মিটিল ভোট পর্ব, এইবার অন্তিম নির্বাচনী নির্যাস

২০২১ নির্বাচনের পর পরাভূত-বিজেপি ও প্রাক্তন-তৃণমূলী নিয়ে তৃতীয় ফ্রন্ট হতেই পারে

চাটার্ড ফ্লাইট নিয়ে যাঁরা গেছিলেন, তাঁরা নাকি নতুন দল গড়ছেন। কারণটা খুবই সহজ। বিজেপি এঁদের এলেম বুঝে গেছে, আর পুরোনো দল ফেরত নেবে না। ওদিকে শোভন-বৈশাখীও ক্যামেরার সামনে আসার জন্য অধৈর্য। আপাতত দলহীন। জিতুভাইয়াও বেকার। তার ওপর রুদ্রনীল সব সময়ই নতুন রং খোঁজে। ২০২১ নির্বাচনের পর, পরাভূত-বিজেপি-কাম-প্রাক্তন-তৃণমূলী দিয়ে দিব্যি একটা তৃতীয় ফ্রন্ট তৈরি হতে পারে। নো বহিরাগত। আর চাইলে ফ্রি প্রশান্ত কিশোর হবে এদের মেন্টর। ভুলে গেলে চলবে না, এই লিস্টে ত্রিফলা-টাইকুন আছেন। বিত্তের অভাব নেই।

আরও পড়ুন: ভোট শেষ, তারপর?

ওদিকে পরম (পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়) দাবি করেছেন আজকে বিশ্ব রগড়ানি দিবস পালন হোক। তাতে দিলুদাকে রগড়ানিটা ফেরত দেওয়া গেল বটে, কিন্তু পরমের মতো পক্কজীবীর বামপন্থা যে আজকে বহুবছর ধরে রক্তক্ষরণের পর ফাইনালি দেহ রাখল এই বাংলায়, তার জন্যও একটা কিছু দিবস পালন করুক মার্ক্সবাদীরা। অনির্বাণ খোকার (অনির্বাণ ভট্টাচার্য) গানটা তো পরেরবার মালয়ালিতে গাইতে হবে। তাও যদি সুদূর কেরল থেকে পিনারাই বিজয়ন ডাকেন।মোটের ওপর বাঙি খার খেয়ে এমন মুহতোড় জবাব দিল মনে হচ্ছে দিলুদা (দিলীপ ঘোষ) কিছুদিন গোপীবল্লভপুরে ভ্যাকেশন নেবেন। শমীককে (শমীক ভট্টাচার্য) হিন্দুস্থান ইন্টারন্যাশনাল ছাড়তে হবে, আর ওই এক ডঃ অনির্বাণ গাঙ্গুলি এখন বহুদিন যাবৎ নিখোঁজ হবেন। ইনি কিনি? কোথা থেকে শ্যামাপ্রাসাদ রিসার্চ বানিয়ে ফেললেন? মোটাভাই-এর (পড়ুন অমিত শাহ) ওপর বই লিখে শুধু টিকিটই জোগাড় করেননি, কোনো কোনো মাধ্যম তো সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী বানিয়ে ফেলছিল প্রায়। প্রবীর ঘোষালের মতো ধূর্ত সাংবাদিক দেখার পর স্বপন দাশগুপ্ত মুখ্যমন্ত্রী মুখ ভাবতেই অস্বস্তি হত, তো আবার কৌন সা এই অনির্বাণ!

অনেকটা আনন্দবাজারের অতি উৎসাহী চাটুকারিতার মতো – রাজ চক্কোতি বিধায়ক হতে ইউভান বাবাকে কী বলল তার কভারেজ করতে আরবানাতে একটা সাইট অফিস খুলে ফেলতে পারে এবিপি গোষ্ঠী।

শেষে, সবচেয়ে স্বস্তির ইঙ্গিত দিল একটি হোয়াটসঅ্যাপ মিম। ঠগেন্দ্রনাথ (পড়ুন নরেন্দ্র মোদি) নাকি ফাইনালি রেজরটা গ্রহণ করেছেন। এখন রবি ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর আগে তিনি মেকআপ বদলাবেন কি না, সেটি এক সপ্তাহের অপেক্ষা।

(মতামত লেখকের নিজস্ব)

Developed by DXDasia