শিল্পের মাধ্যমে শক্তির আরাধনা, ছবি আঁকলেন প্রখ্যাত শিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়

পোস্টার অফ দ্য ডে — সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়

আধুনিক রিয়্যালিস্টিক ট্র্যাডিশনে ভারতবর্ষের শীর্ষস্থানীয় চিত্রশিল্পীদের মধ্যে অন্যতম হলেন সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর রেখার শক্তি এবং জীবনবোধ আধুনিক চিত্রশিল্পকে উচ্চমাত্রায় নিয়ে গেছে। এই শৈল্পিক যাত্রাপথে ঘূর্ণিত হয়েছে চেনা ছকের যাত্রাপালা। তাই তাঁর ছবি যেন পাশের বাড়ির কেউ, যার মুখের সঙ্গে দর্শকের বহু বছরের পরিচয়৷ মূলত তৈলচিত্র এবং অ্যাক্রেলিক ক্যানভাসের মাধ্যমে তাঁর দীর্ঘ রেখার টান দর্শকদের বারবার মোহিত করেছে। সুব্রতর কাজ সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে আরপিজি এন্টারপ্রাইজ, তাজ গ্রুপ, চেন্নাই মিউজিয়াম, মায়ো কলেজ এবং ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে। এছাড়াও ভারতের বাইরে বহু দেশে তাঁর কাজ দেখে ঋদ্ধ হয়েছেন অসংখ্য দর্শক। 

#গোভাইরালটুস্টপদ্যভাইরাস নামের একটি উদ্যোগে বলা হয়েছিল, করোনা জীবাণুর আকৃতিকে অবলম্বন করে ইতিবাচক শিল্প সৃষ্টি করতে হবে। যে অজানা জীবাণু ছিল মৃত্যুর প্রতীক, তাই-ই শিল্পীদের কাছে হয়ে উঠছে বাঁচার রসদ।

এই উদ্যোগে সামিল হয়ে শক্তির ছবি আঁকলেন শিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়। ব্যবহার করেছেন ভারতীয় পুরাণের কালীকথা। পুরাণ অনুযায়ী যিনি শাক্ত সম্প্রদায়ের প্রতীক। তন্ত্র অনুসারে কালী, দশমহাবিদ্যা নামে পরিচিত দশজন প্রধান তান্ত্রিক দেবীর প্রথম। বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির আদি কারণ তিনিই। কাল অর্থাৎ কালী অর্থাৎ সৃষ্টি, পরিবর্তন, স্থিতি ও ধ্বংস এবং ধ্বংস থেকে নতুন শক্তির সঞ্চার করেন তিনি। চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায় মারণ জীবাণু কোভিড-১৯কে ব্যবহার করে এঁকেছেন সেই সমস্ত ছবিই৷ যেখানে বলা আছে শক্তি সংক্রামিত হোক।

আজকের পোস্টার অফ দ্য ডে সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়ের এই অসামান্য চিত্র
 

Developed by DXDasia