে জল আনে, সে ছবি ধরা থাকে ফ্রেমে ফ্রেমে। বইমেলা মানে তো শুধু বিকিকিনির সম্পর্ক নয়, একটা আবেগ; যা বাঙালি ধারণ করে রেখেছে যুগের পর যুগ। আর কেনাকাটার হার নাকি গতবারের থেকে ৫-১০ শতাংশ বেশি। বইয়ের চেয়ে ভালো বন্ধু আর দ্বিতীয়টি নেই।
